শিরোনাম

‘বাঁশের সাঁকো দিয়ে স্কুলে যাই, বুক ছটফট করে’

গাইবান্ধা-সংবাদদাতা
‘বাঁশের সাঁকো দিয়ে স্কুলে যাই, বুক ছটফট করে’
বাঁশের সাকো দিয়ে নদী পার হচ্ছেন একলোক। ছবি: সংবাদদাতা

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার ছয় গ্রামের মানুষের একমাত্র ভরসা ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো। এই সাঁকো দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ পারাপার হয়।

স্কুলশিক্ষার্থী আশিক বাবু বলেন, এই বাঁশের সাকো দিয়ে হেঁটে যখন স্কুলে যাই, বুক খালি ছটফট করে, কখন যে পড়ে যাই তার কোনো ঠিক নাই। দ্রুত সময়ে মধ্যে ব্রিজ নির্মাণের দাবি জানাই।

জানা যায়, পলাশবাড়ী উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নে অবস্থিত মচ্চ নদীর অলিরঘাট। এই ঘাট দিয়ে যাতায়াত করেন গনকপাড়া, জাফর, মুংলিশপুর, পালপাড়া, শীলপাড়া ও জাইতর গ্রামের মানুষ। নদীর পানি কমে গেলে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্যোগে বাঁশের সাঁকো তৈরি করা হয়। পানি বেড়ে গেলে পারাপারের জন্য নৌকার ব্যবস্থাও থাকে না। তখন সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরো বেড়ে যায়।

স্থানীয়রা জানান, জনপ্রতিনিধিদের প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরও সেতু নির্মাণ হয়নি। অলিরঘাট থেকে দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাটের দূরত্ব ২ কিলোমিটার। বর্ষা মৌসুমে পথচারীদের ঘুরে যেতে হয় অন্তত ৮ কিলোমিটার পথ।

কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দা ইয়াকুব আলীর সঙ্গে। তিনি বলেন, আশপাশের গ্রামের মানুষও এই ঘাট দিয়ে নদী পার হয়। বর্ষা মৌসুমে পারাপারের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় সমস্যা পোহাতে হয়। এখানে একটি সেতু দরকার।

পলাশবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শেখ জাবের আহমেদ সিটিজেন জার্নালকে বলেন, বাঁশের সাঁকো দিয়ে নদী পারাপারের বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা অতি দ্রুত কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করবো।

/এসআর/