নতুন বছরের প্রথম সূর্যোদয় দেখতে কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়

নতুন বছরের প্রথম সূর্যোদয় দেখতে কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়
সিটিজেন-ডেস্ক

নতুন বছরের প্রথম সূর্যোদয় দেখতে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে সমবেত হয়েছিলেন হাজারো পর্যটক। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) কাকডাকা ভোরে সৈকতের জিরো পয়েন্ট, ঝাউবাগান, গঙ্গামতি, চর-গঙ্গামতি ও লাল কাঁকড়ার চরে পর্যটকরা ভিড় জমান।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গত বছরের তুলনায় এ বছর কুয়াকাটায় পর্যটকের সংখ্যা অনেকটাই কম। এ ছাড়া গত ৮-১০ বছর ধরে ‘থার্টিফার্স্ট নাইট’ উপলক্ষে কুয়াকাটা সৈকতে কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন না থাকায় তারা কিছুটা হতাশা ব্যক্ত করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, কেউ সমুদ্রের নোনা জলে পা ভেজাচ্ছিলেন, আবার কেউ ঘোড়ায় চড়ে সৈকতের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। অনেক পর্যটককে সৈকতের বেঞ্চে বসে অলস সময় কাটাতে ও প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে দেখা গেছে।
কুমিল্লা থেকে আসা পর্যটক রহমান মোল্লা বলেন, ‘বন্ধুরা মিলে কুয়াকাটায় এসেছি। সূর্যাস্ত দেখার মাধ্যমে পুরনো বছরকে বিদায় জানিয়েছি। আজ ভোরে চর-গঙ্গামতিতে গেলেও কুয়াশার কারণে সূর্যোদয় দেখা হয়নি। তবে কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল আর শিশিরভেজা প্রকৃতি দেখে ভালো লেগেছে। সূর্যোদয় দেখতে পারলে পূর্ণ তৃপ্তি পেতাম।’
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কুয়াকাটার ব্যবসায়ীরা শোকাহত। এ কারণে এ বছর পর্যটকের উপস্থিতি কিছুটা কম। তবুও বছরের প্রথম দিনে প্রায় ৭০ শতাংশ হোটেল-মোটেলের কক্ষ বুকিং রয়েছে।’
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বছরের শেষ ও প্রথম দিনে কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড় অন্য দিনের তুলনায় বেশি থাকে। তাই আগে থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে সূর্যোদয়ের স্পটগুলোতে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’

নতুন বছরের প্রথম সূর্যোদয় দেখতে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে সমবেত হয়েছিলেন হাজারো পর্যটক। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) কাকডাকা ভোরে সৈকতের জিরো পয়েন্ট, ঝাউবাগান, গঙ্গামতি, চর-গঙ্গামতি ও লাল কাঁকড়ার চরে পর্যটকরা ভিড় জমান।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গত বছরের তুলনায় এ বছর কুয়াকাটায় পর্যটকের সংখ্যা অনেকটাই কম। এ ছাড়া গত ৮-১০ বছর ধরে ‘থার্টিফার্স্ট নাইট’ উপলক্ষে কুয়াকাটা সৈকতে কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন না থাকায় তারা কিছুটা হতাশা ব্যক্ত করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, কেউ সমুদ্রের নোনা জলে পা ভেজাচ্ছিলেন, আবার কেউ ঘোড়ায় চড়ে সৈকতের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। অনেক পর্যটককে সৈকতের বেঞ্চে বসে অলস সময় কাটাতে ও প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে দেখা গেছে।
কুমিল্লা থেকে আসা পর্যটক রহমান মোল্লা বলেন, ‘বন্ধুরা মিলে কুয়াকাটায় এসেছি। সূর্যাস্ত দেখার মাধ্যমে পুরনো বছরকে বিদায় জানিয়েছি। আজ ভোরে চর-গঙ্গামতিতে গেলেও কুয়াশার কারণে সূর্যোদয় দেখা হয়নি। তবে কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল আর শিশিরভেজা প্রকৃতি দেখে ভালো লেগেছে। সূর্যোদয় দেখতে পারলে পূর্ণ তৃপ্তি পেতাম।’
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কুয়াকাটার ব্যবসায়ীরা শোকাহত। এ কারণে এ বছর পর্যটকের উপস্থিতি কিছুটা কম। তবুও বছরের প্রথম দিনে প্রায় ৭০ শতাংশ হোটেল-মোটেলের কক্ষ বুকিং রয়েছে।’
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বছরের শেষ ও প্রথম দিনে কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড় অন্য দিনের তুলনায় বেশি থাকে। তাই আগে থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে সূর্যোদয়ের স্পটগুলোতে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’

নতুন বছরের প্রথম সূর্যোদয় দেখতে কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড়
সিটিজেন-ডেস্ক

নতুন বছরের প্রথম সূর্যোদয় দেখতে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে সমবেত হয়েছিলেন হাজারো পর্যটক। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) কাকডাকা ভোরে সৈকতের জিরো পয়েন্ট, ঝাউবাগান, গঙ্গামতি, চর-গঙ্গামতি ও লাল কাঁকড়ার চরে পর্যটকরা ভিড় জমান।
পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা জানান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গত বছরের তুলনায় এ বছর কুয়াকাটায় পর্যটকের সংখ্যা অনেকটাই কম। এ ছাড়া গত ৮-১০ বছর ধরে ‘থার্টিফার্স্ট নাইট’ উপলক্ষে কুয়াকাটা সৈকতে কোনো আনুষ্ঠানিক আয়োজন না থাকায় তারা কিছুটা হতাশা ব্যক্ত করেন।
সরেজমিনে দেখা যায়, কেউ সমুদ্রের নোনা জলে পা ভেজাচ্ছিলেন, আবার কেউ ঘোড়ায় চড়ে সৈকতের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। অনেক পর্যটককে সৈকতের বেঞ্চে বসে অলস সময় কাটাতে ও প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে দেখা গেছে।
কুমিল্লা থেকে আসা পর্যটক রহমান মোল্লা বলেন, ‘বন্ধুরা মিলে কুয়াকাটায় এসেছি। সূর্যাস্ত দেখার মাধ্যমে পুরনো বছরকে বিদায় জানিয়েছি। আজ ভোরে চর-গঙ্গামতিতে গেলেও কুয়াশার কারণে সূর্যোদয় দেখা হয়নি। তবে কুয়াশাচ্ছন্ন সকাল আর শিশিরভেজা প্রকৃতি দেখে ভালো লেগেছে। সূর্যোদয় দেখতে পারলে পূর্ণ তৃপ্তি পেতাম।’
ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটার (টোয়াক) সাধারণ সম্পাদক মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে কুয়াকাটার ব্যবসায়ীরা শোকাহত। এ কারণে এ বছর পর্যটকের উপস্থিতি কিছুটা কম। তবুও বছরের প্রথম দিনে প্রায় ৭০ শতাংশ হোটেল-মোটেলের কক্ষ বুকিং রয়েছে।’
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ রিজিয়নের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, ‘বছরের শেষ ও প্রথম দিনে কুয়াকাটায় পর্যটকদের ভিড় অন্য দিনের তুলনায় বেশি থাকে। তাই আগে থেকেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বিশেষ করে সূর্যোদয়ের স্পটগুলোতে ট্যুরিস্ট পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।’




