শিরোনাম

স্পিরিট পানে ৩ দিনে ৬ জনের মৃত্যু

সিটিজেন-ডেস্ক­
স্পিরিট পানে ৩ দিনে ৬ জনের মৃত্যু
রেকটিফায়েড স্পিরিট পানে মৃত্যুর ঘটনায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। ছবি: সংবাদদাতা

রংপুরে রেকটিফায়েড স্পিরিট পানে ৩ দিনে ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া গুরুতর অসুস্থ বেশ কয়েকজন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন– রংপুর সদর উপজেলার শ্যামপুর বন্দর কলেজ পাড়ার মৃত মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে রাশেদুল ইসলাম ও সাহাপুর গ্রামের জান্নাত আলি, বদরগঞ্জ উপজেলা গোপালপুর ইউনিয়নের পূর্ব শিবপুর গ্রামের মহির উদ্দিনের পুত্র আব্দুল মালেক, মৃত রফিকুল ইসলামের ছেলে সোহেল মিয়া ও একই ইউনিয়নের বসন্তপুর গ্রামের আমিরুল ইসলামের ছেলে আলমগীর হোসেন।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) মধ্যরাতে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে রবিবার মধ্যরাতে বদরগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুরহাট এলাকায় এক মাদক কারবারি জয়নুল আবেদীনের বাড়িতে কয়েকজন মদ পান করেন। এতে বেশ কয়েকজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। এ ঘটনায় জয়নুল আবেদীনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, জয়নুল আবেদীন চোলাই মদ ও স্পিরিট বিক্রি করেন। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা রবিবার রাতে তার বাড়ি থেকে মদ কিনে পান করেন। পরে বাসায় ফিরে অসুস্থ হয়ে হয়ে পড়েন।

সোমবার সন্ধ্যায় নগরীর হাজিরহাট থানার বালারবাজারে স্পিরিট পান করে আরও একজন প্রাণ হারিয়েছেন। নিহত মানিক চন্দ্র রায় (৬০) কোতোয়ালি থানার শিবের বাজার পশ্চিম হিন্দুপাড়ার মৃত অনিল চন্দ্র রায়ের ছেলে।

হাজিরহাট থানার ওসি আজাদ রহমান বলেন, মঙ্গলবার দুপুরে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মানিক মারা যান।

জানা গেছে, এসব ঘটনায় বদরগঞ্জ ও হাজিরহাট থানায় আলাদা দুটি মামলা হয়েছে ।

রংপুর জেলা পুলিশ সুপার মারুফাত হোসাইন বলেন, স্থানীয় এক শ্রেণির হোমিওপ্যাথিক চেম্বার থেকে স্পিরিট সংগ্রহ করেন মাদক ব্যবসায়ীরা। নগরীর একটি হোমিও চেম্বারে অভিযানও চালিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ ও মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। আমরা বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি। এ নিয়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

/এসআর/