এবার দুদকের জালে সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান

এবার দুদকের জালে সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান
নিজস্ব প্রতিবেদক

সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান, তাঁর স্ত্রী-মেয়েসহ ১৬ জনকে তলব করেছে দুদক। অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক) সূত্রে জানা গেছে, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই অভিযোগ তদন্তে জিজ্ঞাসাদের জন্য আরও ১৫ জনকে তলব করেছে দুদক। তাদের মধ্যে আছেন আজিজ খানের স্ত্রী আঞ্জুমান আজিজ খান, মেয়ে আয়েশা আজিজ, ভাই ফরিদ খান ও লতিফ খান, সানাদিনা খান, সালমান খান, জাফর উম্মিদ খান, লতিফ খান, ফয়সাল করিম খান, ফারহান করিম, ফাদিয়াহ খান, ফারহানা খান এবং আজহারুল হক।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ৮৫০ কোটি টাকার মধ্যে আজিজ খানের বিরুদ্ধে ২২৬ কোটি টাকা, আঞ্জুমান আজিজ খানের বিরুদ্ধে ৩২ কোটি, ফরিদ খানের বিরুদ্ধে ৭০ কোটি, আয়েশা আজিজের বিরুদ্ধে ২১৯ কোটি, সানাদিনা খানের বিরুদ্ধে ৩৯ কোটি, সালমান খানের বিরুদ্ধে ৩৯ কোটি, জাফর উম্মিদ খানের বিরুদ্ধে ৫২ কোটি, লতিফ খানের বিরুদ্ধে ৬৫ কোটি, ফয়সাল করিম খানের বিরুদ্ধে ৩৭ কোটি, ফারহান করিমের বিরুদ্ধে ৩ কোটি, ফাদিয়াহ খানের বিরুদ্ধে ৩৭ কোটি, ফারহানা খানের বিরুদ্ধে ২৫ কোটি এবং আজহারুল হকের বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
দুদকের উপপরিচালক মো. আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের যৌথ একটি দল অনুসন্ধানের দায়িত্ব পালন করছে।
এর আগে ১৪ ডিসেম্বর সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজিজ খান, তার স্ত্রী ও মেয়েসহ পরিবারের সদস্যদের নামে প্রায় ৭১১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সত্যতা যাচাই-বাছাইয়ে পৃথক সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য নোটিশ জারি করা হয়েছিল। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আজিজ খানের নামে ৩৩০ কোটি ৯৩ লাখ ৫০ হাজার ১০৯ টাকা, আঞ্জুমান আজিজ খানের নামে প্রায় ৯২ কোটি ৬২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৯ টাকা এবং তাঁদের মেয়ে আয়েশা আজিজ খানের নামে প্রায় ২৮৭ কোটি ৪৩ লাখ ২২ হাজার ৯৬৪ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
আয়কর নথিতে প্রদর্শিত সম্পদের মূল্য প্রকৃত সম্পদের তুলনায় কম এবং তার আয়ের সঙ্গে এ সম্পদের কোনো সামঞ্জস্য নেই। এ অবস্থায় দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী পৃথকভাবে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে।
সোমবার বাংলাদেশ শিপিং করপরেশনের মহাব্যবস্থাপক জিয়াউর রহমানের সম্পদের তথ্য চেয়ে বিভিন্ন ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি। এ ছাড়া জন্ম তারিখ জাল করে কোটায় চাকরি নেওয়ার প্রমাণ পেয়ে কাস্টমসের সাবেক সহকারী কমিশনার কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান, তাঁর স্ত্রী-মেয়েসহ ১৬ জনকে তলব করেছে দুদক। অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক) সূত্রে জানা গেছে, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই অভিযোগ তদন্তে জিজ্ঞাসাদের জন্য আরও ১৫ জনকে তলব করেছে দুদক। তাদের মধ্যে আছেন আজিজ খানের স্ত্রী আঞ্জুমান আজিজ খান, মেয়ে আয়েশা আজিজ, ভাই ফরিদ খান ও লতিফ খান, সানাদিনা খান, সালমান খান, জাফর উম্মিদ খান, লতিফ খান, ফয়সাল করিম খান, ফারহান করিম, ফাদিয়াহ খান, ফারহানা খান এবং আজহারুল হক।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ৮৫০ কোটি টাকার মধ্যে আজিজ খানের বিরুদ্ধে ২২৬ কোটি টাকা, আঞ্জুমান আজিজ খানের বিরুদ্ধে ৩২ কোটি, ফরিদ খানের বিরুদ্ধে ৭০ কোটি, আয়েশা আজিজের বিরুদ্ধে ২১৯ কোটি, সানাদিনা খানের বিরুদ্ধে ৩৯ কোটি, সালমান খানের বিরুদ্ধে ৩৯ কোটি, জাফর উম্মিদ খানের বিরুদ্ধে ৫২ কোটি, লতিফ খানের বিরুদ্ধে ৬৫ কোটি, ফয়সাল করিম খানের বিরুদ্ধে ৩৭ কোটি, ফারহান করিমের বিরুদ্ধে ৩ কোটি, ফাদিয়াহ খানের বিরুদ্ধে ৩৭ কোটি, ফারহানা খানের বিরুদ্ধে ২৫ কোটি এবং আজহারুল হকের বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
দুদকের উপপরিচালক মো. আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের যৌথ একটি দল অনুসন্ধানের দায়িত্ব পালন করছে।
এর আগে ১৪ ডিসেম্বর সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজিজ খান, তার স্ত্রী ও মেয়েসহ পরিবারের সদস্যদের নামে প্রায় ৭১১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সত্যতা যাচাই-বাছাইয়ে পৃথক সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য নোটিশ জারি করা হয়েছিল। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আজিজ খানের নামে ৩৩০ কোটি ৯৩ লাখ ৫০ হাজার ১০৯ টাকা, আঞ্জুমান আজিজ খানের নামে প্রায় ৯২ কোটি ৬২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৯ টাকা এবং তাঁদের মেয়ে আয়েশা আজিজ খানের নামে প্রায় ২৮৭ কোটি ৪৩ লাখ ২২ হাজার ৯৬৪ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
আয়কর নথিতে প্রদর্শিত সম্পদের মূল্য প্রকৃত সম্পদের তুলনায় কম এবং তার আয়ের সঙ্গে এ সম্পদের কোনো সামঞ্জস্য নেই। এ অবস্থায় দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী পৃথকভাবে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে।
সোমবার বাংলাদেশ শিপিং করপরেশনের মহাব্যবস্থাপক জিয়াউর রহমানের সম্পদের তথ্য চেয়ে বিভিন্ন ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি। এ ছাড়া জন্ম তারিখ জাল করে কোটায় চাকরি নেওয়ার প্রমাণ পেয়ে কাস্টমসের সাবেক সহকারী কমিশনার কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

এবার দুদকের জালে সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান
নিজস্ব প্রতিবেদক

সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আজিজ খান, তাঁর স্ত্রী-মেয়েসহ ১৬ জনকে তলব করেছে দুদক। অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে ১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি মধ্যে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুদক।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) দুদক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। দুদকের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুর্নীতি দমন কমিশন(দুদক) সূত্রে জানা গেছে, সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত প্রায় ৮৫০ কোটি টাকা বিদেশে পাচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই অভিযোগ তদন্তে জিজ্ঞাসাদের জন্য আরও ১৫ জনকে তলব করেছে দুদক। তাদের মধ্যে আছেন আজিজ খানের স্ত্রী আঞ্জুমান আজিজ খান, মেয়ে আয়েশা আজিজ, ভাই ফরিদ খান ও লতিফ খান, সানাদিনা খান, সালমান খান, জাফর উম্মিদ খান, লতিফ খান, ফয়সাল করিম খান, ফারহান করিম, ফাদিয়াহ খান, ফারহানা খান এবং আজহারুল হক।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ৮৫০ কোটি টাকার মধ্যে আজিজ খানের বিরুদ্ধে ২২৬ কোটি টাকা, আঞ্জুমান আজিজ খানের বিরুদ্ধে ৩২ কোটি, ফরিদ খানের বিরুদ্ধে ৭০ কোটি, আয়েশা আজিজের বিরুদ্ধে ২১৯ কোটি, সানাদিনা খানের বিরুদ্ধে ৩৯ কোটি, সালমান খানের বিরুদ্ধে ৩৯ কোটি, জাফর উম্মিদ খানের বিরুদ্ধে ৫২ কোটি, লতিফ খানের বিরুদ্ধে ৬৫ কোটি, ফয়সাল করিম খানের বিরুদ্ধে ৩৭ কোটি, ফারহান করিমের বিরুদ্ধে ৩ কোটি, ফাদিয়াহ খানের বিরুদ্ধে ৩৭ কোটি, ফারহানা খানের বিরুদ্ধে ২৫ কোটি এবং আজহারুল হকের বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
দুদকের উপপরিচালক মো. আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে ৭ সদস্যের যৌথ একটি দল অনুসন্ধানের দায়িত্ব পালন করছে।
এর আগে ১৪ ডিসেম্বর সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আজিজ খান, তার স্ত্রী ও মেয়েসহ পরিবারের সদস্যদের নামে প্রায় ৭১১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সত্যতা যাচাই-বাছাইয়ে পৃথক সম্পদ বিবরণী দাখিলের জন্য নোটিশ জারি করা হয়েছিল। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, আজিজ খানের নামে ৩৩০ কোটি ৯৩ লাখ ৫০ হাজার ১০৯ টাকা, আঞ্জুমান আজিজ খানের নামে প্রায় ৯২ কোটি ৬২ লাখ ৭৮ হাজার ৭৯ টাকা এবং তাঁদের মেয়ে আয়েশা আজিজ খানের নামে প্রায় ২৮৭ কোটি ৪৩ লাখ ২২ হাজার ৯৬৪ টাকার অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
আয়কর নথিতে প্রদর্শিত সম্পদের মূল্য প্রকৃত সম্পদের তুলনায় কম এবং তার আয়ের সঙ্গে এ সম্পদের কোনো সামঞ্জস্য নেই। এ অবস্থায় দুদক আইন, ২০০৪-এর ২৬(১) ধারা অনুযায়ী পৃথকভাবে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারি করা হয়েছে।
সোমবার বাংলাদেশ শিপিং করপরেশনের মহাব্যবস্থাপক জিয়াউর রহমানের সম্পদের তথ্য চেয়ে বিভিন্ন ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি। এ ছাড়া জন্ম তারিখ জাল করে কোটায় চাকরি নেওয়ার প্রমাণ পেয়ে কাস্টমসের সাবেক সহকারী কমিশনার কামরুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।




