শিরোনাম

নৌকাডুবির ১০ দিন পর ৩ জেলের মরদেহ উদ্ধার

বরিশাল সংবাদদাতা
নৌকাডুবির ১০ দিন পর ৩ জেলের মরদেহ উদ্ধার
মেঘনা নদী। ছবি: সংগৃহীত

মেঘনা নদীতে নৌকা ডুবে নিখোঁজের ১০ দিন পর তিন জেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। এ ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আরও এক জেলে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) ভোরে বরিশালের হিজলা ও মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলা এলাকা থেকে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন– হিজলা উপজেলার পালপাড়া এলাকার বাসিন্দা সাগর মীরের ছেলে শাহীন মীর, একই এলাকার জাহাঙ্গীর বেপারীর ছেলে নয়ন বেপারী এবং বাথুয়া গ্রামের কাদের সিকদারের ছেলে আরিফ সিকদার।

নিখোঁজ শাহীন সিকদার উপজেলার পালপাড়া গ্রামের মনির সিকদারের ছেলে।

কালিগঞ্জ নৌ-পুলিশের পরিদর্শক গৌতম চন্দ্র মণ্ডল বলেন, ১০ জানুয়ারি ইঞ্জিনচালিত নৌকা নিয়ে মেঘনায় লালবয়া এলাকায় মাছ শিকারে যান পাঁচ তরুণ জেলে। নদীতে জাল ফেলে তারা নৌকায় ঘুমিয়ে পড়েন। এ সময় ইঞ্জিনের পাখার পাশ দিয়ে পানি ঢুকে নৌকা ডুবতে থাকলে তারা টের পান। তখন সাঁতরে তীরের দিকে রওনা দেন। এর মধ্যে একজন তীরে উঠতে পারলেও বাকিরা নদীতে তলিয়ে যান।

বেঁচে ফেরা শামীম দিদারের বরাতে গৌতম চন্দ্র মণ্ডল আরও বলেন, শামীম সাঁতরে মেহেন্দিগঞ্জের মীরের খাল এলাকায় পৌঁছুলে অন্য নৌকার জেলেরা তাকে উদ্ধার করেন। ধারণা করা হচ্ছে, ঘন কুয়াশা ও প্রচুর শীত থাকার কারণে অন্যরা নদীতে ডুবে মারা গেছেন।

তিনি বলেন, ভোরে ভাসমান অবস্থায় শাহীন মীর ও আরিফ সিকদারের মরদেহ পাওয়া যায়। পরিবারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ময়নাতদন্ত ছাড়া মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

কালিগঞ্জ নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক এনামুল হক বলেন, দুপুরে মেঘনা নদীর মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার মীরা বাজার এলাকায় একটি ভাসমান মরদেহ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে নয়ন বেপারীর স্বজনরা এসে মরদেহ শনাক্ত করেন।

পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।

/এসআর/