চাঁদার দাবিতে চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি

চাঁদার দাবিতে চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি
সিটিজেন-ডেস্ক

চট্টগ্রামে শীর্ষ এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছে। শুক্রবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে চকবাজার থানার চন্দনপুরা এলাকায় মুজিবুর রহমানের বাড়িতে মুখোশধারীরা এ ঘটনা ঘটায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ওই সময় ব্যবসায়ী মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়িতেই ছিলেন। তবে গুলির ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার হোসাইন কবির ভূঁইয়া গণমাধ্যমে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, 'চাঁদার জন্য ভয় দেখাতেই বাড়ির সামনে ও পেছনে গুলি করা হয়েছে। একটি মাইক্রোবাসে ৮ জন মুখোশধারী এসেছিল। এরপর পিস্তল উঁচিয়ে কয়েক রাউন্ড ফায়ার করে তারা চলে যায়।'
পুলিশ জানায়, চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী বাহিনীর অনুসারীরা বাড়ি লক্ষ্য করে একাধিক রাউন্ড গুলি করেছে।
এই ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ব্যবসায়ী মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের আগে চট্টগ্রাম-১৬ আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন।
স্মার্ট গ্রুপের স্বত্বাধিকারী মুজিবুর রহমান বলেন, 'বড় সাজ্জাদের পরিচয় দিয়ে একটি বিদেশি নম্বর থেকে মাস দেড়েক আগে ফোন করে আমাকে যোগাযোগ করতে বলা হয়। আমি বিষয়টি তেমন আমলে নেইনি। দুইবার ফোন করা হয়েছিল। আজকের ঘটনার সময় আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। আমার বাড়ির সামনে এসেছিল অজ্ঞাতরা।'
পুলিশ জানায়, চাঁদা না পেলেই গুলি করেন সাজ্জাদের অনুসারীরা। নগরের চান্দগাঁও, বায়েজিদ বোস্তামী ও পাঁচলাইশ এবং জেলার হাটহাজারী, রাউজানসহ পাঁচ থানার ৫ লাখের বেশি মানুষকে সাজ্জাদের বাহিনীর কারণে আতঙ্কে থাকতে হয়।
গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে এ জেলায় জোড়া খুনসহ ১০টি খুনে সাজ্জাদের অনুসারীদের নাম উঠে এসেছে।
চালিতাতলী এলাকার ঠিকাদার আবদুল গণির ছেলে সাজ্জাদ আলী খান মূলত অপরাধজগতে পরিচিত হন ১৯৯৯ সালে কাউন্সিলর লিয়াকত আলী খান খুনের পর। সাক্ষীর অভাবে ওই মামলায় খালাস হলেও নগরের অপরাধজগতে তাকে নিয়ে শুরু হয় নতুন এক অধ্যায়।
২০০০ সালের ১২ জুলাই বহদ্দারহাটে ছাত্রলীগের ৬ নেতা–কর্মীসহ ৮ জনকে ব্রাশফায়ারের মাধ্যমে হত্যা করা হয়। পুলিশ ও বিভিন্ন সংস্থার দাবি 'এইট মার্ডার' নামে পরিচিত সেই হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাজ্জাদ। একই বছরের অক্টোবরে একে–৪৭ রাইফেলসহ গ্রেপ্তার হন তিনি। পরে জামিনে বেরিয়ে ২০০৪ সালে দেশ ছাড়েন।

চট্টগ্রামে শীর্ষ এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছে। শুক্রবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে চকবাজার থানার চন্দনপুরা এলাকায় মুজিবুর রহমানের বাড়িতে মুখোশধারীরা এ ঘটনা ঘটায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ওই সময় ব্যবসায়ী মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়িতেই ছিলেন। তবে গুলির ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার হোসাইন কবির ভূঁইয়া গণমাধ্যমে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, 'চাঁদার জন্য ভয় দেখাতেই বাড়ির সামনে ও পেছনে গুলি করা হয়েছে। একটি মাইক্রোবাসে ৮ জন মুখোশধারী এসেছিল। এরপর পিস্তল উঁচিয়ে কয়েক রাউন্ড ফায়ার করে তারা চলে যায়।'
পুলিশ জানায়, চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী বাহিনীর অনুসারীরা বাড়ি লক্ষ্য করে একাধিক রাউন্ড গুলি করেছে।
এই ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ব্যবসায়ী মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের আগে চট্টগ্রাম-১৬ আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন।
স্মার্ট গ্রুপের স্বত্বাধিকারী মুজিবুর রহমান বলেন, 'বড় সাজ্জাদের পরিচয় দিয়ে একটি বিদেশি নম্বর থেকে মাস দেড়েক আগে ফোন করে আমাকে যোগাযোগ করতে বলা হয়। আমি বিষয়টি তেমন আমলে নেইনি। দুইবার ফোন করা হয়েছিল। আজকের ঘটনার সময় আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। আমার বাড়ির সামনে এসেছিল অজ্ঞাতরা।'
পুলিশ জানায়, চাঁদা না পেলেই গুলি করেন সাজ্জাদের অনুসারীরা। নগরের চান্দগাঁও, বায়েজিদ বোস্তামী ও পাঁচলাইশ এবং জেলার হাটহাজারী, রাউজানসহ পাঁচ থানার ৫ লাখের বেশি মানুষকে সাজ্জাদের বাহিনীর কারণে আতঙ্কে থাকতে হয়।
গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে এ জেলায় জোড়া খুনসহ ১০টি খুনে সাজ্জাদের অনুসারীদের নাম উঠে এসেছে।
চালিতাতলী এলাকার ঠিকাদার আবদুল গণির ছেলে সাজ্জাদ আলী খান মূলত অপরাধজগতে পরিচিত হন ১৯৯৯ সালে কাউন্সিলর লিয়াকত আলী খান খুনের পর। সাক্ষীর অভাবে ওই মামলায় খালাস হলেও নগরের অপরাধজগতে তাকে নিয়ে শুরু হয় নতুন এক অধ্যায়।
২০০০ সালের ১২ জুলাই বহদ্দারহাটে ছাত্রলীগের ৬ নেতা–কর্মীসহ ৮ জনকে ব্রাশফায়ারের মাধ্যমে হত্যা করা হয়। পুলিশ ও বিভিন্ন সংস্থার দাবি 'এইট মার্ডার' নামে পরিচিত সেই হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাজ্জাদ। একই বছরের অক্টোবরে একে–৪৭ রাইফেলসহ গ্রেপ্তার হন তিনি। পরে জামিনে বেরিয়ে ২০০৪ সালে দেশ ছাড়েন।

চাঁদার দাবিতে চট্টগ্রামে ব্যবসায়ীর বাড়িতে গুলি
সিটিজেন-ডেস্ক

চট্টগ্রামে শীর্ষ এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছে। শুক্রবার ভোর সাড়ে ৬টার দিকে চকবাজার থানার চন্দনপুরা এলাকায় মুজিবুর রহমানের বাড়িতে মুখোশধারীরা এ ঘটনা ঘটায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ওই সময় ব্যবসায়ী মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের সদস্যরা বাড়িতেই ছিলেন। তবে গুলির ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ দক্ষিণ বিভাগের উপকমিশনার হোসাইন কবির ভূঁইয়া গণমাধ্যমে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, 'চাঁদার জন্য ভয় দেখাতেই বাড়ির সামনে ও পেছনে গুলি করা হয়েছে। একটি মাইক্রোবাসে ৮ জন মুখোশধারী এসেছিল। এরপর পিস্তল উঁচিয়ে কয়েক রাউন্ড ফায়ার করে তারা চলে যায়।'
পুলিশ জানায়, চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী বাহিনীর অনুসারীরা বাড়ি লক্ষ্য করে একাধিক রাউন্ড গুলি করেছে।
এই ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ব্যবসায়ী মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। তিনি গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের আগে চট্টগ্রাম-১৬ আসনে সংসদ সদস্য ছিলেন।
স্মার্ট গ্রুপের স্বত্বাধিকারী মুজিবুর রহমান বলেন, 'বড় সাজ্জাদের পরিচয় দিয়ে একটি বিদেশি নম্বর থেকে মাস দেড়েক আগে ফোন করে আমাকে যোগাযোগ করতে বলা হয়। আমি বিষয়টি তেমন আমলে নেইনি। দুইবার ফোন করা হয়েছিল। আজকের ঘটনার সময় আমি ঘুমিয়ে ছিলাম। আমার বাড়ির সামনে এসেছিল অজ্ঞাতরা।'
পুলিশ জানায়, চাঁদা না পেলেই গুলি করেন সাজ্জাদের অনুসারীরা। নগরের চান্দগাঁও, বায়েজিদ বোস্তামী ও পাঁচলাইশ এবং জেলার হাটহাজারী, রাউজানসহ পাঁচ থানার ৫ লাখের বেশি মানুষকে সাজ্জাদের বাহিনীর কারণে আতঙ্কে থাকতে হয়।
গত বছরের ৫ আগস্টের পর থেকে এ জেলায় জোড়া খুনসহ ১০টি খুনে সাজ্জাদের অনুসারীদের নাম উঠে এসেছে।
চালিতাতলী এলাকার ঠিকাদার আবদুল গণির ছেলে সাজ্জাদ আলী খান মূলত অপরাধজগতে পরিচিত হন ১৯৯৯ সালে কাউন্সিলর লিয়াকত আলী খান খুনের পর। সাক্ষীর অভাবে ওই মামলায় খালাস হলেও নগরের অপরাধজগতে তাকে নিয়ে শুরু হয় নতুন এক অধ্যায়।
২০০০ সালের ১২ জুলাই বহদ্দারহাটে ছাত্রলীগের ৬ নেতা–কর্মীসহ ৮ জনকে ব্রাশফায়ারের মাধ্যমে হত্যা করা হয়। পুলিশ ও বিভিন্ন সংস্থার দাবি 'এইট মার্ডার' নামে পরিচিত সেই হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দিয়েছেন সাজ্জাদ। একই বছরের অক্টোবরে একে–৪৭ রাইফেলসহ গ্রেপ্তার হন তিনি। পরে জামিনে বেরিয়ে ২০০৪ সালে দেশ ছাড়েন।




