সৌদি ভিসা জটিলতা নিরসন ও মালয়েশিয়ার ১০ শর্ত প্রত্যাহারের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক

সৌদি ভিসা জটিলতা নিরসন ও মালয়েশিয়ার ১০ শর্ত প্রত্যাহারের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৩: ৪০

মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণ প্রক্রিয়ায় আরোপিত ১০টি ‘অবাস্তব ও সিন্ডিকেটনির্ভর’ শর্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার ও সৌদি আরবে পূর্বের নিয়মে ২৪টি ভিসা পর্যন্ত সত্যায়নবিহীন বহির্গমণ ছাড়পত্র পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে বায়রা সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্ট। সেইসঙ্গে বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা’ প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান বায়রার সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ এইচ সেলিম।
তিনি বলেন, “মালয়েশিয়া শ্রমবাজারে সিন্ডিকেটের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়ের বিষয়টি বহুদিনের সমস্যা। রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের পরও পূর্ববর্তী সরকারের ধারাবাহিকতায় ও কিছু উপদেষ্টার ‘নতজানু ও অপেশাদার’ কূটনৈতিক আচরণের কারণে মালয়েশিয়ার প্রস্তাবিত ১০টি শর্ত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা বাস্তবসম্মত নয় এবং সিন্ডিকেটের স্বার্থ রক্ষাকারী।”
এম এ এইচ সেলিম বলেন, “নেপাল সরকার ইতোমধ্যে এসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করেছে। নেপালের মতো একটি দেশ যদি অযৌক্তিক শর্ত প্রত্যাখ্যান করতে পারে, তবে বাংলাদেশ কেন পারবে না? এসব শর্ত বাস্তবায়িত হলে মাত্র দুই–একটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া অধিকাংশ এজেন্সি শ্রমবাজার থেকে বাদ পড়বে। যা হবে ‘সিন্ডিকেটের আধুনিক সংস্করণ’। এ বিষয়ে আমরা সরকারের উপদেষ্টা মহোদয়ের কাছে লিখিত সুপারিশ দিয়েছি। বৈধ সব রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য শ্রমবাজার উন্মুক্ত করতে পেশাদার কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “বিএমইটি'র বহির্গমণ ছাড়পত্র জটিলতায় সৌদি আরবে জনশক্তি রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেতে শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের জোর দাবি, সরকার যেন পূর্বের ন্যায় ১ থেকে ২৪ পর্যন্ত সত্যায়নবিহীন বহির্গমণ ছাড়পত্র প্রদান সাপেক্ষে সৌদি আরবে জনশক্তি প্রেরণের জটিলতা নিরসন করা হয়।”
বায়রার সাবেক এই সভাপতি অভিযোগ করেন, “আসন্ন বায়রা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিন্ডিকেটচক্রের উদ্দীপনায় সিন্ডিকেটবিরোধী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে। গত ৪ অক্টোবর বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলামসহ দুই এজেন্সি মালিকের নামে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেন রুল ইন্টারন্যাশনালের মালিক রুবেল হোসেন। তিনি আওয়ামী লীগের 'সিন্ডিকেটঘনিষ্ঠ'।”
তিনি বলেন, “মামলার এজাহারে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা কেউই ফখরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠান থেকে মালয়েশিয়া যাননি; বরং গেছেন সিন্ডিকেট-সংশ্লিষ্ট লে. জে. মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী পরিচালিত ‘৫ এম ইন্টারন্যাশনাল’-এর মাধ্যমে। তাই মামলাটি যে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ তা স্পষ্ট।”
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, নির্বাচনের আগে আরও ‘গায়েবি মামলা’ দেওয়া হতে পারে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র রোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান তিনি।

মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণ প্রক্রিয়ায় আরোপিত ১০টি ‘অবাস্তব ও সিন্ডিকেটনির্ভর’ শর্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার ও সৌদি আরবে পূর্বের নিয়মে ২৪টি ভিসা পর্যন্ত সত্যায়নবিহীন বহির্গমণ ছাড়পত্র পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে বায়রা সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্ট। সেইসঙ্গে বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা’ প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান বায়রার সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ এইচ সেলিম।
তিনি বলেন, “মালয়েশিয়া শ্রমবাজারে সিন্ডিকেটের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়ের বিষয়টি বহুদিনের সমস্যা। রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের পরও পূর্ববর্তী সরকারের ধারাবাহিকতায় ও কিছু উপদেষ্টার ‘নতজানু ও অপেশাদার’ কূটনৈতিক আচরণের কারণে মালয়েশিয়ার প্রস্তাবিত ১০টি শর্ত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা বাস্তবসম্মত নয় এবং সিন্ডিকেটের স্বার্থ রক্ষাকারী।”
এম এ এইচ সেলিম বলেন, “নেপাল সরকার ইতোমধ্যে এসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করেছে। নেপালের মতো একটি দেশ যদি অযৌক্তিক শর্ত প্রত্যাখ্যান করতে পারে, তবে বাংলাদেশ কেন পারবে না? এসব শর্ত বাস্তবায়িত হলে মাত্র দুই–একটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া অধিকাংশ এজেন্সি শ্রমবাজার থেকে বাদ পড়বে। যা হবে ‘সিন্ডিকেটের আধুনিক সংস্করণ’। এ বিষয়ে আমরা সরকারের উপদেষ্টা মহোদয়ের কাছে লিখিত সুপারিশ দিয়েছি। বৈধ সব রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য শ্রমবাজার উন্মুক্ত করতে পেশাদার কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “বিএমইটি'র বহির্গমণ ছাড়পত্র জটিলতায় সৌদি আরবে জনশক্তি রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেতে শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের জোর দাবি, সরকার যেন পূর্বের ন্যায় ১ থেকে ২৪ পর্যন্ত সত্যায়নবিহীন বহির্গমণ ছাড়পত্র প্রদান সাপেক্ষে সৌদি আরবে জনশক্তি প্রেরণের জটিলতা নিরসন করা হয়।”
বায়রার সাবেক এই সভাপতি অভিযোগ করেন, “আসন্ন বায়রা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিন্ডিকেটচক্রের উদ্দীপনায় সিন্ডিকেটবিরোধী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে। গত ৪ অক্টোবর বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলামসহ দুই এজেন্সি মালিকের নামে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেন রুল ইন্টারন্যাশনালের মালিক রুবেল হোসেন। তিনি আওয়ামী লীগের 'সিন্ডিকেটঘনিষ্ঠ'।”
তিনি বলেন, “মামলার এজাহারে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা কেউই ফখরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠান থেকে মালয়েশিয়া যাননি; বরং গেছেন সিন্ডিকেট-সংশ্লিষ্ট লে. জে. মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী পরিচালিত ‘৫ এম ইন্টারন্যাশনাল’-এর মাধ্যমে। তাই মামলাটি যে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ তা স্পষ্ট।”
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, নির্বাচনের আগে আরও ‘গায়েবি মামলা’ দেওয়া হতে পারে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র রোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান তিনি।

সৌদি ভিসা জটিলতা নিরসন ও মালয়েশিয়ার ১০ শর্ত প্রত্যাহারের দাবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৩: ৪০

মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণ প্রক্রিয়ায় আরোপিত ১০টি ‘অবাস্তব ও সিন্ডিকেটনির্ভর’ শর্ত অবিলম্বে প্রত্যাহার ও সৌদি আরবে পূর্বের নিয়মে ২৪টি ভিসা পর্যন্ত সত্যায়নবিহীন বহির্গমণ ছাড়পত্র পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছে বায়রা সম্মিলিত সমন্বয় ফ্রন্ট। সেইসঙ্গে বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলামের বিরুদ্ধে দায়ের করা ‘মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা’ প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি জানান বায়রার সাবেক সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা এম এ এইচ সেলিম।
তিনি বলেন, “মালয়েশিয়া শ্রমবাজারে সিন্ডিকেটের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়ের বিষয়টি বহুদিনের সমস্যা। রাজনৈতিক পরিস্থিতি পরিবর্তনের পরও পূর্ববর্তী সরকারের ধারাবাহিকতায় ও কিছু উপদেষ্টার ‘নতজানু ও অপেশাদার’ কূটনৈতিক আচরণের কারণে মালয়েশিয়ার প্রস্তাবিত ১০টি শর্ত রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। যা বাস্তবসম্মত নয় এবং সিন্ডিকেটের স্বার্থ রক্ষাকারী।”
এম এ এইচ সেলিম বলেন, “নেপাল সরকার ইতোমধ্যে এসব শর্ত প্রত্যাখ্যান করেছে। নেপালের মতো একটি দেশ যদি অযৌক্তিক শর্ত প্রত্যাখ্যান করতে পারে, তবে বাংলাদেশ কেন পারবে না? এসব শর্ত বাস্তবায়িত হলে মাত্র দুই–একটি প্রতিষ্ঠান ছাড়া অধিকাংশ এজেন্সি শ্রমবাজার থেকে বাদ পড়বে। যা হবে ‘সিন্ডিকেটের আধুনিক সংস্করণ’। এ বিষয়ে আমরা সরকারের উপদেষ্টা মহোদয়ের কাছে লিখিত সুপারিশ দিয়েছি। বৈধ সব রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য শ্রমবাজার উন্মুক্ত করতে পেশাদার কূটনৈতিক উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছি।”
তিনি আরও বলেন, “বিএমইটি'র বহির্গমণ ছাড়পত্র জটিলতায় সৌদি আরবে জনশক্তি রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেতে শুরু করেছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের জোর দাবি, সরকার যেন পূর্বের ন্যায় ১ থেকে ২৪ পর্যন্ত সত্যায়নবিহীন বহির্গমণ ছাড়পত্র প্রদান সাপেক্ষে সৌদি আরবে জনশক্তি প্রেরণের জটিলতা নিরসন করা হয়।”
বায়রার সাবেক এই সভাপতি অভিযোগ করেন, “আসন্ন বায়রা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিন্ডিকেটচক্রের উদ্দীপনায় সিন্ডিকেটবিরোধী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে। গত ৪ অক্টোবর বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলামসহ দুই এজেন্সি মালিকের নামে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেন রুল ইন্টারন্যাশনালের মালিক রুবেল হোসেন। তিনি আওয়ামী লীগের 'সিন্ডিকেটঘনিষ্ঠ'।”
তিনি বলেন, “মামলার এজাহারে যাঁদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তারা কেউই ফখরুল ইসলামের প্রতিষ্ঠান থেকে মালয়েশিয়া যাননি; বরং গেছেন সিন্ডিকেট-সংশ্লিষ্ট লে. জে. মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী পরিচালিত ‘৫ এম ইন্টারন্যাশনাল’-এর মাধ্যমে। তাই মামলাটি যে ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ তা স্পষ্ট।”
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, নির্বাচনের আগে আরও ‘গায়েবি মামলা’ দেওয়া হতে পারে। এ ধরনের ষড়যন্ত্র রোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান তিনি।




