বৃক্ষরোপণ সামাজিক নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত: প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

বৃক্ষরোপণ সামাজিক নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত: প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
সিটিজেন-ডেস্ক

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশগত উদ্যোগ নয়; এটি গ্রামীণ সমাজের গভীর সামাজিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে জড়িত। গবেষণায় দেখা যায়, অনেক নারী সামাজিক নিরাপত্তার কথা ভেবেই গাছ লাগান।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘১ টাকায় বৃক্ষরোপণ’-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ান আর্থ ফেস্টিভ্যাল’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শুধু বৃক্ষ লাগিয়েই মানুষ আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি অর্জন করেছেন। কেনিয়ার নোবেল বিজয়ী পরিবেশকর্মী ওয়াঙ্গারি মাথাইয়ের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষার প্রতিশ্রুতি জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বহন করা সম্ভব। মাথাই বায়োডিগ্রেডেবল উপকরণ–কচুরিপানা দিয়ে তৈরি কফিনে সমাহিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে গেছেন, যা পরিবেশ সচেতনতার অনন্য দৃষ্টান্ত।
হাওড় অঞ্চলের প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, করচ ও হিজলের মতো দেশীয় জলজ বৃক্ষ নির্বিচারে কেটে ফেলার ফলে হাওড়ের স্বাভাবিক চরিত্র ও মাছের আবাস ধ্বংস হচ্ছে। কৃষি রক্ষার নামে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ পানি প্রবাহ ব্যাহত করছে, যা মাছের জন্য ক্ষতিকর।
টাঙ্গুয়ার হাওড়সহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় দায়িত্বহীন পর্যটনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, পর্যটকদের ফেলা প্লাস্টিক, সিগারেট ও অন্যান্য আবর্জনা মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হচ্ছে। এ ধরনের আচরণ একটি অপরাধ।
শিল্পদূষণ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, নারায়ণগঞ্জসহ শিল্পাঞ্চলের অনেক কারখানায় ইটিপি কার্যকরভাবে ব্যবহার না করায় শীতলক্ষ্যা নদী দূষিত হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে পুরো মেঘনা অববাহিকার ওপর। ফলে ইলিশসহ গুরুত্বপূর্ণ মাছের প্রজনন হুমকির মুখে পড়ছে।
ভেনামি চিংড়ি প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, এটি একটি বিদেশি ও ইনভেসিভ প্রজাতি, যা দেশীয় গলদা ও বাগদা চিংড়ির জন্য হুমকি। বাণিজ্যিক চাপ থাকলেও দেশীয় প্রজাতির ক্ষতি হয়– এমন কোনো অনুমোদন দেওয়া হবে না।
ফেস্টিভ্যালে স্বাগত বক্তব্য দেন পরিবেশবাদী সংগঠন ‘এক টাকায় বৃক্ষরোপণ’-এর প্রেসিডেন্ট শেখ আবদুল্লাহ ইয়াসিন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট আজিম পাটোয়ারী। প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নূর মোহাম্মাদ আজামী, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের কো-অর্ডিনেটর শরীফ জামিল প্রমুখ।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশগত উদ্যোগ নয়; এটি গ্রামীণ সমাজের গভীর সামাজিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে জড়িত। গবেষণায় দেখা যায়, অনেক নারী সামাজিক নিরাপত্তার কথা ভেবেই গাছ লাগান।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘১ টাকায় বৃক্ষরোপণ’-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ান আর্থ ফেস্টিভ্যাল’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শুধু বৃক্ষ লাগিয়েই মানুষ আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি অর্জন করেছেন। কেনিয়ার নোবেল বিজয়ী পরিবেশকর্মী ওয়াঙ্গারি মাথাইয়ের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষার প্রতিশ্রুতি জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বহন করা সম্ভব। মাথাই বায়োডিগ্রেডেবল উপকরণ–কচুরিপানা দিয়ে তৈরি কফিনে সমাহিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে গেছেন, যা পরিবেশ সচেতনতার অনন্য দৃষ্টান্ত।
হাওড় অঞ্চলের প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, করচ ও হিজলের মতো দেশীয় জলজ বৃক্ষ নির্বিচারে কেটে ফেলার ফলে হাওড়ের স্বাভাবিক চরিত্র ও মাছের আবাস ধ্বংস হচ্ছে। কৃষি রক্ষার নামে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ পানি প্রবাহ ব্যাহত করছে, যা মাছের জন্য ক্ষতিকর।
টাঙ্গুয়ার হাওড়সহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় দায়িত্বহীন পর্যটনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, পর্যটকদের ফেলা প্লাস্টিক, সিগারেট ও অন্যান্য আবর্জনা মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হচ্ছে। এ ধরনের আচরণ একটি অপরাধ।
শিল্পদূষণ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, নারায়ণগঞ্জসহ শিল্পাঞ্চলের অনেক কারখানায় ইটিপি কার্যকরভাবে ব্যবহার না করায় শীতলক্ষ্যা নদী দূষিত হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে পুরো মেঘনা অববাহিকার ওপর। ফলে ইলিশসহ গুরুত্বপূর্ণ মাছের প্রজনন হুমকির মুখে পড়ছে।
ভেনামি চিংড়ি প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, এটি একটি বিদেশি ও ইনভেসিভ প্রজাতি, যা দেশীয় গলদা ও বাগদা চিংড়ির জন্য হুমকি। বাণিজ্যিক চাপ থাকলেও দেশীয় প্রজাতির ক্ষতি হয়– এমন কোনো অনুমোদন দেওয়া হবে না।
ফেস্টিভ্যালে স্বাগত বক্তব্য দেন পরিবেশবাদী সংগঠন ‘এক টাকায় বৃক্ষরোপণ’-এর প্রেসিডেন্ট শেখ আবদুল্লাহ ইয়াসিন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট আজিম পাটোয়ারী। প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নূর মোহাম্মাদ আজামী, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের কো-অর্ডিনেটর শরীফ জামিল প্রমুখ।

বৃক্ষরোপণ সামাজিক নিরাপত্তার সঙ্গে জড়িত: প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা
সিটিজেন-ডেস্ক

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, বৃক্ষরোপণ শুধু পরিবেশগত উদ্যোগ নয়; এটি গ্রামীণ সমাজের গভীর সামাজিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে জড়িত। গবেষণায় দেখা যায়, অনেক নারী সামাজিক নিরাপত্তার কথা ভেবেই গাছ লাগান।
শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশবাদী সংগঠন ‘১ টাকায় বৃক্ষরোপণ’-এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘ওয়ান আর্থ ফেস্টিভ্যাল’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে শুধু বৃক্ষ লাগিয়েই মানুষ আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি অর্জন করেছেন। কেনিয়ার নোবেল বিজয়ী পরিবেশকর্মী ওয়াঙ্গারি মাথাইয়ের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষার প্রতিশ্রুতি জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বহন করা সম্ভব। মাথাই বায়োডিগ্রেডেবল উপকরণ–কচুরিপানা দিয়ে তৈরি কফিনে সমাহিত হওয়ার নির্দেশ দিয়ে গেছেন, যা পরিবেশ সচেতনতার অনন্য দৃষ্টান্ত।
হাওড় অঞ্চলের প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, করচ ও হিজলের মতো দেশীয় জলজ বৃক্ষ নির্বিচারে কেটে ফেলার ফলে হাওড়ের স্বাভাবিক চরিত্র ও মাছের আবাস ধ্বংস হচ্ছে। কৃষি রক্ষার নামে অপরিকল্পিত বাঁধ নির্মাণ পানি প্রবাহ ব্যাহত করছে, যা মাছের জন্য ক্ষতিকর।
টাঙ্গুয়ার হাওড়সহ বিভিন্ন পর্যটন এলাকায় দায়িত্বহীন পর্যটনের সমালোচনা করে তিনি বলেন, পর্যটকদের ফেলা প্লাস্টিক, সিগারেট ও অন্যান্য আবর্জনা মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্যের জন্য ভয়াবহ ক্ষতির কারণ হচ্ছে। এ ধরনের আচরণ একটি অপরাধ।
শিল্পদূষণ প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, নারায়ণগঞ্জসহ শিল্পাঞ্চলের অনেক কারখানায় ইটিপি কার্যকরভাবে ব্যবহার না করায় শীতলক্ষ্যা নদী দূষিত হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে পুরো মেঘনা অববাহিকার ওপর। ফলে ইলিশসহ গুরুত্বপূর্ণ মাছের প্রজনন হুমকির মুখে পড়ছে।
ভেনামি চিংড়ি প্রসঙ্গে উপদেষ্টা বলেন, এটি একটি বিদেশি ও ইনভেসিভ প্রজাতি, যা দেশীয় গলদা ও বাগদা চিংড়ির জন্য হুমকি। বাণিজ্যিক চাপ থাকলেও দেশীয় প্রজাতির ক্ষতি হয়– এমন কোনো অনুমোদন দেওয়া হবে না।
ফেস্টিভ্যালে স্বাগত বক্তব্য দেন পরিবেশবাদী সংগঠন ‘এক টাকায় বৃক্ষরোপণ’-এর প্রেসিডেন্ট শেখ আবদুল্লাহ ইয়াসিন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট আজিম পাটোয়ারী। প্যানেল আলোচনায় বক্তব্য দেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার নূর মোহাম্মাদ আজামী, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির রেজিস্ট্রার ড. ডেভিড ডাউল্যান্ড, ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের কো-অর্ডিনেটর শরীফ জামিল প্রমুখ।




