চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় ৫৮ হাজার মেট্রিক টন মার্কিন ভুট্টা খালাস

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় ৫৮ হাজার মেট্রিক টন মার্কিন ভুট্টা খালাস
সিটিজেন-ডেস্ক

২০১৮ সালের পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা ভুট্টার বড় চালান বাংলাদেশে পৌঁছেছে। বুধবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট এলাকায় চট্টগ্রাম বন্দরের জলযান লাইসেন্স কার্যালয়ের পাশের কর্ণফুলী নদীর ঘাটে ৫৭ হাজার ৮৫৫ মেট্রিক টন ভুট্টার চালান খালাস শুরু হয়।
এ উপলক্ষে ‘দ্য রিটার্ন অব ইউএস কর্ন টু বাংলাদেশ’ শিরোনামে সেখানে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কৃষিবিষয়ক অ্যাটাশে এরিন কোভার্ট।

এই চালানে আনা ভুট্টাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা, নর্থ ডাকোটা ও সাউথ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যে উৎপাদিত। অনুষ্ঠানে এরিন কোভার্ট বলেন, ‘আজকের দিনটি ঐতিহাসিক। দীর্ঘ আট বছর পর আবার যুক্তরাষ্ট্রের ভুট্টা বাংলাদেশে এলো। এই চালানটি একটি সূচনা। ২০২৫–২৬ ফসল মৌসুমে উৎপাদিত এই ভুট্টার মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ মেট্রিক টন ভুট্টা সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।’
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চালানটি ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ভ্যাঙ্কুভার বন্দর থেকে জাহাজযোগে পাঠানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় শস্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড গ্রেইন করপোরেশন (ইউজিসি) এই ভুট্টা রপ্তানি করেছে।
বাংলাদেশের পশুখাদ্য উৎপাদনকারী তিন প্রতিষ্ঠান নাহার অ্যাগ্রো গ্রুপ (১০ হাজার টন), প্যারাগন গ্রুপ (১৯ হাজার টন) এবং নারিশ পোলট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি লিমিটেড (২৯ হাজার টন)– এই চালান আমদানি করেছে।
এমভি বেলটোকিও নামের জাহাজে করে ৩১ ডিসেম্বর কুতুবদিয়ায় পৌঁছায় ভুট্টা। পরে ছোট জাহাজে (লাইটার) করে চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও নোয়াপাড়ার বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো হচ্ছে। বুধবার যে লাইটার থেকে খালাস উদ্বোধন করা হয়, সেখানে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টন ভুট্টা রয়েছে।
নাহার অ্যাগ্রো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিবুর রহমান টুটুল বলেন, ‘বাংলাদেশে ভুট্টার চাহিদার মাত্র ৩০ শতাংশ দেশীয় উৎপাদনে পূরণ হয়। বাকি অংশ আমদানি করতে হয়। আগে ভারত ও ব্রাজিল থেকে বেশি আনা হতো। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার হওয়ায় এখন সেখান থেকেও নিয়মিত আমদানি করব। প্রতি টনের দাম পড়েছে ২৪৬ ডলার।’
অনুষ্ঠানে অন্য দুই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

২০১৮ সালের পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা ভুট্টার বড় চালান বাংলাদেশে পৌঁছেছে। বুধবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট এলাকায় চট্টগ্রাম বন্দরের জলযান লাইসেন্স কার্যালয়ের পাশের কর্ণফুলী নদীর ঘাটে ৫৭ হাজার ৮৫৫ মেট্রিক টন ভুট্টার চালান খালাস শুরু হয়।
এ উপলক্ষে ‘দ্য রিটার্ন অব ইউএস কর্ন টু বাংলাদেশ’ শিরোনামে সেখানে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কৃষিবিষয়ক অ্যাটাশে এরিন কোভার্ট।

এই চালানে আনা ভুট্টাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা, নর্থ ডাকোটা ও সাউথ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যে উৎপাদিত। অনুষ্ঠানে এরিন কোভার্ট বলেন, ‘আজকের দিনটি ঐতিহাসিক। দীর্ঘ আট বছর পর আবার যুক্তরাষ্ট্রের ভুট্টা বাংলাদেশে এলো। এই চালানটি একটি সূচনা। ২০২৫–২৬ ফসল মৌসুমে উৎপাদিত এই ভুট্টার মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ মেট্রিক টন ভুট্টা সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।’
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চালানটি ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ভ্যাঙ্কুভার বন্দর থেকে জাহাজযোগে পাঠানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় শস্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড গ্রেইন করপোরেশন (ইউজিসি) এই ভুট্টা রপ্তানি করেছে।
বাংলাদেশের পশুখাদ্য উৎপাদনকারী তিন প্রতিষ্ঠান নাহার অ্যাগ্রো গ্রুপ (১০ হাজার টন), প্যারাগন গ্রুপ (১৯ হাজার টন) এবং নারিশ পোলট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি লিমিটেড (২৯ হাজার টন)– এই চালান আমদানি করেছে।
এমভি বেলটোকিও নামের জাহাজে করে ৩১ ডিসেম্বর কুতুবদিয়ায় পৌঁছায় ভুট্টা। পরে ছোট জাহাজে (লাইটার) করে চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও নোয়াপাড়ার বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো হচ্ছে। বুধবার যে লাইটার থেকে খালাস উদ্বোধন করা হয়, সেখানে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টন ভুট্টা রয়েছে।
নাহার অ্যাগ্রো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিবুর রহমান টুটুল বলেন, ‘বাংলাদেশে ভুট্টার চাহিদার মাত্র ৩০ শতাংশ দেশীয় উৎপাদনে পূরণ হয়। বাকি অংশ আমদানি করতে হয়। আগে ভারত ও ব্রাজিল থেকে বেশি আনা হতো। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার হওয়ায় এখন সেখান থেকেও নিয়মিত আমদানি করব। প্রতি টনের দাম পড়েছে ২৪৬ ডলার।’
অনুষ্ঠানে অন্য দুই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় ৫৮ হাজার মেট্রিক টন মার্কিন ভুট্টা খালাস
সিটিজেন-ডেস্ক

২০১৮ সালের পর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা ভুট্টার বড় চালান বাংলাদেশে পৌঁছেছে। বুধবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে চট্টগ্রাম নগরীর সদরঘাট এলাকায় চট্টগ্রাম বন্দরের জলযান লাইসেন্স কার্যালয়ের পাশের কর্ণফুলী নদীর ঘাটে ৫৭ হাজার ৮৫৫ মেট্রিক টন ভুট্টার চালান খালাস শুরু হয়।
এ উপলক্ষে ‘দ্য রিটার্ন অব ইউএস কর্ন টু বাংলাদেশ’ শিরোনামে সেখানে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের কৃষিবিষয়ক অ্যাটাশে এরিন কোভার্ট।

এই চালানে আনা ভুট্টাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা, নর্থ ডাকোটা ও সাউথ ডাকোটা অঙ্গরাজ্যে উৎপাদিত। অনুষ্ঠানে এরিন কোভার্ট বলেন, ‘আজকের দিনটি ঐতিহাসিক। দীর্ঘ আট বছর পর আবার যুক্তরাষ্ট্রের ভুট্টা বাংলাদেশে এলো। এই চালানটি একটি সূচনা। ২০২৫–২৬ ফসল মৌসুমে উৎপাদিত এই ভুট্টার মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ মেট্রিক টন ভুট্টা সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।’
যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চালানটি ওয়াশিংটন অঙ্গরাজ্যের ভ্যাঙ্কুভার বন্দর থেকে জাহাজযোগে পাঠানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বড় শস্য রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড গ্রেইন করপোরেশন (ইউজিসি) এই ভুট্টা রপ্তানি করেছে।
বাংলাদেশের পশুখাদ্য উৎপাদনকারী তিন প্রতিষ্ঠান নাহার অ্যাগ্রো গ্রুপ (১০ হাজার টন), প্যারাগন গ্রুপ (১৯ হাজার টন) এবং নারিশ পোলট্রি অ্যান্ড হ্যাচারি লিমিটেড (২৯ হাজার টন)– এই চালান আমদানি করেছে।
এমভি বেলটোকিও নামের জাহাজে করে ৩১ ডিসেম্বর কুতুবদিয়ায় পৌঁছায় ভুট্টা। পরে ছোট জাহাজে (লাইটার) করে চট্টগ্রাম, নারায়ণগঞ্জ ও নোয়াপাড়ার বিভিন্ন গন্তব্যে পাঠানো হচ্ছে। বুধবার যে লাইটার থেকে খালাস উদ্বোধন করা হয়, সেখানে প্রায় ২ হাজার ৫০০ টন ভুট্টা রয়েছে।
নাহার অ্যাগ্রো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রাকিবুর রহমান টুটুল বলেন, ‘বাংলাদেশে ভুট্টার চাহিদার মাত্র ৩০ শতাংশ দেশীয় উৎপাদনে পূরণ হয়। বাকি অংশ আমদানি করতে হয়। আগে ভারত ও ব্রাজিল থেকে বেশি আনা হতো। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার হওয়ায় এখন সেখান থেকেও নিয়মিত আমদানি করব। প্রতি টনের দাম পড়েছে ২৪৬ ডলার।’
অনুষ্ঠানে অন্য দুই আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।



