মুদ্রানীতিতে অগ্রাধিকার পাচ্ছে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা রক্ষা

মুদ্রানীতিতে অগ্রাধিকার পাচ্ছে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা রক্ষা
জ্যেষ্ঠ-প্রতিবেদক

চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় (জানুয়ারি-জুন) মেয়াদের মুদ্রানীতি জানুযারির শেষ সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এরইমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে। নীতি নির্ধারণে দেশের খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সাবেক গভর্নরদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, মুদ্রানীতিতে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, ঋণ বিতরণে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, তারল্যের জোগান বাড়ানো, খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং ঋণ আদায় বাড়ানোর মতো পদক্ষেপে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে।
একই সঙ্গে ডলারের বিপরীতে টাকার মান স্থিতিশীল রাখা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিরাপদ মাত্রায় উন্নীত করার বিষয়েও নজর থাকবে। দেশের অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান বাড়াতে বিনিয়োগবান্ধব নীতি গ্রহণ করা হবে। তবে সুদের হার কমানোর বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আগামী ২২ জানুয়ারি মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকে।
এবারের মুদ্রানীতি এমন সময় ঘোষণা করা হচ্ছে, যখন দেশ নির্বাচনী পরিবেশে রয়েছে। মুদ্রানীতির বড় অংশ বাস্তবায়ন করতে হবে নির্বাচিত সরকারের সময়ে। নতুন সরকার কর্মসংস্থান বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেবে। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবারের মুদ্রানীতিকে কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগবান্ধব করার দিকে জোর দিচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় মেয়াদের মুদ্রানীতি এই মাসের শেষ সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এরইমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে। নীতি নির্ধারণে দেশের খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সাবেক গভর্নরদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে। বেশিরভাগ বক্তা সুদের হার কমানোর পক্ষেই মত প্রকাশ করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগামী ৮ জানুয়ারি বরিশাল এবং ১৫ জানুয়ারি রংপুরে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করবে। এই মতামতগুলো সমন্বয় করে ২২ জানুয়ারি মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে। এরপর ২৬ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদ সভায় অনুমোদনের মাধ্যমে ২৭ থেকে ২৯ জানুয়ারির মধ্যে মুদ্রানীতি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
সরকারের ঋণ গ্রহণের অন্যতম উপকরণ ট্রেজারি বিল বন্ডের সুদের হার এরইমধ্যে কমতে শুরু করেছে। এর প্রভাবে সঞ্চয়পত্রের সুদের হারও কমানো হয়েছে। ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত তারল্য জমা হচ্ছে, যা বাজারে ঋণের সুদের হার কমানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে। আগামীতে ঋণের সুদের হার আরও নিম্নমুখী হবে, যা বিনিয়োগ বাড়াবে।
রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ছে। এই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে নীতি সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে। রপ্তানি খাতের প্রতিবন্ধকতা দূর করে খাতকে আরও চাঙ্গা করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। টানা তিন মাস রপ্তানি আয় কমার পর সম্প্রতি তা আবার বাড়তে শুরু করেছে। বৈদেশিক ঋণ শোধের চাপ কমেছে, আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে বাজারে ডলারের সরবরাহ চাহিদার চেয়ে বেশি এবং টাকার মান স্থিতিশীল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই ধারা বজায় রেখে বাজার থেকে বাড়তি ডলার কিনে রিজার্ভ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মনে করছে। ঋণ খেলাপির সংখ্যা কমাতে নীতি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ঋণখেলাপিদের ব্যবসা সচল করে ঋণ নিয়মিত করতে ব্যাংকগুলোকে চাপ দেওয়া হয়েছে। ঋণ আদায় বাড়াতে ব্যাংকগুলোর ওপর নানাভাবে নজরদারি করা হচ্ছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে মূল্যস্ফীতির হার ৮ শতাংশের ওপরে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, বাজার ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি এ হারের বড় কারণ।
উৎপাদন খাতে ঋণের জোগান বাড়ানো হবে। কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে ঋণ বাড়াতে ইতোমধ্যেই ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বড় শিল্পের ঋণও বাড়ানো হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক খাতের সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করতে জোরালো পদক্ষেপ নিচ্ছে।

চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় (জানুয়ারি-জুন) মেয়াদের মুদ্রানীতি জানুযারির শেষ সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এরইমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে। নীতি নির্ধারণে দেশের খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সাবেক গভর্নরদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, মুদ্রানীতিতে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, ঋণ বিতরণে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, তারল্যের জোগান বাড়ানো, খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং ঋণ আদায় বাড়ানোর মতো পদক্ষেপে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে।
একই সঙ্গে ডলারের বিপরীতে টাকার মান স্থিতিশীল রাখা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিরাপদ মাত্রায় উন্নীত করার বিষয়েও নজর থাকবে। দেশের অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান বাড়াতে বিনিয়োগবান্ধব নীতি গ্রহণ করা হবে। তবে সুদের হার কমানোর বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আগামী ২২ জানুয়ারি মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকে।
এবারের মুদ্রানীতি এমন সময় ঘোষণা করা হচ্ছে, যখন দেশ নির্বাচনী পরিবেশে রয়েছে। মুদ্রানীতির বড় অংশ বাস্তবায়ন করতে হবে নির্বাচিত সরকারের সময়ে। নতুন সরকার কর্মসংস্থান বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেবে। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবারের মুদ্রানীতিকে কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগবান্ধব করার দিকে জোর দিচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় মেয়াদের মুদ্রানীতি এই মাসের শেষ সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এরইমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে। নীতি নির্ধারণে দেশের খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সাবেক গভর্নরদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে। বেশিরভাগ বক্তা সুদের হার কমানোর পক্ষেই মত প্রকাশ করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগামী ৮ জানুয়ারি বরিশাল এবং ১৫ জানুয়ারি রংপুরে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করবে। এই মতামতগুলো সমন্বয় করে ২২ জানুয়ারি মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে। এরপর ২৬ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদ সভায় অনুমোদনের মাধ্যমে ২৭ থেকে ২৯ জানুয়ারির মধ্যে মুদ্রানীতি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
সরকারের ঋণ গ্রহণের অন্যতম উপকরণ ট্রেজারি বিল বন্ডের সুদের হার এরইমধ্যে কমতে শুরু করেছে। এর প্রভাবে সঞ্চয়পত্রের সুদের হারও কমানো হয়েছে। ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত তারল্য জমা হচ্ছে, যা বাজারে ঋণের সুদের হার কমানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে। আগামীতে ঋণের সুদের হার আরও নিম্নমুখী হবে, যা বিনিয়োগ বাড়াবে।
রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ছে। এই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে নীতি সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে। রপ্তানি খাতের প্রতিবন্ধকতা দূর করে খাতকে আরও চাঙ্গা করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। টানা তিন মাস রপ্তানি আয় কমার পর সম্প্রতি তা আবার বাড়তে শুরু করেছে। বৈদেশিক ঋণ শোধের চাপ কমেছে, আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে বাজারে ডলারের সরবরাহ চাহিদার চেয়ে বেশি এবং টাকার মান স্থিতিশীল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই ধারা বজায় রেখে বাজার থেকে বাড়তি ডলার কিনে রিজার্ভ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মনে করছে। ঋণ খেলাপির সংখ্যা কমাতে নীতি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ঋণখেলাপিদের ব্যবসা সচল করে ঋণ নিয়মিত করতে ব্যাংকগুলোকে চাপ দেওয়া হয়েছে। ঋণ আদায় বাড়াতে ব্যাংকগুলোর ওপর নানাভাবে নজরদারি করা হচ্ছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে মূল্যস্ফীতির হার ৮ শতাংশের ওপরে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, বাজার ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি এ হারের বড় কারণ।
উৎপাদন খাতে ঋণের জোগান বাড়ানো হবে। কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে ঋণ বাড়াতে ইতোমধ্যেই ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বড় শিল্পের ঋণও বাড়ানো হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক খাতের সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করতে জোরালো পদক্ষেপ নিচ্ছে।

মুদ্রানীতিতে অগ্রাধিকার পাচ্ছে অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা রক্ষা
জ্যেষ্ঠ-প্রতিবেদক

চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় (জানুয়ারি-জুন) মেয়াদের মুদ্রানীতি জানুযারির শেষ সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এরইমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে। নীতি নির্ধারণে দেশের খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সাবেক গভর্নরদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছে, মুদ্রানীতিতে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা রক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে ব্যাংক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, ঋণ বিতরণে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা, তারল্যের জোগান বাড়ানো, খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণ এবং ঋণ আদায় বাড়ানোর মতো পদক্ষেপে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে।
একই সঙ্গে ডলারের বিপরীতে টাকার মান স্থিতিশীল রাখা এবং বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ নিরাপদ মাত্রায় উন্নীত করার বিষয়েও নজর থাকবে। দেশের অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান বাড়াতে বিনিয়োগবান্ধব নীতি গ্রহণ করা হবে। তবে সুদের হার কমানোর বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে আগামী ২২ জানুয়ারি মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকে।
এবারের মুদ্রানীতি এমন সময় ঘোষণা করা হচ্ছে, যখন দেশ নির্বাচনী পরিবেশে রয়েছে। মুদ্রানীতির বড় অংশ বাস্তবায়ন করতে হবে নির্বাচিত সরকারের সময়ে। নতুন সরকার কর্মসংস্থান বাড়ানোর দিকে মনোযোগ দেবে। তাই কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবারের মুদ্রানীতিকে কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগবান্ধব করার দিকে জোর দিচ্ছে।
তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয় মেয়াদের মুদ্রানীতি এই মাসের শেষ সপ্তাহে ঘোষণা করা হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এরইমধ্যে প্রস্তুতি শুরু করেছে। নীতি নির্ধারণে দেশের খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও সাবেক গভর্নরদের সঙ্গে মতবিনিময় করা হয়েছে। বেশিরভাগ বক্তা সুদের হার কমানোর পক্ষেই মত প্রকাশ করেছেন।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক আগামী ৮ জানুয়ারি বরিশাল এবং ১৫ জানুয়ারি রংপুরে অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় করবে। এই মতামতগুলো সমন্বয় করে ২২ জানুয়ারি মুদ্রানীতি কমিটির বৈঠকে চূড়ান্ত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে। এরপর ২৬ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্ষদ সভায় অনুমোদনের মাধ্যমে ২৭ থেকে ২৯ জানুয়ারির মধ্যে মুদ্রানীতি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে।
সরকারের ঋণ গ্রহণের অন্যতম উপকরণ ট্রেজারি বিল বন্ডের সুদের হার এরইমধ্যে কমতে শুরু করেছে। এর প্রভাবে সঞ্চয়পত্রের সুদের হারও কমানো হয়েছে। ব্যাংকগুলোতে অতিরিক্ত তারল্য জমা হচ্ছে, যা বাজারে ঋণের সুদের হার কমানোর ইঙ্গিত দিচ্ছে। আগামীতে ঋণের সুদের হার আরও নিম্নমুখী হবে, যা বিনিয়োগ বাড়াবে।
রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়ছে। এই প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে নীতি সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে। রপ্তানি খাতের প্রতিবন্ধকতা দূর করে খাতকে আরও চাঙ্গা করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। টানা তিন মাস রপ্তানি আয় কমার পর সম্প্রতি তা আবার বাড়তে শুরু করেছে। বৈদেশিক ঋণ শোধের চাপ কমেছে, আমদানি ব্যয় নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ফলে বাজারে ডলারের সরবরাহ চাহিদার চেয়ে বেশি এবং টাকার মান স্থিতিশীল। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই ধারা বজায় রেখে বাজার থেকে বাড়তি ডলার কিনে রিজার্ভ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের ঊর্ধ্বগতি সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ মনে করছে। ঋণ খেলাপির সংখ্যা কমাতে নীতি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে ঋণখেলাপিদের ব্যবসা সচল করে ঋণ নিয়মিত করতে ব্যাংকগুলোকে চাপ দেওয়া হয়েছে। ঋণ আদায় বাড়াতে ব্যাংকগুলোর ওপর নানাভাবে নজরদারি করা হচ্ছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির হার নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে মূল্যস্ফীতির হার ৮ শতাংশের ওপরে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মতে, বাজার ব্যবস্থাপনায় ত্রুটি এ হারের বড় কারণ।
উৎপাদন খাতে ঋণের জোগান বাড়ানো হবে। কৃষি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে ঋণ বাড়াতে ইতোমধ্যেই ব্যাংকগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বড় শিল্পের ঋণও বাড়ানো হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংক খাতের সীমাবদ্ধতাগুলো দূর করতে জোরালো পদক্ষেপ নিচ্ছে।




