হাফিজ উদ্দিন খানের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক

হাফিজ উদ্দিন খানের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক
নিজস্ব প্রতিবেদক

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও সচিব এম হাফিজ উদ্দিন খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা মরহুমের দীর্ঘ কর্মময় জীবনে রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এম হাফিজ উদ্দিন খান ছিলেন একজন সৎ, প্রজ্ঞাবান ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্রকর্মী। রাষ্ট্রসেবায় তার নিষ্ঠা ও নৈতিক অবস্থান আমাদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি আমার একজন সহপাঠী ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। জীবনের নানা সময়ে তার প্রজ্ঞা, মানবিকতা ও স্পষ্টভাষিতা আমাকে সমৃদ্ধ করেছে। তার মৃত্যুতে আমি একজন বিশ্বস্ত সহকর্মী ও বন্ধুকে হারালাম।’
তিনি আরও বলেন, হাফিজ উদ্দিন খান কর্মজীবনে যে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতা দেখিয়েছেন এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যে ভূমিকা রেখেছেন, তা জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে।
প্রধান উপদেষ্টা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রসঙ্গত, বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকার উত্তরায় ১ নম্বর সেক্টরের নিজ বাড়িতে বাধ্যর্কজনিত কারণে হাফিজ উদ্দিন খান শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮৯ বছর।
এম হাফিজ উদ্দিন খান ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন। ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ, পরিকল্পনাসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ছিলেন।
তিনি সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সাবেক চেয়ারম্যান।
এছাড়াও তিনি বেসিক ব্যাংক লিমিটেড ও রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে এবং অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অবসর গ্রহণের পর থেকে প্রায় ১৫ বছর ধরে উত্তরার বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করছিলেন তিনি।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও সচিব এম হাফিজ উদ্দিন খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা মরহুমের দীর্ঘ কর্মময় জীবনে রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এম হাফিজ উদ্দিন খান ছিলেন একজন সৎ, প্রজ্ঞাবান ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্রকর্মী। রাষ্ট্রসেবায় তার নিষ্ঠা ও নৈতিক অবস্থান আমাদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি আমার একজন সহপাঠী ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। জীবনের নানা সময়ে তার প্রজ্ঞা, মানবিকতা ও স্পষ্টভাষিতা আমাকে সমৃদ্ধ করেছে। তার মৃত্যুতে আমি একজন বিশ্বস্ত সহকর্মী ও বন্ধুকে হারালাম।’
তিনি আরও বলেন, হাফিজ উদ্দিন খান কর্মজীবনে যে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতা দেখিয়েছেন এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যে ভূমিকা রেখেছেন, তা জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে।
প্রধান উপদেষ্টা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রসঙ্গত, বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকার উত্তরায় ১ নম্বর সেক্টরের নিজ বাড়িতে বাধ্যর্কজনিত কারণে হাফিজ উদ্দিন খান শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮৯ বছর।
এম হাফিজ উদ্দিন খান ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন। ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ, পরিকল্পনাসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ছিলেন।
তিনি সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সাবেক চেয়ারম্যান।
এছাড়াও তিনি বেসিক ব্যাংক লিমিটেড ও রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে এবং অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অবসর গ্রহণের পর থেকে প্রায় ১৫ বছর ধরে উত্তরার বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করছিলেন তিনি।

হাফিজ উদ্দিন খানের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক
নিজস্ব প্রতিবেদক

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও সচিব এম হাফিজ উদ্দিন খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
এক শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা মরহুমের দীর্ঘ কর্মময় জীবনে রাষ্ট্র ও জনগণের কল্যাণে তার গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘এম হাফিজ উদ্দিন খান ছিলেন একজন সৎ, প্রজ্ঞাবান ও দায়িত্বশীল রাষ্ট্রকর্মী। রাষ্ট্রসেবায় তার নিষ্ঠা ও নৈতিক অবস্থান আমাদের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘ব্যক্তিগত জীবনেও তিনি আমার একজন সহপাঠী ও ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। জীবনের নানা সময়ে তার প্রজ্ঞা, মানবিকতা ও স্পষ্টভাষিতা আমাকে সমৃদ্ধ করেছে। তার মৃত্যুতে আমি একজন বিশ্বস্ত সহকর্মী ও বন্ধুকে হারালাম।’
তিনি আরও বলেন, হাফিজ উদ্দিন খান কর্মজীবনে যে সততা, নিষ্ঠা ও দক্ষতা দেখিয়েছেন এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য যে ভূমিকা রেখেছেন, তা জাতি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ রাখবে।
প্রধান উপদেষ্টা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
প্রসঙ্গত, বুধবার (২১ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকার উত্তরায় ১ নম্বর সেক্টরের নিজ বাড়িতে বাধ্যর্কজনিত কারণে হাফিজ উদ্দিন খান শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৮৯ বছর।
এম হাফিজ উদ্দিন খান ডাক, তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব ছিলেন। ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ, পরিকল্পনাসহ কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ছিলেন।
তিনি সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)-এর কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সভাপতি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা এবং ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সাবেক চেয়ারম্যান।
এছাড়াও তিনি বেসিক ব্যাংক লিমিটেড ও রূপালী ব্যাংকের পরিচালক হিসেবে এবং অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
অবসর গ্রহণের পর থেকে প্রায় ১৫ বছর ধরে উত্তরার বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে বসবাস করছিলেন তিনি।




