মাঠ জুড়ে সরিষা ফুলের অপার সৌন্দর্য: বিমোহিত প্রকৃতিপ্রেমীরা

মাঠ জুড়ে সরিষা ফুলের অপার সৌন্দর্য: বিমোহিত প্রকৃতিপ্রেমীরা
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠ, দৃষ্টি জুড়ে হলুদের অপার সৌন্দর্যের সমারোহ। যেদিকে চোখ যায়, শুধুই হলুদ রঙের বিস্তৃতি। মাঠগুলো যেন প্রকৃতির সাজানো হলুদ গালিচায় পরিণত হয়েছে। ফুল আসায় শুরু হয়েছে মৌমাছির গুঞ্জন। যা পুরো এলাকা জুড়েই মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। এমন নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে ভিড় করছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা।
গাইবান্ধার সদর, গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী, সুন্দরগঞ্জসহ বিভিন্ন উপজেলার মাঠে মাঠে সরিষা ফুলের এই সৌন্দর্য চোখে পড়েছে।
গাইবান্ধা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত বছর জেলার সাতটি উপজেলায় সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮ হাজার ২১৫ হেক্টর। এর মধ্যে অর্জিত হয়েছিল ১৬ হাজার ৫৫৪ হেক্টর। এ বছর জেলায় সরিষা চাষে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ হাজার ৩৬৬ হেক্টর। এর মধ্যে অর্জিত হয়েছে ১৭ হাজার ১৯০ হেক্টর।
সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সরিষার সবুজ গাছের ফুলগুলো শীতের সোনাঝরা রোদে যেন ঝিকিমিকি করছে। এ যেন এক অপরূপ সৌন্দর্যের দৃশ্য। দেখে যেন মনে হচ্ছে- প্রকৃতি কন্যা সেজেছে গায়ে হলুদ বরণ মেখে। মৌমাছির গুনগুন শব্দে ফুলের রেণু থেকে মধু সংগ্রহ আর প্রজাপতির এক ফুল থেকে আরেক ফুলে উড়ে বসা- এ যেন মনোমুগ্ধকর এক দৃশ্য। ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে মাঠ জুড়ে ভিড় করছেন বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নানান বয়সের বিনোদন প্রেমীরা। সরিষা ক্ষেত ঘুরে ঘুরে দেখছেন তারা।
কথা হয় দাড়িয়াপুর এলাকা থেকে ঘুরতে আসা মামুন মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সরিষা ফুলের সৌন্দর্য দেখতে আমরা তিন বন্ধু মিলে এসেছি। এখানে আসলেই মন ভালো হয়ে যায়। আড্ডা দিলাম, ছবি তুললাম, খুবই ভালো লাগলো।’
শহরের খানকাহশরিফ থেকে ঘুরতে আসা ওরম ফারুক বলেন, ‘সরিষা ফুল ফোটার পরেই আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে প্রতিদিনেই বিকেলে আসি। জমির আইল দিয়ে হেঁটে বেড়াই অনেক মজা করি। এতে খুবই ভালো লাগে আমাদের সবারই। তাই এ সময়টা খুবই চমৎকার কাটছে আমাদের।’
সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের ফারাজিপাড়া এলাকার কৃষক তারা মিয়া (৫৫) বলেন, ‘সরিষা আবাদে খরচ অনেক কম, কিন্তু দাম যদি ভালো পাওয়া যায় তাহলে আমাদের চাষিদের জন্য ভালো হবে। শেষ পর্যন্ত যদি তেমন কুয়াশা না হয় তাহলে বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’
গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘রোপা আমন এবং বোরো চাষের মধ্যে বত্তি সময় সরিষা চাষে কৃষকদের জন্য খুবই লাভজনক। কৃষকরা সরিষা আবাদ করে আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন, দেশে যে তেলের চাহিদা সেটি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।’

সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠ, দৃষ্টি জুড়ে হলুদের অপার সৌন্দর্যের সমারোহ। যেদিকে চোখ যায়, শুধুই হলুদ রঙের বিস্তৃতি। মাঠগুলো যেন প্রকৃতির সাজানো হলুদ গালিচায় পরিণত হয়েছে। ফুল আসায় শুরু হয়েছে মৌমাছির গুঞ্জন। যা পুরো এলাকা জুড়েই মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। এমন নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে ভিড় করছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা।
গাইবান্ধার সদর, গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী, সুন্দরগঞ্জসহ বিভিন্ন উপজেলার মাঠে মাঠে সরিষা ফুলের এই সৌন্দর্য চোখে পড়েছে।
গাইবান্ধা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত বছর জেলার সাতটি উপজেলায় সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮ হাজার ২১৫ হেক্টর। এর মধ্যে অর্জিত হয়েছিল ১৬ হাজার ৫৫৪ হেক্টর। এ বছর জেলায় সরিষা চাষে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ হাজার ৩৬৬ হেক্টর। এর মধ্যে অর্জিত হয়েছে ১৭ হাজার ১৯০ হেক্টর।
সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সরিষার সবুজ গাছের ফুলগুলো শীতের সোনাঝরা রোদে যেন ঝিকিমিকি করছে। এ যেন এক অপরূপ সৌন্দর্যের দৃশ্য। দেখে যেন মনে হচ্ছে- প্রকৃতি কন্যা সেজেছে গায়ে হলুদ বরণ মেখে। মৌমাছির গুনগুন শব্দে ফুলের রেণু থেকে মধু সংগ্রহ আর প্রজাপতির এক ফুল থেকে আরেক ফুলে উড়ে বসা- এ যেন মনোমুগ্ধকর এক দৃশ্য। ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে মাঠ জুড়ে ভিড় করছেন বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নানান বয়সের বিনোদন প্রেমীরা। সরিষা ক্ষেত ঘুরে ঘুরে দেখছেন তারা।
কথা হয় দাড়িয়াপুর এলাকা থেকে ঘুরতে আসা মামুন মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সরিষা ফুলের সৌন্দর্য দেখতে আমরা তিন বন্ধু মিলে এসেছি। এখানে আসলেই মন ভালো হয়ে যায়। আড্ডা দিলাম, ছবি তুললাম, খুবই ভালো লাগলো।’
শহরের খানকাহশরিফ থেকে ঘুরতে আসা ওরম ফারুক বলেন, ‘সরিষা ফুল ফোটার পরেই আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে প্রতিদিনেই বিকেলে আসি। জমির আইল দিয়ে হেঁটে বেড়াই অনেক মজা করি। এতে খুবই ভালো লাগে আমাদের সবারই। তাই এ সময়টা খুবই চমৎকার কাটছে আমাদের।’
সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের ফারাজিপাড়া এলাকার কৃষক তারা মিয়া (৫৫) বলেন, ‘সরিষা আবাদে খরচ অনেক কম, কিন্তু দাম যদি ভালো পাওয়া যায় তাহলে আমাদের চাষিদের জন্য ভালো হবে। শেষ পর্যন্ত যদি তেমন কুয়াশা না হয় তাহলে বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’
গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘রোপা আমন এবং বোরো চাষের মধ্যে বত্তি সময় সরিষা চাষে কৃষকদের জন্য খুবই লাভজনক। কৃষকরা সরিষা আবাদ করে আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন, দেশে যে তেলের চাহিদা সেটি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।’

মাঠ জুড়ে সরিষা ফুলের অপার সৌন্দর্য: বিমোহিত প্রকৃতিপ্রেমীরা
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

সরিষার হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে ফসলের মাঠ, দৃষ্টি জুড়ে হলুদের অপার সৌন্দর্যের সমারোহ। যেদিকে চোখ যায়, শুধুই হলুদ রঙের বিস্তৃতি। মাঠগুলো যেন প্রকৃতির সাজানো হলুদ গালিচায় পরিণত হয়েছে। ফুল আসায় শুরু হয়েছে মৌমাছির গুঞ্জন। যা পুরো এলাকা জুড়েই মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। এমন নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখতে ভিড় করছেন দূর-দূরান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা।
গাইবান্ধার সদর, গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ী, সুন্দরগঞ্জসহ বিভিন্ন উপজেলার মাঠে মাঠে সরিষা ফুলের এই সৌন্দর্য চোখে পড়েছে।
গাইবান্ধা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, গত বছর জেলার সাতটি উপজেলায় সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮ হাজার ২১৫ হেক্টর। এর মধ্যে অর্জিত হয়েছিল ১৬ হাজার ৫৫৪ হেক্টর। এ বছর জেলায় সরিষা চাষে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৯ হাজার ৩৬৬ হেক্টর। এর মধ্যে অর্জিত হয়েছে ১৭ হাজার ১৯০ হেক্টর।
সরেজমিনে জেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, সরিষার সবুজ গাছের ফুলগুলো শীতের সোনাঝরা রোদে যেন ঝিকিমিকি করছে। এ যেন এক অপরূপ সৌন্দর্যের দৃশ্য। দেখে যেন মনে হচ্ছে- প্রকৃতি কন্যা সেজেছে গায়ে হলুদ বরণ মেখে। মৌমাছির গুনগুন শব্দে ফুলের রেণু থেকে মধু সংগ্রহ আর প্রজাপতির এক ফুল থেকে আরেক ফুলে উড়ে বসা- এ যেন মনোমুগ্ধকর এক দৃশ্য। ফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে মাঠ জুড়ে ভিড় করছেন বিভিন্ন স্থান থেকে আসা নানান বয়সের বিনোদন প্রেমীরা। সরিষা ক্ষেত ঘুরে ঘুরে দেখছেন তারা।
কথা হয় দাড়িয়াপুর এলাকা থেকে ঘুরতে আসা মামুন মিয়ার সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘সরিষা ফুলের সৌন্দর্য দেখতে আমরা তিন বন্ধু মিলে এসেছি। এখানে আসলেই মন ভালো হয়ে যায়। আড্ডা দিলাম, ছবি তুললাম, খুবই ভালো লাগলো।’
শহরের খানকাহশরিফ থেকে ঘুরতে আসা ওরম ফারুক বলেন, ‘সরিষা ফুল ফোটার পরেই আমরা কয়েকজন বন্ধু মিলে প্রতিদিনেই বিকেলে আসি। জমির আইল দিয়ে হেঁটে বেড়াই অনেক মজা করি। এতে খুবই ভালো লাগে আমাদের সবারই। তাই এ সময়টা খুবই চমৎকার কাটছে আমাদের।’
সদর উপজেলার খোলাহাটী ইউনিয়নের ফারাজিপাড়া এলাকার কৃষক তারা মিয়া (৫৫) বলেন, ‘সরিষা আবাদে খরচ অনেক কম, কিন্তু দাম যদি ভালো পাওয়া যায় তাহলে আমাদের চাষিদের জন্য ভালো হবে। শেষ পর্যন্ত যদি তেমন কুয়াশা না হয় তাহলে বাম্পার ফলন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’
গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘রোপা আমন এবং বোরো চাষের মধ্যে বত্তি সময় সরিষা চাষে কৃষকদের জন্য খুবই লাভজনক। কৃষকরা সরিষা আবাদ করে আর্থিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন, দেশে যে তেলের চাহিদা সেটি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।’




