চাকসু নেতাদের বিরুদ্ধে শিক্ষককে হেনস্তার অভিযোগ

চাকসু নেতাদের বিরুদ্ধে শিক্ষককে হেনস্তার অভিযোগ
সিটিজেন-ডেস্ক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এক আইন বিভাগের শিক্ষকের সঙ্গে শারীরিক হেনস্তার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে আইন অনুষদের সামনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) চার নেতার শিক্ষককে টেনে নিয়ে প্রক্টর কার্যালয়ে পৌঁছে দেন, এমনটি প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এ সময় তার মুঠোফোনেও তল্লাশি চালানো হয়।
হেনস্তার শিকার শিক্ষক হলেন আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাসান মোহাম্মদ। তিনি আওয়ামী লীগের পাশাপাশি বামপন্থী শিক্ষকদের একটি রাজনৈতিক সংগঠন ‘হলুদ দল’-এর একাংশের সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রক্টরও।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ১ মিনিট ৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ছাত্র হাসান মোহাম্মদকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। এক শিক্ষার্থী পেছন থেকে তাকে চাপা দিয়ে ধরে রাখেন। ভিডিওতে চাকসুর দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান, পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ফজলে রাব্বি এবং নির্বাহী সদস্য সোহানুর রহমানকে দেখা গেছে। এ সময় শিক্ষক চিৎকার করছিলেন। পরে তাকে একটি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রক্টর অফিসে হাসান মোহাম্মদ ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে কর্মচারী ও অন্যান্য শিক্ষক জানিয়েছেন, পরিস্থিতি শান্ত নয়। তাই আমি কেন্দ্র থেকে বের হই। এ সময় চাকসু নেতারা চিৎকার শুরু করলে ভয়ে দৌড় দেই, কিন্তু তারপরও আমাকে ছাড়া হয়নি এবং আমার বিরুদ্ধে মব তৈরি করা হয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে ফজলে রাব্বি বলেন, সহকারী প্রক্টর হিসেবে তার দায়িত্ব পালনকালে তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময়ও তার সরাসরি অংশগ্রহণের অভিযোগ ছিল। এ নিয়ে প্রশাসন তদন্ত করছিল। আমরা আইন অনুষদের ডিনের সঙ্গে কথা বলার জন্য গিয়েছিলাম। তখন শিক্ষক পালানোর চেষ্টা করেন, গাছের গুঁড়িতে আঘাত পান।

চাকসুর দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, তাকে কোনোভাবে আঘাত করা হয়নি। আমরা আইন অনুষদ পরিদর্শনকালে তার উপস্থিতি জানতে পেয়ে সেখানে যাই। তিনি গ্যালারির পেছনের দিকে দৌড়ানোর সময় ব্যথা পান।
জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার চেষ্টা অভিযোগ অস্বীকার করে হাসান মোহাম্মদ রোমান বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় আমি একদিনও বাইরে যাইনি। কোনো দায়িত্বে ছিলাম না এবং কোনো শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের বোর্ডে অংশগ্রহণ করিনি। সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কাউকে মামলা দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।
পরীক্ষার দায়িত্ব সম্পর্কে ‘বি’ ইউনিটের সমন্বয়কারী মো. ইকবাল শাহীন খান জানান, কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত চলাকালীনও তিনি পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। যতক্ষণ পর্যন্ত সিন্ডিকেটের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত আসে না, ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে কেন্দ্রের দায়িত্বে রাখা হয়।
এই ঘটনায় চবির প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, হট্টগোলের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। এই মুহূর্তে শিক্ষক ও তার মুঠোফোনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় খতিয়ে দেখছি। বিস্তারিত পরে গণমাধ্যমে জানানো হবে।
ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তার বেতনও বন্ধ রয়েছে। কীভাবে পরীক্ষার দায়িত্ব পান, তা স্পষ্ট নয়।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এক আইন বিভাগের শিক্ষকের সঙ্গে শারীরিক হেনস্তার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে আইন অনুষদের সামনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) চার নেতার শিক্ষককে টেনে নিয়ে প্রক্টর কার্যালয়ে পৌঁছে দেন, এমনটি প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এ সময় তার মুঠোফোনেও তল্লাশি চালানো হয়।
হেনস্তার শিকার শিক্ষক হলেন আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাসান মোহাম্মদ। তিনি আওয়ামী লীগের পাশাপাশি বামপন্থী শিক্ষকদের একটি রাজনৈতিক সংগঠন ‘হলুদ দল’-এর একাংশের সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রক্টরও।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ১ মিনিট ৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ছাত্র হাসান মোহাম্মদকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। এক শিক্ষার্থী পেছন থেকে তাকে চাপা দিয়ে ধরে রাখেন। ভিডিওতে চাকসুর দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান, পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ফজলে রাব্বি এবং নির্বাহী সদস্য সোহানুর রহমানকে দেখা গেছে। এ সময় শিক্ষক চিৎকার করছিলেন। পরে তাকে একটি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রক্টর অফিসে হাসান মোহাম্মদ ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে কর্মচারী ও অন্যান্য শিক্ষক জানিয়েছেন, পরিস্থিতি শান্ত নয়। তাই আমি কেন্দ্র থেকে বের হই। এ সময় চাকসু নেতারা চিৎকার শুরু করলে ভয়ে দৌড় দেই, কিন্তু তারপরও আমাকে ছাড়া হয়নি এবং আমার বিরুদ্ধে মব তৈরি করা হয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে ফজলে রাব্বি বলেন, সহকারী প্রক্টর হিসেবে তার দায়িত্ব পালনকালে তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময়ও তার সরাসরি অংশগ্রহণের অভিযোগ ছিল। এ নিয়ে প্রশাসন তদন্ত করছিল। আমরা আইন অনুষদের ডিনের সঙ্গে কথা বলার জন্য গিয়েছিলাম। তখন শিক্ষক পালানোর চেষ্টা করেন, গাছের গুঁড়িতে আঘাত পান।

চাকসুর দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, তাকে কোনোভাবে আঘাত করা হয়নি। আমরা আইন অনুষদ পরিদর্শনকালে তার উপস্থিতি জানতে পেয়ে সেখানে যাই। তিনি গ্যালারির পেছনের দিকে দৌড়ানোর সময় ব্যথা পান।
জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার চেষ্টা অভিযোগ অস্বীকার করে হাসান মোহাম্মদ রোমান বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় আমি একদিনও বাইরে যাইনি। কোনো দায়িত্বে ছিলাম না এবং কোনো শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের বোর্ডে অংশগ্রহণ করিনি। সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কাউকে মামলা দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।
পরীক্ষার দায়িত্ব সম্পর্কে ‘বি’ ইউনিটের সমন্বয়কারী মো. ইকবাল শাহীন খান জানান, কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত চলাকালীনও তিনি পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। যতক্ষণ পর্যন্ত সিন্ডিকেটের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত আসে না, ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে কেন্দ্রের দায়িত্বে রাখা হয়।
এই ঘটনায় চবির প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, হট্টগোলের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। এই মুহূর্তে শিক্ষক ও তার মুঠোফোনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় খতিয়ে দেখছি। বিস্তারিত পরে গণমাধ্যমে জানানো হবে।
ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তার বেতনও বন্ধ রয়েছে। কীভাবে পরীক্ষার দায়িত্ব পান, তা স্পষ্ট নয়।

চাকসু নেতাদের বিরুদ্ধে শিক্ষককে হেনস্তার অভিযোগ
সিটিজেন-ডেস্ক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা এক আইন বিভাগের শিক্ষকের সঙ্গে শারীরিক হেনস্তার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১০ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে আইন অনুষদের সামনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) চার নেতার শিক্ষককে টেনে নিয়ে প্রক্টর কার্যালয়ে পৌঁছে দেন, এমনটি প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন। এ সময় তার মুঠোফোনেও তল্লাশি চালানো হয়।
হেনস্তার শিকার শিক্ষক হলেন আইন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাসান মোহাম্মদ। তিনি আওয়ামী লীগের পাশাপাশি বামপন্থী শিক্ষকদের একটি রাজনৈতিক সংগঠন ‘হলুদ দল’-এর একাংশের সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী প্রক্টরও।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। ১ মিনিট ৭ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন ছাত্র হাসান মোহাম্মদকে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন। এক শিক্ষার্থী পেছন থেকে তাকে চাপা দিয়ে ধরে রাখেন। ভিডিওতে চাকসুর দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান, পাঠাগার ও ক্যাফেটেরিয়া সম্পাদক মাসুম বিল্লাহ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক ফজলে রাব্বি এবং নির্বাহী সদস্য সোহানুর রহমানকে দেখা গেছে। এ সময় শিক্ষক চিৎকার করছিলেন। পরে তাকে একটি অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রক্টর অফিসে হাসান মোহাম্মদ ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে কর্মচারী ও অন্যান্য শিক্ষক জানিয়েছেন, পরিস্থিতি শান্ত নয়। তাই আমি কেন্দ্র থেকে বের হই। এ সময় চাকসু নেতারা চিৎকার শুরু করলে ভয়ে দৌড় দেই, কিন্তু তারপরও আমাকে ছাড়া হয়নি এবং আমার বিরুদ্ধে মব তৈরি করা হয়।
অভিযোগ অস্বীকার করে ফজলে রাব্বি বলেন, সহকারী প্রক্টর হিসেবে তার দায়িত্ব পালনকালে তিনি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময়ও তার সরাসরি অংশগ্রহণের অভিযোগ ছিল। এ নিয়ে প্রশাসন তদন্ত করছিল। আমরা আইন অনুষদের ডিনের সঙ্গে কথা বলার জন্য গিয়েছিলাম। তখন শিক্ষক পালানোর চেষ্টা করেন, গাছের গুঁড়িতে আঘাত পান।

চাকসুর দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, তাকে কোনোভাবে আঘাত করা হয়নি। আমরা আইন অনুষদ পরিদর্শনকালে তার উপস্থিতি জানতে পেয়ে সেখানে যাই। তিনি গ্যালারির পেছনের দিকে দৌড়ানোর সময় ব্যথা পান।
জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়ার চেষ্টা অভিযোগ অস্বীকার করে হাসান মোহাম্মদ রোমান বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় আমি একদিনও বাইরে যাইনি। কোনো দায়িত্বে ছিলাম না এবং কোনো শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের বোর্ডে অংশগ্রহণ করিনি। সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কাউকে মামলা দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি।
পরীক্ষার দায়িত্ব সম্পর্কে ‘বি’ ইউনিটের সমন্বয়কারী মো. ইকবাল শাহীন খান জানান, কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে তদন্ত চলাকালীনও তিনি পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে পারেন। যতক্ষণ পর্যন্ত সিন্ডিকেটের বরখাস্তের সিদ্ধান্ত আসে না, ততক্ষণ পর্যন্ত তাকে কেন্দ্রের দায়িত্বে রাখা হয়।
এই ঘটনায় চবির প্রক্টর অধ্যাপক হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী বলেন, হট্টগোলের খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছি। এই মুহূর্তে শিক্ষক ও তার মুঠোফোনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় খতিয়ে দেখছি। বিস্তারিত পরে গণমাধ্যমে জানানো হবে।
ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, শিক্ষকের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আছে। তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং প্রতিবেদনের ভিত্তিতে তার বেতনও বন্ধ রয়েছে। কীভাবে পরীক্ষার দায়িত্ব পান, তা স্পষ্ট নয়।




