অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে চালু হচ্ছে না থার্ড টার্মিনাল: শেখ বশিরউদ্দীন

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে চালু হচ্ছে না থার্ড টার্মিনাল: শেখ বশিরউদ্দীন
নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর জন্য প্রাণান্ত চেষ্টা করেছি, কিন্তু সেটি সফল হয়নি।
জাপানের প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তবে প্রযুক্তিগত ও পদ্ধতিগত প্রয়োজন পূর্ণ না হওয়ায় এটি সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলেও জানান তিনি।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। সংশোধিত বেসামরিক বিমান চলাচল অধ্যাদেশ-২০২৫ এবং বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ সংশোধন অধ্যাদেশ- ২০২৫ জারি উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে ক্যাটাগরি থ্রি’তে উন্নীত করতে হলে উত্তরার অনেক বাড়িঘর ভাঙতে হবে, যেটি বাস্তবসম্মত নয়। তবে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে ক্যাটাগরি থ্রি’তে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। সেটি করা সম্ভব হলে, আবহাওয়াজনিত কারণে বিমান সেখানে অবতরণ করানো সম্ভব হবে।
অধ্যাদেশ সংশোধন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আশা করি, বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ এবং বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধন অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাজারকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা যাবে। তবে অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন করতে বিধি প্রণয়ন প্রয়োজন। ইতোমধ্যে বিধির খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এটি চূড়ান্ত করা হবে।
উপদেষ্টা বলেন, ‘অধ্যাদেশ দুইটি বাস্তবায়িত হলে বিমানের টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে যে প্রতারণা, হয়রানি হয়ে থাকে সেটি বন্ধ হবে। এসব প্রতারণা বন্ধে অধ্যাদেশে কঠোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর জন্য প্রাণান্ত চেষ্টা করেছি, কিন্তু সেটি সফল হয়নি।
জাপানের প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তবে প্রযুক্তিগত ও পদ্ধতিগত প্রয়োজন পূর্ণ না হওয়ায় এটি সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলেও জানান তিনি।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। সংশোধিত বেসামরিক বিমান চলাচল অধ্যাদেশ-২০২৫ এবং বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ সংশোধন অধ্যাদেশ- ২০২৫ জারি উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে ক্যাটাগরি থ্রি’তে উন্নীত করতে হলে উত্তরার অনেক বাড়িঘর ভাঙতে হবে, যেটি বাস্তবসম্মত নয়। তবে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে ক্যাটাগরি থ্রি’তে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। সেটি করা সম্ভব হলে, আবহাওয়াজনিত কারণে বিমান সেখানে অবতরণ করানো সম্ভব হবে।
অধ্যাদেশ সংশোধন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আশা করি, বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ এবং বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধন অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাজারকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা যাবে। তবে অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন করতে বিধি প্রণয়ন প্রয়োজন। ইতোমধ্যে বিধির খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এটি চূড়ান্ত করা হবে।
উপদেষ্টা বলেন, ‘অধ্যাদেশ দুইটি বাস্তবায়িত হলে বিমানের টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে যে প্রতারণা, হয়রানি হয়ে থাকে সেটি বন্ধ হবে। এসব প্রতারণা বন্ধে অধ্যাদেশে কঠোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে চালু হচ্ছে না থার্ড টার্মিনাল: শেখ বশিরউদ্দীন
নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালু হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। উপদেষ্টা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েই হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর জন্য প্রাণান্ত চেষ্টা করেছি, কিন্তু সেটি সফল হয়নি।
জাপানের প্রধানমন্ত্রীসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তবে প্রযুক্তিগত ও পদ্ধতিগত প্রয়োজন পূর্ণ না হওয়ায় এটি সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সরকার এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলেও জানান তিনি।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এমনটা জানান উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। সংশোধিত বেসামরিক বিমান চলাচল অধ্যাদেশ-২০২৫ এবং বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ সংশোধন অধ্যাদেশ- ২০২৫ জারি উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন উপদেষ্টা বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে ক্যাটাগরি থ্রি’তে উন্নীত করতে হলে উত্তরার অনেক বাড়িঘর ভাঙতে হবে, যেটি বাস্তবসম্মত নয়। তবে কক্সবাজার বিমানবন্দরকে ক্যাটাগরি থ্রি’তে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা আছে। সেটি করা সম্ভব হলে, আবহাওয়াজনিত কারণে বিমান সেখানে অবতরণ করানো সম্ভব হবে।
অধ্যাদেশ সংশোধন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আশা করি, বেসামরিক বিমান চলাচল (সংশোধন) অধ্যাদেশ এবং বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) সংশোধন অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাজারকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনা যাবে। তবে অধ্যাদেশ বাস্তবায়ন করতে বিধি প্রণয়ন প্রয়োজন। ইতোমধ্যে বিধির খসড়া প্রস্তুত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে এটি চূড়ান্ত করা হবে।
উপদেষ্টা বলেন, ‘অধ্যাদেশ দুইটি বাস্তবায়িত হলে বিমানের টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে যে প্রতারণা, হয়রানি হয়ে থাকে সেটি বন্ধ হবে। এসব প্রতারণা বন্ধে অধ্যাদেশে কঠোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’




