লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবিতে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু
সিটিজেন ডেস্ক

লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবিতে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু
সিটিজেন-ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০২৫, ১০: ৩১

প্রতি বছর লিবিয়া থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে পাড়ি জমানোর চেষ্টায় হাজারো অভিবাসী প্রাণ হারান, যার মধ্যে বহু বাংলাদেশিও রয়েছেন। এবার লিবিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় আল-খুমস উপকূলে অভিবাসী বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে চারজন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট। নিহত চারজনই বাংলাদেশি নাগরিক।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সিকে সংস্থাটি জানায়, বৃহস্পতিবার(১৩ নভেম্বর) রাতে আল-খুমস উপকূলের কাছে উল্টে যাওয়া দুটি নৌকার খবর পেয়ে উদ্ধারকারীরা সেখানে পৌঁছান। প্রথম নৌকাটিতে ২৬ জন বাংলাদেশি অভিবাসী ছিলেন, যাদের মধ্যে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে দ্বিতীয় নৌকাটিতে মোট ৬৯ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে ৬৭ জন সুদানি নাগরিক, দুইজন মিশরীয় এবং আটজন শিশু ছিল বলে রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে।
জীবিত এবং নিহতদের মৃতদেহ উদ্ধার ও চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য জরুরি দল ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে।
ইউরোপে অবৈধ পথে পৌঁছাতে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার জন্য লিবিয়াকে প্রধান ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে থাকে অনেক অভিবাসী। জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) জানিয়েছে, চলতি বছর মধ্য ভূমধ্যসাগরের কেন্দ্রীয় রুটে প্রাণহানি এরইমধ্যে এক হাজার ছাড়িয়েছে, যা এই পথের চরম বিপদকে তুলে ধরে। অনিয়মিত অভিবাসী প্রবাহ বাড়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে।

প্রতি বছর লিবিয়া থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে পাড়ি জমানোর চেষ্টায় হাজারো অভিবাসী প্রাণ হারান, যার মধ্যে বহু বাংলাদেশিও রয়েছেন। এবার লিবিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় আল-খুমস উপকূলে অভিবাসী বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে চারজন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট। নিহত চারজনই বাংলাদেশি নাগরিক।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সিকে সংস্থাটি জানায়, বৃহস্পতিবার(১৩ নভেম্বর) রাতে আল-খুমস উপকূলের কাছে উল্টে যাওয়া দুটি নৌকার খবর পেয়ে উদ্ধারকারীরা সেখানে পৌঁছান। প্রথম নৌকাটিতে ২৬ জন বাংলাদেশি অভিবাসী ছিলেন, যাদের মধ্যে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে দ্বিতীয় নৌকাটিতে মোট ৬৯ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে ৬৭ জন সুদানি নাগরিক, দুইজন মিশরীয় এবং আটজন শিশু ছিল বলে রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে।
জীবিত এবং নিহতদের মৃতদেহ উদ্ধার ও চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য জরুরি দল ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে।
ইউরোপে অবৈধ পথে পৌঁছাতে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার জন্য লিবিয়াকে প্রধান ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে থাকে অনেক অভিবাসী। জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) জানিয়েছে, চলতি বছর মধ্য ভূমধ্যসাগরের কেন্দ্রীয় রুটে প্রাণহানি এরইমধ্যে এক হাজার ছাড়িয়েছে, যা এই পথের চরম বিপদকে তুলে ধরে। অনিয়মিত অভিবাসী প্রবাহ বাড়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে।

লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবিতে ৪ বাংলাদেশির মৃত্যু
সিটিজেন-ডেস্ক
প্রকাশ : ১৬ নভেম্বর ২০২৫, ১০: ৩১

প্রতি বছর লিবিয়া থেকে সমুদ্রপথে ইউরোপে পাড়ি জমানোর চেষ্টায় হাজারো অভিবাসী প্রাণ হারান, যার মধ্যে বহু বাংলাদেশিও রয়েছেন। এবার লিবিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় আল-খুমস উপকূলে অভিবাসী বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে চারজন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট। নিহত চারজনই বাংলাদেশি নাগরিক।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সিকে সংস্থাটি জানায়, বৃহস্পতিবার(১৩ নভেম্বর) রাতে আল-খুমস উপকূলের কাছে উল্টে যাওয়া দুটি নৌকার খবর পেয়ে উদ্ধারকারীরা সেখানে পৌঁছান। প্রথম নৌকাটিতে ২৬ জন বাংলাদেশি অভিবাসী ছিলেন, যাদের মধ্যে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্যদিকে দ্বিতীয় নৌকাটিতে মোট ৬৯ জন যাত্রী ছিলেন। এর মধ্যে ৬৭ জন সুদানি নাগরিক, দুইজন মিশরীয় এবং আটজন শিশু ছিল বলে রেড ক্রিসেন্ট জানিয়েছে।
জীবিত এবং নিহতদের মৃতদেহ উদ্ধার ও চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য জরুরি দল ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়েছে।
ইউরোপে অবৈধ পথে পৌঁছাতে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার জন্য লিবিয়াকে প্রধান ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে থাকে অনেক অভিবাসী। জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর মাইগ্রেশন (আইওএম) জানিয়েছে, চলতি বছর মধ্য ভূমধ্যসাগরের কেন্দ্রীয় রুটে প্রাণহানি এরইমধ্যে এক হাজার ছাড়িয়েছে, যা এই পথের চরম বিপদকে তুলে ধরে। অনিয়মিত অভিবাসী প্রবাহ বাড়ায় ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর মধ্যেও উদ্বেগ বাড়ছে।




