কাগজে দেওয়া রিটার্ন এবার ‘ই-ভ্যাট’ করতে হবে করদাতাদের

কাগজে দেওয়া রিটার্ন এবার ‘ই-ভ্যাট’ করতে হবে করদাতাদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভ্যাট ব্যবস্থায় সব করদাতার রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে সংরক্ষণ করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। করদাতাদের কাছ থেকে এর আগে কাগজে (হার্ড কপি আকারে) দাখিল করা সব মাসিক রিটার্ন অনলাইন সিস্টেমে এন্ট্রি করা হবে। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোনো জরিমানা ও সুদ ছাড়া করদাতাদের নিজেদেরই তা এন্ট্রি করতে হবে। এ জন্য ই-ভ্যাট সিস্টেমে হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি নামে একটি নতুন সাব-মডিউল সংযোজন করা হয়েছে।
সাব-মডিউলটি কীভাবে কাজ করবে– সে বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সোমবার (৫ জানুয়ারি) একটি পরিপত্র জারি করেছে। পরিপত্রটি যথাযথভাবে অনুসরণ করে করদাতারা নিজেরাই ই-ভ্যাট সিস্টেমে তাদের পূর্বের দাখিল করা হার্ড কপি রিটার্ন সিস্টেমে এন্ট্রি করতে পারবেন।
বর্তমান ব্যবস্থায় করদাতার দাখিল করা পেপার রিটার্ন (হার্ড কপি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারেটের সিপিসি (সেন্ট্রাল প্রসেসিং সেন্টার) ব্যবহার করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ভ্যাট কর্মকর্তারা করদাতাদের দাখিল করা রিটার্নের তথ্য সিস্টেমে এন্ট্রি করেন। ভ্যাট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এসব ডেটা এন্ট্রি করা হয়। সেক্ষেত্রে কোনো ভুল হলে এর দায়-দায়িত্ব নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হয়।
তাছাড়া, ভ্যাট অফিস কর্তৃক বিপুল পরিমাণ পেপার রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি দেয়া যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ কাজ। বর্তমান পদ্ধতিতে দাখিল করা পেপার রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে যথাসময়ে এন্ট্রি করাও সম্ভব হয় না। এ কারণে করদাতাদের ওপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুদ ও জরিমানা আরোপ হচ্ছে। পরবর্তীতে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে চাইলেও জরিমানা পরিশোধ না করে অনলাইনে রিটার্ন দেয়ার সুযোগ না থাকায় অনেক করদাতা অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতে পারছেন না।
হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি করার সাব-মডিউলটি সংযোজনের ফলে যেসব করদাতা মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৬৪ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে হার্ড কপি রিটার্ন দাখিল করেছেন তারা এখন জরিমানা ও সুদ ছাড়াই ই-ভ্যাট সিস্টেমে নিজেরাই এন্ট্রি করতে পারবেন। করদাতারা তাদের ই-মেইল ও মোবাইল ফোনে নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ই-ভ্যাট সিস্টেমের লিঙ্ক পাবেন। এর মাধ্যমে সহজেই সাব-মডিউল ব্যবহার করতে পারবেন।
আগের দাখিল করা সব হার্ড কপি রিটার্ন করদাতারা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোনো জরিমানা ও সুদ ছাড়া নিজেরাই এন্ট্রি করতে পারবেন। দাখিল করা পেপার রিটার্নগুলো ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি করা হলে সব করদাতা নিরবিচ্ছিন্নভাবে তাদের সব ভ্যাট রিটার্ন অনলাইনে দাখিল করতে পারবেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিজেদের সব কার্যক্রম ডিজিটাল করার মাধ্যমে কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনার চলমান উদ্যোগে করাদাতাদের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছে।

ভ্যাট ব্যবস্থায় সব করদাতার রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে সংরক্ষণ করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। করদাতাদের কাছ থেকে এর আগে কাগজে (হার্ড কপি আকারে) দাখিল করা সব মাসিক রিটার্ন অনলাইন সিস্টেমে এন্ট্রি করা হবে। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোনো জরিমানা ও সুদ ছাড়া করদাতাদের নিজেদেরই তা এন্ট্রি করতে হবে। এ জন্য ই-ভ্যাট সিস্টেমে হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি নামে একটি নতুন সাব-মডিউল সংযোজন করা হয়েছে।
সাব-মডিউলটি কীভাবে কাজ করবে– সে বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সোমবার (৫ জানুয়ারি) একটি পরিপত্র জারি করেছে। পরিপত্রটি যথাযথভাবে অনুসরণ করে করদাতারা নিজেরাই ই-ভ্যাট সিস্টেমে তাদের পূর্বের দাখিল করা হার্ড কপি রিটার্ন সিস্টেমে এন্ট্রি করতে পারবেন।
বর্তমান ব্যবস্থায় করদাতার দাখিল করা পেপার রিটার্ন (হার্ড কপি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারেটের সিপিসি (সেন্ট্রাল প্রসেসিং সেন্টার) ব্যবহার করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ভ্যাট কর্মকর্তারা করদাতাদের দাখিল করা রিটার্নের তথ্য সিস্টেমে এন্ট্রি করেন। ভ্যাট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এসব ডেটা এন্ট্রি করা হয়। সেক্ষেত্রে কোনো ভুল হলে এর দায়-দায়িত্ব নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হয়।
তাছাড়া, ভ্যাট অফিস কর্তৃক বিপুল পরিমাণ পেপার রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি দেয়া যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ কাজ। বর্তমান পদ্ধতিতে দাখিল করা পেপার রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে যথাসময়ে এন্ট্রি করাও সম্ভব হয় না। এ কারণে করদাতাদের ওপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুদ ও জরিমানা আরোপ হচ্ছে। পরবর্তীতে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে চাইলেও জরিমানা পরিশোধ না করে অনলাইনে রিটার্ন দেয়ার সুযোগ না থাকায় অনেক করদাতা অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতে পারছেন না।
হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি করার সাব-মডিউলটি সংযোজনের ফলে যেসব করদাতা মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৬৪ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে হার্ড কপি রিটার্ন দাখিল করেছেন তারা এখন জরিমানা ও সুদ ছাড়াই ই-ভ্যাট সিস্টেমে নিজেরাই এন্ট্রি করতে পারবেন। করদাতারা তাদের ই-মেইল ও মোবাইল ফোনে নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ই-ভ্যাট সিস্টেমের লিঙ্ক পাবেন। এর মাধ্যমে সহজেই সাব-মডিউল ব্যবহার করতে পারবেন।
আগের দাখিল করা সব হার্ড কপি রিটার্ন করদাতারা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোনো জরিমানা ও সুদ ছাড়া নিজেরাই এন্ট্রি করতে পারবেন। দাখিল করা পেপার রিটার্নগুলো ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি করা হলে সব করদাতা নিরবিচ্ছিন্নভাবে তাদের সব ভ্যাট রিটার্ন অনলাইনে দাখিল করতে পারবেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিজেদের সব কার্যক্রম ডিজিটাল করার মাধ্যমে কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনার চলমান উদ্যোগে করাদাতাদের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছে।

কাগজে দেওয়া রিটার্ন এবার ‘ই-ভ্যাট’ করতে হবে করদাতাদের
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভ্যাট ব্যবস্থায় সব করদাতার রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে সংরক্ষণ করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। করদাতাদের কাছ থেকে এর আগে কাগজে (হার্ড কপি আকারে) দাখিল করা সব মাসিক রিটার্ন অনলাইন সিস্টেমে এন্ট্রি করা হবে। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোনো জরিমানা ও সুদ ছাড়া করদাতাদের নিজেদেরই তা এন্ট্রি করতে হবে। এ জন্য ই-ভ্যাট সিস্টেমে হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি নামে একটি নতুন সাব-মডিউল সংযোজন করা হয়েছে।
সাব-মডিউলটি কীভাবে কাজ করবে– সে বিষয়ে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সোমবার (৫ জানুয়ারি) একটি পরিপত্র জারি করেছে। পরিপত্রটি যথাযথভাবে অনুসরণ করে করদাতারা নিজেরাই ই-ভ্যাট সিস্টেমে তাদের পূর্বের দাখিল করা হার্ড কপি রিটার্ন সিস্টেমে এন্ট্রি করতে পারবেন।
বর্তমান ব্যবস্থায় করদাতার দাখিল করা পেপার রিটার্ন (হার্ড কপি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট ভ্যাট কমিশনারেটের সিপিসি (সেন্ট্রাল প্রসেসিং সেন্টার) ব্যবহার করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ভ্যাট কর্মকর্তারা করদাতাদের দাখিল করা রিটার্নের তথ্য সিস্টেমে এন্ট্রি করেন। ভ্যাট কর্মকর্তাদের মাধ্যমে এসব ডেটা এন্ট্রি করা হয়। সেক্ষেত্রে কোনো ভুল হলে এর দায়-দায়িত্ব নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হয়।
তাছাড়া, ভ্যাট অফিস কর্তৃক বিপুল পরিমাণ পেপার রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি দেয়া যথেষ্ট সময়সাপেক্ষ কাজ। বর্তমান পদ্ধতিতে দাখিল করা পেপার রিটার্ন ই-ভ্যাট সিস্টেমে যথাসময়ে এন্ট্রি করাও সম্ভব হয় না। এ কারণে করদাতাদের ওপর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুদ ও জরিমানা আরোপ হচ্ছে। পরবর্তীতে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করতে চাইলেও জরিমানা পরিশোধ না করে অনলাইনে রিটার্ন দেয়ার সুযোগ না থাকায় অনেক করদাতা অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করতে পারছেন না।
হার্ড কপি রিটার্ন এন্ট্রি করার সাব-মডিউলটি সংযোজনের ফলে যেসব করদাতা মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন, ২০১২ এর ধারা ৬৪ অনুযায়ী নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে হার্ড কপি রিটার্ন দাখিল করেছেন তারা এখন জরিমানা ও সুদ ছাড়াই ই-ভ্যাট সিস্টেমে নিজেরাই এন্ট্রি করতে পারবেন। করদাতারা তাদের ই-মেইল ও মোবাইল ফোনে নোটিফিকেশনের মাধ্যমে ই-ভ্যাট সিস্টেমের লিঙ্ক পাবেন। এর মাধ্যমে সহজেই সাব-মডিউল ব্যবহার করতে পারবেন।
আগের দাখিল করা সব হার্ড কপি রিটার্ন করদাতারা আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত কোনো জরিমানা ও সুদ ছাড়া নিজেরাই এন্ট্রি করতে পারবেন। দাখিল করা পেপার রিটার্নগুলো ই-ভ্যাট সিস্টেমে এন্ট্রি করা হলে সব করদাতা নিরবিচ্ছিন্নভাবে তাদের সব ভ্যাট রিটার্ন অনলাইনে দাখিল করতে পারবেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিজেদের সব কার্যক্রম ডিজিটাল করার মাধ্যমে কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনার চলমান উদ্যোগে করাদাতাদের সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছে।



