৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো রিজার্ভ

৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো রিজার্ভ
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২১-২২ অর্থবছরের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ২৮ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার ছিল।
এর অর্থ হলো বর্তমানে বাংলাদেশ পাঁচ মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় পূরণে সক্ষম। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মাসিক আমদানি ব্যয় বর্তমানে ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
২০২১ সালের আগস্টে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিলো। কিন্তু করোনার বিধিনিষেধ ওঠার পর আমদানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে রিজার্ভ কমতে শুরু করে। ২০২৪ সালের মে মাসে এটি ২৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে গেলে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
তবে গত বছরের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়লে রিজার্ভ বাড়তে শুরু করে।
টাকার মান স্থিতিশীল রাখার জন্য আগে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার বিক্রি করতো। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক উল্টো ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনতে শুরু করেছে, যাতে ডলারের দরপতন রোধ করা যায়। এখন পর্যন্ত এই অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩ বিলিয়ন ডলার ক্রয় করেছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর মাসে প্রবাসী আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেড়ে ১৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে রপ্তানি আয়েও সামান্য বৃদ্ধি দেখা গেছে এবং আমদানির গতিও বেড়েছে। যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০২১-২২ অর্থবছরের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ২৮ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার ছিল।
এর অর্থ হলো বর্তমানে বাংলাদেশ পাঁচ মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় পূরণে সক্ষম। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মাসিক আমদানি ব্যয় বর্তমানে ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
২০২১ সালের আগস্টে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিলো। কিন্তু করোনার বিধিনিষেধ ওঠার পর আমদানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে রিজার্ভ কমতে শুরু করে। ২০২৪ সালের মে মাসে এটি ২৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে গেলে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
তবে গত বছরের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়লে রিজার্ভ বাড়তে শুরু করে।
টাকার মান স্থিতিশীল রাখার জন্য আগে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার বিক্রি করতো। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক উল্টো ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনতে শুরু করেছে, যাতে ডলারের দরপতন রোধ করা যায়। এখন পর্যন্ত এই অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩ বিলিয়ন ডলার ক্রয় করেছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর মাসে প্রবাসী আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেড়ে ১৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে রপ্তানি আয়েও সামান্য বৃদ্ধি দেখা গেছে এবং আমদানির গতিও বেড়েছে। যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে।

৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়ালো রিজার্ভ
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২১-২২ অর্থবছরের পর প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে।
বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাবপদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে দেশের ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভ ২৮ দশমিক ৫১ বিলিয়ন ডলার ছিল।
এর অর্থ হলো বর্তমানে বাংলাদেশ পাঁচ মাসের বেশি সময়ের আমদানি ব্যয় পূরণে সক্ষম। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মাসিক আমদানি ব্যয় বর্তমানে ৫ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি।
২০২১ সালের আগস্টে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছিলো। কিন্তু করোনার বিধিনিষেধ ওঠার পর আমদানির চাপ বেড়ে যাওয়ায় এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাবে রিজার্ভ কমতে শুরু করে। ২০২৪ সালের মে মাসে এটি ২৪ বিলিয়ন ডলারে নেমে গেলে বৈদেশিক ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা নিয়ে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়।
তবে গত বছরের আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়লে রিজার্ভ বাড়তে শুরু করে।
টাকার মান স্থিতিশীল রাখার জন্য আগে বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার বিক্রি করতো। তবে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শুরু থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক উল্টো ব্যাংকগুলো থেকে ডলার কিনতে শুরু করেছে, যাতে ডলারের দরপতন রোধ করা যায়। এখন পর্যন্ত এই অর্থবছরে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩ বিলিয়ন ডলার ক্রয় করেছে।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই-নভেম্বর মাসে প্রবাসী আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ শতাংশ বেড়ে ১৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে রপ্তানি আয়েও সামান্য বৃদ্ধি দেখা গেছে এবং আমদানির গতিও বেড়েছে। যার ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি পেয়েছে।




