চবিতে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি

চবিতে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি
সিটিজেন-ডেস্ক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। এ সময় উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগসহ চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।
কর্মসূচিতে অংশ নেন চবি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয়সহ অন্য নেতা-কর্মীরা।
এ সময় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক নিয়োগ কার্যক্রম মেধার চরম অবমূল্যায়ন, স্বজনপ্রীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ও শিক্ষাব্যবস্থার ওপর গুরুতর আঘাত।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের মেয়ে কীভাবে নিয়োগ পায়? এই প্রশাসন নিয়োগ নিয়েই ব্যস্ত। এসব অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’
এ সময় চার দফা দাবি তুলে ধরেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা। দাবিগুলো হলো– নিয়োগে স্পষ্ট স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের অবিলম্বে পদত্যাগ; উপ-উপাচার্যের কন্যাসহ সব বিতর্কিত ও অবৈধ নিয়োগ বাতিল; ইউজিসির নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এবং বিভাগীয় আপত্তি ও পরিকল্পনা কমিটির সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে দেওয়া সব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করে স্বচ্ছ ও ন্যায্য নিয়োগপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। এ সময় উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগসহ চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।
কর্মসূচিতে অংশ নেন চবি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয়সহ অন্য নেতা-কর্মীরা।
এ সময় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক নিয়োগ কার্যক্রম মেধার চরম অবমূল্যায়ন, স্বজনপ্রীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ও শিক্ষাব্যবস্থার ওপর গুরুতর আঘাত।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের মেয়ে কীভাবে নিয়োগ পায়? এই প্রশাসন নিয়োগ নিয়েই ব্যস্ত। এসব অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’
এ সময় চার দফা দাবি তুলে ধরেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা। দাবিগুলো হলো– নিয়োগে স্পষ্ট স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের অবিলম্বে পদত্যাগ; উপ-উপাচার্যের কন্যাসহ সব বিতর্কিত ও অবৈধ নিয়োগ বাতিল; ইউজিসির নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এবং বিভাগীয় আপত্তি ও পরিকল্পনা কমিটির সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে দেওয়া সব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করে স্বচ্ছ ও ন্যায্য নিয়োগপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।

চবিতে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ছাত্রদলের অবস্থান কর্মসূচি
সিটিজেন-ডেস্ক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) নিয়োগপ্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তুলে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। এ সময় উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগসহ চার দফা দাবি উত্থাপন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এ অবস্থান কর্মসূচি পালন করে সংগঠনটি।
কর্মসূচিতে অংশ নেন চবি শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইয়াসিন, সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয়সহ অন্য নেতা-কর্মীরা।
এ সময় শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক নিয়োগ কার্যক্রম মেধার চরম অবমূল্যায়ন, স্বজনপ্রীতি ও প্রশাসনিক অনিয়মের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা ও শিক্ষাব্যবস্থার ওপর গুরুতর আঘাত।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের মেয়ে কীভাবে নিয়োগ পায়? এই প্রশাসন নিয়োগ নিয়েই ব্যস্ত। এসব অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে কঠোর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।’
এ সময় চার দফা দাবি তুলে ধরেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা। দাবিগুলো হলো– নিয়োগে স্পষ্ট স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের অবিলম্বে পদত্যাগ; উপ-উপাচার্যের কন্যাসহ সব বিতর্কিত ও অবৈধ নিয়োগ বাতিল; ইউজিসির নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান এবং বিভাগীয় আপত্তি ও পরিকল্পনা কমিটির সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে দেওয়া সব নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করে স্বচ্ছ ও ন্যায্য নিয়োগপ্রক্রিয়া নিশ্চিত করা।




