২ মাসে দেশে আসবে ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন এলপিজি

২ মাসে দেশে আসবে ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন এলপিজি
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রেল ভবনের সভাকক্ষে এলপিজির বর্তমান বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে এবং মাহে রমজানে যেন এলপিজির কোনো ঘাটতি না থাকে সে লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা প্রদান করেন উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, 'জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি মাসে অপারেটরগণ এলপিজি আমদানির যে কমিটমেন্ট করেছেন তা যেন বাস্তবে প্রতিফলিত হয়। সে লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে সরকারের পক্ষ থেকেও সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।'
অপারেটরদের পক্ষ থেকে জানানো হয় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিরূপ পরিস্থিতির কারণে এলপিজি আমদানি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবে অপারেটরদের মধ্যে কেউ অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধি করছেন এরকম কোনো অভিযোগ তারা অস্বীকার করেন। তারা উপদেষ্টাকে জানান জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মিলিয়ে মোট সম্ভাব্য আমদানির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭০০ টন। কোম্পানিগুলোর তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে মোট এলপিজি আমদানির সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ টন। ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে দাঁড়াতে পারে এক লাখ ৮৪ হাজার ১০০ টনে।
সভায় জ্বালানি বিভাগের সচিব, বিইআরসি’র চেয়ারম্যানসহ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রেল ভবনের সভাকক্ষে এলপিজির বর্তমান বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে এবং মাহে রমজানে যেন এলপিজির কোনো ঘাটতি না থাকে সে লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা প্রদান করেন উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, 'জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি মাসে অপারেটরগণ এলপিজি আমদানির যে কমিটমেন্ট করেছেন তা যেন বাস্তবে প্রতিফলিত হয়। সে লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে সরকারের পক্ষ থেকেও সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।'
অপারেটরদের পক্ষ থেকে জানানো হয় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিরূপ পরিস্থিতির কারণে এলপিজি আমদানি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবে অপারেটরদের মধ্যে কেউ অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধি করছেন এরকম কোনো অভিযোগ তারা অস্বীকার করেন। তারা উপদেষ্টাকে জানান জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মিলিয়ে মোট সম্ভাব্য আমদানির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭০০ টন। কোম্পানিগুলোর তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে মোট এলপিজি আমদানির সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ টন। ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে দাঁড়াতে পারে এক লাখ ৮৪ হাজার ১০০ টনে।
সভায় জ্বালানি বিভাগের সচিব, বিইআরসি’র চেয়ারম্যানসহ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

২ মাসে দেশে আসবে ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন এলপিজি
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খানের সভাপতিত্বে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রেল ভবনের সভাকক্ষে এলপিজির বর্তমান বাজার পরিস্থিতি পর্যালোচনা ও করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জাতীয় নির্বাচনের পূর্বে এবং মাহে রমজানে যেন এলপিজির কোনো ঘাটতি না থাকে সে লক্ষ্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানোর জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা প্রদান করেন উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, 'জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি মাসে অপারেটরগণ এলপিজি আমদানির যে কমিটমেন্ট করেছেন তা যেন বাস্তবে প্রতিফলিত হয়। সে লক্ষ্য বাস্তবায়ন করতে সরকারের পক্ষ থেকেও সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।'
অপারেটরদের পক্ষ থেকে জানানো হয় বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিরূপ পরিস্থিতির কারণে এলপিজি আমদানি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। তবে অপারেটরদের মধ্যে কেউ অতিরিক্ত মূল্য বৃদ্ধি করছেন এরকম কোনো অভিযোগ তারা অস্বীকার করেন। তারা উপদেষ্টাকে জানান জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মিলিয়ে মোট সম্ভাব্য আমদানির লক্ষ্য ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭০০ টন। কোম্পানিগুলোর তথ্য অনুযায়ী, জানুয়ারি মাসে মোট এলপিজি আমদানির সম্ভাব্য লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক লাখ ৬৭ হাজার ৬০০ টন। ফেব্রুয়ারিতে তা বেড়ে দাঁড়াতে পারে এক লাখ ৮৪ হাজার ১০০ টনে।
সভায় জ্বালানি বিভাগের সচিব, বিইআরসি’র চেয়ারম্যানসহ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।




