২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিমানের রেকর্ড ৭৮৫ কোটি টাকা মুনাফা

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিমানের রেকর্ড ৭৮৫ কোটি টাকা মুনাফা
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৭৮৫ কোটি ২১ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করেছে। এটি আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৭৮ শতাংশ বেশি। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত বিমানের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ তথ্য জানানো হয়।
বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে সংস্থাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি। একই সময়ে বিমানের অপারেশনাল মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৬০২ কোটি টাকা। এর মধ্যে নিট মুনাফা ৭৮৫ কোটি ২১ লাখ টাকা, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ১৭৮ শতাংশ বেশি। এ সাফল্যের মাধ্যমে বিমান টানা পঞ্চম বছরের মতো লাভের ধারাবাহিকতা বজায় রাখলো। উল্লেখ্য, গত ১০ অর্থবছরের মধ্যে ৯ বারই সংস্থাটি নিট মুনাফা অর্জন করেছে।
বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শেখ বশির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এজিএমে অর্থ, বেসামরিক বিমান পরিবহন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধি এবং শেয়ারহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।
বিমান বাংলাদেশের তথ্যমতে, বিগত অর্থবছরে বিমান ২১টি নিজস্ব ও লিজিং উড়োজাহাজের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি ৩০টি গন্তব্যে মোট ৩৩ দশমিক ৮৩ লক্ষ যাত্রী পরিবহন করেছে। এটি আগের বছরের তুলনায় ১ শতাংশ বেশি। এছাড়াও ৪৩ হাজার ৯১৮ মেট্রিক টন কার্গো পরিবহন করে ৯২৫ কোটি টাকা আয় করেছে সংস্থাটি, যা আগের বছরের তুলনায় ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ বেশি।
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বিদেশি এয়ারলাইন্সের ৩১ হাজার ১১২টি ফ্লাইটে প্রায় ৬১ লাখ যাত্রীকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা দিয়েছে। একইসঙ্গে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বিমানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ টিকিট বিক্রির রেকর্ডও গড়ে ওঠে।
লাগেজ সরবরাহ প্রক্রিয়া দ্রুততর করা, উন্নত ইন-ফ্লাইট সেবা এবং ডিজিটাল আধুনিকায়নের ফলে যাত্রী সন্তুষ্টি বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।
বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ৫৪ বছরে বিমান সরকার থেকে কোনো প্রকার ভর্তুকি গ্রহণ করেনি। সম্পূর্ণ নিজস্ব আয়ে পরিচালিত এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে দক্ষ অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও কার্যকর সম্পদ বণ্টনের মাধ্যমে এই রেকর্ড মুনাফা অর্জন করেছে।
ভবিষ্যতে নতুন আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ, ডিজিটাল রূপান্তর জোরদার করা এবং কার্গো সেবাকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে।

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৭৮৫ কোটি ২১ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করেছে। এটি আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৭৮ শতাংশ বেশি। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত বিমানের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ তথ্য জানানো হয়।
বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে সংস্থাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি। একই সময়ে বিমানের অপারেশনাল মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৬০২ কোটি টাকা। এর মধ্যে নিট মুনাফা ৭৮৫ কোটি ২১ লাখ টাকা, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ১৭৮ শতাংশ বেশি। এ সাফল্যের মাধ্যমে বিমান টানা পঞ্চম বছরের মতো লাভের ধারাবাহিকতা বজায় রাখলো। উল্লেখ্য, গত ১০ অর্থবছরের মধ্যে ৯ বারই সংস্থাটি নিট মুনাফা অর্জন করেছে।
বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শেখ বশির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এজিএমে অর্থ, বেসামরিক বিমান পরিবহন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধি এবং শেয়ারহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।
বিমান বাংলাদেশের তথ্যমতে, বিগত অর্থবছরে বিমান ২১টি নিজস্ব ও লিজিং উড়োজাহাজের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি ৩০টি গন্তব্যে মোট ৩৩ দশমিক ৮৩ লক্ষ যাত্রী পরিবহন করেছে। এটি আগের বছরের তুলনায় ১ শতাংশ বেশি। এছাড়াও ৪৩ হাজার ৯১৮ মেট্রিক টন কার্গো পরিবহন করে ৯২৫ কোটি টাকা আয় করেছে সংস্থাটি, যা আগের বছরের তুলনায় ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ বেশি।
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বিদেশি এয়ারলাইন্সের ৩১ হাজার ১১২টি ফ্লাইটে প্রায় ৬১ লাখ যাত্রীকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা দিয়েছে। একইসঙ্গে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বিমানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ টিকিট বিক্রির রেকর্ডও গড়ে ওঠে।
লাগেজ সরবরাহ প্রক্রিয়া দ্রুততর করা, উন্নত ইন-ফ্লাইট সেবা এবং ডিজিটাল আধুনিকায়নের ফলে যাত্রী সন্তুষ্টি বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।
বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ৫৪ বছরে বিমান সরকার থেকে কোনো প্রকার ভর্তুকি গ্রহণ করেনি। সম্পূর্ণ নিজস্ব আয়ে পরিচালিত এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে দক্ষ অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও কার্যকর সম্পদ বণ্টনের মাধ্যমে এই রেকর্ড মুনাফা অর্জন করেছে।
ভবিষ্যতে নতুন আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ, ডিজিটাল রূপান্তর জোরদার করা এবং কার্গো সেবাকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিমানের রেকর্ড ৭৮৫ কোটি টাকা মুনাফা
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ৭৮৫ কোটি ২১ লাখ টাকা নিট মুনাফা অর্জন করেছে। এটি আগের অর্থবছরের তুলনায় ১৭৮ শতাংশ বেশি। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত বিমানের বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ তথ্য জানানো হয়।
বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম জানান, সদ্যসমাপ্ত অর্থবছরে সংস্থাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ১১ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি। একই সময়ে বিমানের অপারেশনাল মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ৬০২ কোটি টাকা। এর মধ্যে নিট মুনাফা ৭৮৫ কোটি ২১ লাখ টাকা, যা পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ১৭৮ শতাংশ বেশি। এ সাফল্যের মাধ্যমে বিমান টানা পঞ্চম বছরের মতো লাভের ধারাবাহিকতা বজায় রাখলো। উল্লেখ্য, গত ১০ অর্থবছরের মধ্যে ৯ বারই সংস্থাটি নিট মুনাফা অর্জন করেছে।
বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শেখ বশির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এজিএমে অর্থ, বেসামরিক বিমান পরিবহন, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ, পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রতিনিধি এবং শেয়ারহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন।
বিমান বাংলাদেশের তথ্যমতে, বিগত অর্থবছরে বিমান ২১টি নিজস্ব ও লিজিং উড়োজাহাজের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি ৩০টি গন্তব্যে মোট ৩৩ দশমিক ৮৩ লক্ষ যাত্রী পরিবহন করেছে। এটি আগের বছরের তুলনায় ১ শতাংশ বেশি। এছাড়াও ৪৩ হাজার ৯১৮ মেট্রিক টন কার্গো পরিবহন করে ৯২৫ কোটি টাকা আয় করেছে সংস্থাটি, যা আগের বছরের তুলনায় ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ বেশি।
২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বিদেশি এয়ারলাইন্সের ৩১ হাজার ১১২টি ফ্লাইটে প্রায় ৬১ লাখ যাত্রীকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা দিয়েছে। একইসঙ্গে ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বিমানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ টিকিট বিক্রির রেকর্ডও গড়ে ওঠে।
লাগেজ সরবরাহ প্রক্রিয়া দ্রুততর করা, উন্নত ইন-ফ্লাইট সেবা এবং ডিজিটাল আধুনিকায়নের ফলে যাত্রী সন্তুষ্টি বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে।
বিমানের জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক জানান, প্রতিষ্ঠার পর থেকে গত ৫৪ বছরে বিমান সরকার থেকে কোনো প্রকার ভর্তুকি গ্রহণ করেনি। সম্পূর্ণ নিজস্ব আয়ে পরিচালিত এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে দক্ষ অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও কার্যকর সম্পদ বণ্টনের মাধ্যমে এই রেকর্ড মুনাফা অর্জন করেছে।
ভবিষ্যতে নতুন আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণ, ডিজিটাল রূপান্তর জোরদার করা এবং কার্গো সেবাকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে।



