‘ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের’ জায়গায় হচ্ছে সরকারি ভবন

‘ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের’ জায়গায় হচ্ছে সরকারি ভবন
সেলিনা আক্তার

রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত ভারতের ‘ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার’-এর পুরোনো ভবন ভেঙে সেখানে সরকারি প্রশাসনিক বহুতল ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভবনটি আগে ভাড়া দেওয়া থাকলেও বর্তমানে সরকারের দখলে রয়েছে এবং সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারসহ বিভিন্ন সময় বসবাসরত ব্যক্তিদের কাছে ভাড়া বাবদ সরকারের ১৮ কোটি ৩২ লাখ ১৪ হাজার ১৪৮ টাকা পাওনা রয়েছে বলে জানা যায়।
ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ২ নম্বর রোডের ২৪ (পুরোনো ১২০) নম্বর প্লটের প্রায় ২০ কাঠা জমির এই সম্পত্তি সরকারি নথিতে ১৯৮৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পরিত্যক্ত হিসেবে গেজেটভুক্ত হয়। এর সামনের অংশে একটি তিনতলা ও পেছনে দুইতলা ভবন রয়েছে। সরকারি মূল্যায়ন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জমির বাজারদর এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২০২২ সালের নির্মাণ ব্যয় বিবেচনায় এই সম্পত্তির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১৯ কোটি ৫২ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭৭ টাকা ও মাসিক ভাড়া মূল্য ১৩ লাখ ১ হাজার ৮৩২ টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন হারে বাড়িটির ভাড়ার পরিমাণ দাঁড়ায় ১৮ কোটি ৮৮ লাখ ৬৩ হাজার ৭৬১ টাকা ৬৫ পয়সা। এর মধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে মাত্র ৫৬ লাখ ৬৪ হাজার ৬১৩ টাকা। বাকি ১৮ কোটি ৩২ লাখ ১৪ হাজার ১৪৮ টাকা ঢাকাস্থ ভারতীয় কালচারাল সেন্টারসহ বিভিন্ন সময় বসবাসরত লোকজনের কাছে সরকারের পাওনা রয়েছে।
বর্তমানে এখানে সরকার এখন বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গণপূর্ত ও স্থাপত্য অধিদপ্তর নকশা প্রণয়ন ও বাজেট প্রস্তুতের কাজ করছে। সবকিছু চূড়ান্ত হলে এটি প্রকল্প আকারে গ্রহণ করা হবে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাতে ধানমন্ডির এই কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এরপর সেন্টারের সব প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এর অন্য শাখা গুলশান-২ এর ১৪ নম্বর বাড়িতে স্থানান্তর করা হয়, যা ‘ওল্ড ইন্ডিয়ান হাউজ’ নামে পরিচিত।
জানতে চাইলে কালচারাল সেন্টারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সাথী সাহা সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনার পর ধানমন্ডির কেন্দ্রটি ওই অবস্থায় পড়ে ছিল। একই বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ওল্ড ইন্ডিয়া হাউজ থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।’
ধানমন্ডির প্লট বরাদ্দ বাতিলের বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।
তম্ময় সিংহ জনসংযোগ কর্মকর্তা, ভারতীয় হাইকমিশন
ধানমন্ডির প্লটটির বরাদ্দ বাতিল হয়েছে কি-না জানতে চাইলে ভারতীয় হাইকমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা তম্ময় সিংহ সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।’
সূত্র জানায়, ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে ভারতীয় সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিষদের উদ্যোগে ২০১০ সালের ১১ মার্চ ধানমন্ডিতে ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নামে নামকরণ করা এই কেন্দ্র থেকে দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় ধ্রুপদী সংগীত, কত্থক, মণিপুরি, ভরতনাট্যমসহ বিভিন্ন নৃত্যশৈলী, হিন্দি ভাষা ও যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। এখানে প্রায় ২১ হাজার বইয়ের একটি গ্রন্থাগার ছিল। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভারতে উচ্চশিক্ষার বৃত্তি কার্যক্রম এ কেন্দ্র থেকেই পরিচালিত হতো।

এই বিষয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. আব্দুল মতিন বলেন, ‘সরকারের যেসব পরিত্যক্ত ও বেহাল জমি এবং স্থাপনা রয়েছে, সেগুলো উদ্ধার করে বহুতল ভবন নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার নয়, দেশের সব ধরনের পরিত্যক্ত সম্পত্তি সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।’
ধানমন্ডির জমিটি আগে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল এবং সেখানে অর্থ বকেয়া রয়েছে। জমিটি সরকারের নিয়ন্ত্রণে না থাকলে দখল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণেই বহুতল ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে।
মো. আব্দুল মতিন অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
তিনি আরও বলেন, ‘ধানমন্ডির জমিটি আগে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল এবং সেখানে অর্থ বকেয়া রয়েছে। জমিটি সরকারের নিয়ন্ত্রণে না থাকলে দখল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণেই বহুতল ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে।’

রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত ভারতের ‘ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার’-এর পুরোনো ভবন ভেঙে সেখানে সরকারি প্রশাসনিক বহুতল ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভবনটি আগে ভাড়া দেওয়া থাকলেও বর্তমানে সরকারের দখলে রয়েছে এবং সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারসহ বিভিন্ন সময় বসবাসরত ব্যক্তিদের কাছে ভাড়া বাবদ সরকারের ১৮ কোটি ৩২ লাখ ১৪ হাজার ১৪৮ টাকা পাওনা রয়েছে বলে জানা যায়।
ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ২ নম্বর রোডের ২৪ (পুরোনো ১২০) নম্বর প্লটের প্রায় ২০ কাঠা জমির এই সম্পত্তি সরকারি নথিতে ১৯৮৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পরিত্যক্ত হিসেবে গেজেটভুক্ত হয়। এর সামনের অংশে একটি তিনতলা ও পেছনে দুইতলা ভবন রয়েছে। সরকারি মূল্যায়ন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জমির বাজারদর এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২০২২ সালের নির্মাণ ব্যয় বিবেচনায় এই সম্পত্তির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১৯ কোটি ৫২ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭৭ টাকা ও মাসিক ভাড়া মূল্য ১৩ লাখ ১ হাজার ৮৩২ টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন হারে বাড়িটির ভাড়ার পরিমাণ দাঁড়ায় ১৮ কোটি ৮৮ লাখ ৬৩ হাজার ৭৬১ টাকা ৬৫ পয়সা। এর মধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে মাত্র ৫৬ লাখ ৬৪ হাজার ৬১৩ টাকা। বাকি ১৮ কোটি ৩২ লাখ ১৪ হাজার ১৪৮ টাকা ঢাকাস্থ ভারতীয় কালচারাল সেন্টারসহ বিভিন্ন সময় বসবাসরত লোকজনের কাছে সরকারের পাওনা রয়েছে।
বর্তমানে এখানে সরকার এখন বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গণপূর্ত ও স্থাপত্য অধিদপ্তর নকশা প্রণয়ন ও বাজেট প্রস্তুতের কাজ করছে। সবকিছু চূড়ান্ত হলে এটি প্রকল্প আকারে গ্রহণ করা হবে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাতে ধানমন্ডির এই কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এরপর সেন্টারের সব প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এর অন্য শাখা গুলশান-২ এর ১৪ নম্বর বাড়িতে স্থানান্তর করা হয়, যা ‘ওল্ড ইন্ডিয়ান হাউজ’ নামে পরিচিত।
জানতে চাইলে কালচারাল সেন্টারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সাথী সাহা সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনার পর ধানমন্ডির কেন্দ্রটি ওই অবস্থায় পড়ে ছিল। একই বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ওল্ড ইন্ডিয়া হাউজ থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।’
ধানমন্ডির প্লট বরাদ্দ বাতিলের বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।
তম্ময় সিংহ জনসংযোগ কর্মকর্তা, ভারতীয় হাইকমিশন
ধানমন্ডির প্লটটির বরাদ্দ বাতিল হয়েছে কি-না জানতে চাইলে ভারতীয় হাইকমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা তম্ময় সিংহ সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।’
সূত্র জানায়, ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে ভারতীয় সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিষদের উদ্যোগে ২০১০ সালের ১১ মার্চ ধানমন্ডিতে ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নামে নামকরণ করা এই কেন্দ্র থেকে দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় ধ্রুপদী সংগীত, কত্থক, মণিপুরি, ভরতনাট্যমসহ বিভিন্ন নৃত্যশৈলী, হিন্দি ভাষা ও যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। এখানে প্রায় ২১ হাজার বইয়ের একটি গ্রন্থাগার ছিল। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভারতে উচ্চশিক্ষার বৃত্তি কার্যক্রম এ কেন্দ্র থেকেই পরিচালিত হতো।

এই বিষয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. আব্দুল মতিন বলেন, ‘সরকারের যেসব পরিত্যক্ত ও বেহাল জমি এবং স্থাপনা রয়েছে, সেগুলো উদ্ধার করে বহুতল ভবন নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার নয়, দেশের সব ধরনের পরিত্যক্ত সম্পত্তি সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।’
ধানমন্ডির জমিটি আগে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল এবং সেখানে অর্থ বকেয়া রয়েছে। জমিটি সরকারের নিয়ন্ত্রণে না থাকলে দখল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণেই বহুতল ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে।
মো. আব্দুল মতিন অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
তিনি আরও বলেন, ‘ধানমন্ডির জমিটি আগে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল এবং সেখানে অর্থ বকেয়া রয়েছে। জমিটি সরকারের নিয়ন্ত্রণে না থাকলে দখল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণেই বহুতল ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে।’

‘ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারের’ জায়গায় হচ্ছে সরকারি ভবন
সেলিনা আক্তার

রাজধানীর ধানমন্ডিতে অবস্থিত ভারতের ‘ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার’-এর পুরোনো ভবন ভেঙে সেখানে সরকারি প্রশাসনিক বহুতল ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ভবনটি আগে ভাড়া দেওয়া থাকলেও বর্তমানে সরকারের দখলে রয়েছে এবং সেখানে বহুতল ভবন নির্মাণের প্রস্তুতি চলছে। এছাড়া ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টারসহ বিভিন্ন সময় বসবাসরত ব্যক্তিদের কাছে ভাড়া বাবদ সরকারের ১৮ কোটি ৩২ লাখ ১৪ হাজার ১৪৮ টাকা পাওনা রয়েছে বলে জানা যায়।
ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ২ নম্বর রোডের ২৪ (পুরোনো ১২০) নম্বর প্লটের প্রায় ২০ কাঠা জমির এই সম্পত্তি সরকারি নথিতে ১৯৮৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর পরিত্যক্ত হিসেবে গেজেটভুক্ত হয়। এর সামনের অংশে একটি তিনতলা ও পেছনে দুইতলা ভবন রয়েছে। সরকারি মূল্যায়ন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের জমির বাজারদর এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের ২০২২ সালের নির্মাণ ব্যয় বিবেচনায় এই সম্পত্তির বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ১৯ কোটি ৫২ লাখ ৭৪ হাজার ৮৭৭ টাকা ও মাসিক ভাড়া মূল্য ১৩ লাখ ১ হাজার ৮৩২ টাকা।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন হারে বাড়িটির ভাড়ার পরিমাণ দাঁড়ায় ১৮ কোটি ৮৮ লাখ ৬৩ হাজার ৭৬১ টাকা ৬৫ পয়সা। এর মধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে মাত্র ৫৬ লাখ ৬৪ হাজার ৬১৩ টাকা। বাকি ১৮ কোটি ৩২ লাখ ১৪ হাজার ১৪৮ টাকা ঢাকাস্থ ভারতীয় কালচারাল সেন্টারসহ বিভিন্ন সময় বসবাসরত লোকজনের কাছে সরকারের পাওনা রয়েছে।
বর্তমানে এখানে সরকার এখন বহুতল ভবন নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। গণপূর্ত ও স্থাপত্য অধিদপ্তর নকশা প্রণয়ন ও বাজেট প্রস্তুতের কাজ করছে। সবকিছু চূড়ান্ত হলে এটি প্রকল্প আকারে গ্রহণ করা হবে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাতে ধানমন্ডির এই কেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এরপর সেন্টারের সব প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম এর অন্য শাখা গুলশান-২ এর ১৪ নম্বর বাড়িতে স্থানান্তর করা হয়, যা ‘ওল্ড ইন্ডিয়ান হাউজ’ নামে পরিচিত।
জানতে চাইলে কালচারাল সেন্টারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সাথী সাহা সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ঘটনার পর ধানমন্ডির কেন্দ্রটি ওই অবস্থায় পড়ে ছিল। একই বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ওল্ড ইন্ডিয়া হাউজ থেকেই সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে।’
ধানমন্ডির প্লট বরাদ্দ বাতিলের বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।
তম্ময় সিংহ জনসংযোগ কর্মকর্তা, ভারতীয় হাইকমিশন
ধানমন্ডির প্লটটির বরাদ্দ বাতিল হয়েছে কি-না জানতে চাইলে ভারতীয় হাইকমিশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা তম্ময় সিংহ সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কাছে কোনো তথ্য নেই।’
সূত্র জানায়, ভারত ও বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক সম্পর্ক জোরদারের লক্ষ্যে ভারতীয় সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিষদের উদ্যোগে ২০১০ সালের ১১ মার্চ ধানমন্ডিতে ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়। ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নামে নামকরণ করা এই কেন্দ্র থেকে দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় ধ্রুপদী সংগীত, কত্থক, মণিপুরি, ভরতনাট্যমসহ বিভিন্ন নৃত্যশৈলী, হিন্দি ভাষা ও যোগব্যায়ামের প্রশিক্ষণ দেওয়া হতো। এখানে প্রায় ২১ হাজার বইয়ের একটি গ্রন্থাগার ছিল। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভারতে উচ্চশিক্ষার বৃত্তি কার্যক্রম এ কেন্দ্র থেকেই পরিচালিত হতো।

এই বিষয়ে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মো. আব্দুল মতিন বলেন, ‘সরকারের যেসব পরিত্যক্ত ও বেহাল জমি এবং স্থাপনা রয়েছে, সেগুলো উদ্ধার করে বহুতল ভবন নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শুধু ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার নয়, দেশের সব ধরনের পরিত্যক্ত সম্পত্তি সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।’
ধানমন্ডির জমিটি আগে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল এবং সেখানে অর্থ বকেয়া রয়েছে। জমিটি সরকারের নিয়ন্ত্রণে না থাকলে দখল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণেই বহুতল ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে।
মো. আব্দুল মতিন অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়
তিনি আরও বলেন, ‘ধানমন্ডির জমিটি আগে ভাড়া দেওয়া হয়েছিল এবং সেখানে অর্থ বকেয়া রয়েছে। জমিটি সরকারের নিয়ন্ত্রণে না থাকলে দখল হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। এ কারণেই বহুতল ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে নকশা প্রণয়নের কাজ চলছে।’




