চতুর্থ দিনে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’

চতুর্থ দিনে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’
ঢাবি প্রতিনিধি

শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচারসহ ৪ দফা দাবি আদায়ে চতুর্থ দিনের মতো শুরু হয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ ঘোষিত 'মার্চ ফর ইনসাফ' কর্মসূচি।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর শাহবাগ মোড় থেকে শুরু হয় এ কর্মসূচি। 'মার্চ ফর ইনসাফ' কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দশটি পিকআপ ভ্যানে মার্চ শুরু করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের, রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও সাধারণ শিক্ষার্থী-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।
কর্মসূচির শুরুতে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে হাদি হত্যার বিচার করতে আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু সরকার এখন পর্যন্ত এমন কোনো তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেনি যাতে আমরা বুঝতে পারি যে এই সরকার ওসমান হাদির হত্যার বিচার করতে আগ্রহী।
তিনি আরও বলেন, কাল আদালতে চার্জশিটের কথা রয়েছে। এই ঘটনায় ফয়সাল আর আলমগীর ছোট ব্যক্তি। টাকার বিনিময়ে তারা হত্যা করেছে। কিন্তু হত্যা করালো কে? এই হত্যার পেছনে কারা আছে সেগুলো খুঁজে বের করতে হবে। কাল নামকাওয়াস্তে একটা চার্জশিট দিলে তা বাংলাদেশের মানুষ প্রত্যাখান করবে।
শাহবাগের শহীদ হাদি চত্বর থেকে শুরু হওয়া কর্মসূচিটি রাজধানীর সাইন্সল্যাব, মোহাম্মদপুর, রায়েরবাজার, মিরপুর, উত্তরা, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শাহবাগে এসে শেষ হবে বলে জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
এর আগে ইনকিলাব মঞ্চ ঘোষিত চার দফা দাবিগুলো হলো-
খুনি, খুনের পরিকল্পনাকারী, খুনের সহায়তাকারী, পলায়নে সহযোগী, আশ্রয়দাতাসহ পুরো খুনি চক্রের ২৪ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে।
বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে।
ভারত তার অভ্যন্তরে আশ্রয় নেওয়া সব খুনিদের ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
সিভিল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্টের দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচারসহ ৪ দফা দাবি আদায়ে চতুর্থ দিনের মতো শুরু হয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ ঘোষিত 'মার্চ ফর ইনসাফ' কর্মসূচি।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর শাহবাগ মোড় থেকে শুরু হয় এ কর্মসূচি। 'মার্চ ফর ইনসাফ' কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দশটি পিকআপ ভ্যানে মার্চ শুরু করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের, রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও সাধারণ শিক্ষার্থী-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।
কর্মসূচির শুরুতে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে হাদি হত্যার বিচার করতে আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু সরকার এখন পর্যন্ত এমন কোনো তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেনি যাতে আমরা বুঝতে পারি যে এই সরকার ওসমান হাদির হত্যার বিচার করতে আগ্রহী।
তিনি আরও বলেন, কাল আদালতে চার্জশিটের কথা রয়েছে। এই ঘটনায় ফয়সাল আর আলমগীর ছোট ব্যক্তি। টাকার বিনিময়ে তারা হত্যা করেছে। কিন্তু হত্যা করালো কে? এই হত্যার পেছনে কারা আছে সেগুলো খুঁজে বের করতে হবে। কাল নামকাওয়াস্তে একটা চার্জশিট দিলে তা বাংলাদেশের মানুষ প্রত্যাখান করবে।
শাহবাগের শহীদ হাদি চত্বর থেকে শুরু হওয়া কর্মসূচিটি রাজধানীর সাইন্সল্যাব, মোহাম্মদপুর, রায়েরবাজার, মিরপুর, উত্তরা, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শাহবাগে এসে শেষ হবে বলে জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
এর আগে ইনকিলাব মঞ্চ ঘোষিত চার দফা দাবিগুলো হলো-
খুনি, খুনের পরিকল্পনাকারী, খুনের সহায়তাকারী, পলায়নে সহযোগী, আশ্রয়দাতাসহ পুরো খুনি চক্রের ২৪ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে।
বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে।
ভারত তার অভ্যন্তরে আশ্রয় নেওয়া সব খুনিদের ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
সিভিল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্টের দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

চতুর্থ দিনে ইনকিলাব মঞ্চের ‘মার্চ ফর ইনসাফ’
ঢাবি প্রতিনিধি

শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার বিচারসহ ৪ দফা দাবি আদায়ে চতুর্থ দিনের মতো শুরু হয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ ঘোষিত 'মার্চ ফর ইনসাফ' কর্মসূচি।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১১টায় রাজধানীর শাহবাগ মোড় থেকে শুরু হয় এ কর্মসূচি। 'মার্চ ফর ইনসাফ' কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা দশটি পিকআপ ভ্যানে মার্চ শুরু করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের, রাকসুর জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারসহ ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা। এছাড়াও সাধারণ শিক্ষার্থী-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়।
কর্মসূচির শুরুতে আব্দুল্লাহ আল জাবের বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে হাদি হত্যার বিচার করতে আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু সরকার এখন পর্যন্ত এমন কোনো তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেনি যাতে আমরা বুঝতে পারি যে এই সরকার ওসমান হাদির হত্যার বিচার করতে আগ্রহী।
তিনি আরও বলেন, কাল আদালতে চার্জশিটের কথা রয়েছে। এই ঘটনায় ফয়সাল আর আলমগীর ছোট ব্যক্তি। টাকার বিনিময়ে তারা হত্যা করেছে। কিন্তু হত্যা করালো কে? এই হত্যার পেছনে কারা আছে সেগুলো খুঁজে বের করতে হবে। কাল নামকাওয়াস্তে একটা চার্জশিট দিলে তা বাংলাদেশের মানুষ প্রত্যাখান করবে।
শাহবাগের শহীদ হাদি চত্বর থেকে শুরু হওয়া কর্মসূচিটি রাজধানীর সাইন্সল্যাব, মোহাম্মদপুর, রায়েরবাজার, মিরপুর, উত্তরা, বসুন্ধরা, বাড্ডা, রামপুরা ও যাত্রাবাড়ী এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় শাহবাগে এসে শেষ হবে বলে জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।
এর আগে ইনকিলাব মঞ্চ ঘোষিত চার দফা দাবিগুলো হলো-
খুনি, খুনের পরিকল্পনাকারী, খুনের সহায়তাকারী, পলায়নে সহযোগী, আশ্রয়দাতাসহ পুরো খুনি চক্রের ২৪ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে।
বাংলাদেশে অবস্থানরত সব ভারতীয়দের ওয়ার্ক পারমিট বাতিল করতে হবে।
ভারত তার অভ্যন্তরে আশ্রয় নেওয়া সব খুনিদের ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।
সিভিল মিলিটারি ইন্টেলিজেন্সের মধ্যে ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকা ফ্যাসিস্টের দোসরদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।




