বাতিলের দুই দিন পর বৈধ ঘোষণা জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র

বাতিলের দুই দিন পর বৈধ ঘোষণা জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র
গাইবান্ধা-সংবাদদাতা

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলেও দুইদিন পর পুনর্বিবেচনায় বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা।
এর আগে, শুক্রবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মাজেদুর রহমানের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকার কারণে মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে একটি এমপিওভুক্ত কলেজে শিক্ষকতা করছেন। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবে না, এজন্য প্রাথমিকভাবে তার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষকতা পেশায় সম্পৃক্ত থাকা সত্ত্বেও কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। এ প্রেক্ষাপটে আলোচনা ও আইনগত দিক বিবেচনায় পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য পর্যালোচনা শেষে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা দেন।
মনোনয়ন বৈধতা পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় মো. মাজেদুর রহমান বলেন, 'বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ন্যায় ও ইনসাফে বিশ্বাসী। আমরা সবসময় সৎ ও সত্যের পথে অটল থাকি। বিশ্বাস করি, শেষ পর্যন্ত সত্যেরই বিজয় হয়। আজকের সিদ্ধান্ত তারই প্রমাণ। সকল বাধা, অবহেলা ও ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ বিজয় শুধু আমার নয়, এটি ন্যায় ও সত্যের পক্ষের বিজয়, যা জনগণ ও দেশের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ।'
গাইবান্ধা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, মাজেদুর রহমানের মনোনয়ন প্রথমে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকার কারণে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে পুনরায় যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পর্যালোচনার পর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গাইবান্ধা-১ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন- জামায়াতে ইসলামী মনোনীত অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, বিএনপির মনোনীত অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী, জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, আমজনতার দলের মো. কওছর আজম হান্নু, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) পরমানন্দ দাস এবং এলডিপির মো. শরিফুল ইসলাম।
অপরদিকে চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন- জাতীয় পার্টির মো. মাহফুজুল হক সরদার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রমজান আলী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা মহসিন সরদার ও মোছা: ছালমা আক্তার।

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলেও দুইদিন পর পুনর্বিবেচনায় বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা।
এর আগে, শুক্রবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মাজেদুর রহমানের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকার কারণে মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে একটি এমপিওভুক্ত কলেজে শিক্ষকতা করছেন। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবে না, এজন্য প্রাথমিকভাবে তার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষকতা পেশায় সম্পৃক্ত থাকা সত্ত্বেও কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। এ প্রেক্ষাপটে আলোচনা ও আইনগত দিক বিবেচনায় পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য পর্যালোচনা শেষে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা দেন।
মনোনয়ন বৈধতা পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় মো. মাজেদুর রহমান বলেন, 'বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ন্যায় ও ইনসাফে বিশ্বাসী। আমরা সবসময় সৎ ও সত্যের পথে অটল থাকি। বিশ্বাস করি, শেষ পর্যন্ত সত্যেরই বিজয় হয়। আজকের সিদ্ধান্ত তারই প্রমাণ। সকল বাধা, অবহেলা ও ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ বিজয় শুধু আমার নয়, এটি ন্যায় ও সত্যের পক্ষের বিজয়, যা জনগণ ও দেশের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ।'
গাইবান্ধা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, মাজেদুর রহমানের মনোনয়ন প্রথমে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকার কারণে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে পুনরায় যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পর্যালোচনার পর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গাইবান্ধা-১ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন- জামায়াতে ইসলামী মনোনীত অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, বিএনপির মনোনীত অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী, জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, আমজনতার দলের মো. কওছর আজম হান্নু, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) পরমানন্দ দাস এবং এলডিপির মো. শরিফুল ইসলাম।
অপরদিকে চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন- জাতীয় পার্টির মো. মাহফুজুল হক সরদার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রমজান আলী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা মহসিন সরদার ও মোছা: ছালমা আক্তার।

বাতিলের দুই দিন পর বৈধ ঘোষণা জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র
গাইবান্ধা-সংবাদদাতা

গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মো. মাজেদুর রহমানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলেও দুইদিন পর পুনর্বিবেচনায় বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা।
এর আগে, শুক্রবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে মাজেদুর রহমানের এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকার কারণে মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, গাইবান্ধা-১ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. মাজেদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে একটি এমপিওভুক্ত কলেজে শিক্ষকতা করছেন। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী, এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবে না, এজন্য প্রাথমিকভাবে তার মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা করা হয়। তবে দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষকতা পেশায় সম্পৃক্ত থাকা সত্ত্বেও কয়েকজন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। এ প্রেক্ষাপটে আলোচনা ও আইনগত দিক বিবেচনায় পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হয়। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও তথ্য পর্যালোচনা শেষে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা দেন।
মনোনয়ন বৈধতা পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় মো. মাজেদুর রহমান বলেন, 'বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ন্যায় ও ইনসাফে বিশ্বাসী। আমরা সবসময় সৎ ও সত্যের পথে অটল থাকি। বিশ্বাস করি, শেষ পর্যন্ত সত্যেরই বিজয় হয়। আজকের সিদ্ধান্ত তারই প্রমাণ। সকল বাধা, অবহেলা ও ষড়যন্ত্রকে উপেক্ষা করে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ বিজয় শুধু আমার নয়, এটি ন্যায় ও সত্যের পক্ষের বিজয়, যা জনগণ ও দেশের স্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ।'
গাইবান্ধা জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লা বলেন, মাজেদুর রহমানের মনোনয়ন প্রথমে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকার কারণে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে পুনরায় যাচাই-বাছাই ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পর্যালোচনার পর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গাইবান্ধা-১ আসনে মোট ১০ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। যাচাই-বাছাই শেষে ৬ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। বৈধ প্রার্থীরা হলেন- জামায়াতে ইসলামী মনোনীত অধ্যাপক মাজেদুর রহমান, বিএনপির মনোনীত অধ্যাপক ডা. খন্দকার জিয়াউল ইসলাম মোহাম্মদ আলী, জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, আমজনতার দলের মো. কওছর আজম হান্নু, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) পরমানন্দ দাস এবং এলডিপির মো. শরিফুল ইসলাম।
অপরদিকে চারজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। তারা হলেন- জাতীয় পার্টির মো. মাহফুজুল হক সরদার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. রমজান আলী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা মহসিন সরদার ও মোছা: ছালমা আক্তার।




