সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমছে না

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমছে না
বিশেষ-প্রতিনিধি

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে সরকার। এর ফলে আগের মুনাফাই বহাল থাকছে। ৪ জানুয়ারি রবিবার নতুন মুনাফার হার বাতিল এবং পুরনোটা বহালের প্রজ্ঞাপন জারির জন্য অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগকে (আইআরডি) অনুরোধ করেছে অর্থ বিভাগ। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকরা সদ্যবিদায়ী বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যে হারে মুনাফা পেতেন আগামী ছয় মাস সে হারেই দেওয়া হবে।
গত ২৮ ডিসেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমলো। মুনাফার হার কমায় সাধারণ মধ্যবিত্ত ও সীমিত আয়ের বিনিয়োগকারীরা এতে বিপাকে পড়েন।
জানা গেছে, স্বল্প বিনিয়োগে মুনাফার হার তুলনামূলকভাবে বেশি। আর বেশি পরিমাণ বিনিয়োগে মুনাফার হার কম। সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ পরিমাণ বা এর কম হলে মুনাফার হার বেশি হবে। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হার কমবে।
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন যতো ধরনের সঞ্চয়পত্র রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় পরিবার সঞ্চয়পত্র। এ সঞ্চয়পত্রে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ। বর্তমানে এ দুটি হার বহাল থাকবে।
পেনশনার সঞ্চয়পত্রে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে পাঁচ বছর শেষে মুনাফা ছিল ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ। আর ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ বহাল থাকলো। পাঁচ বছর মেয়াদি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ।
এ ছাড়া তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ বহাল রয়েছে।
দেশে ভোগ্যপণ্যের অস্বাভাবিক দাম বাড়ায় গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। তবে বর্তমানে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও তা ৮-৯ শতাংশের ঘরেই রয়েছে।

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে সরকার। এর ফলে আগের মুনাফাই বহাল থাকছে। ৪ জানুয়ারি রবিবার নতুন মুনাফার হার বাতিল এবং পুরনোটা বহালের প্রজ্ঞাপন জারির জন্য অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগকে (আইআরডি) অনুরোধ করেছে অর্থ বিভাগ। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকরা সদ্যবিদায়ী বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যে হারে মুনাফা পেতেন আগামী ছয় মাস সে হারেই দেওয়া হবে।
গত ২৮ ডিসেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমলো। মুনাফার হার কমায় সাধারণ মধ্যবিত্ত ও সীমিত আয়ের বিনিয়োগকারীরা এতে বিপাকে পড়েন।
জানা গেছে, স্বল্প বিনিয়োগে মুনাফার হার তুলনামূলকভাবে বেশি। আর বেশি পরিমাণ বিনিয়োগে মুনাফার হার কম। সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ পরিমাণ বা এর কম হলে মুনাফার হার বেশি হবে। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হার কমবে।
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন যতো ধরনের সঞ্চয়পত্র রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় পরিবার সঞ্চয়পত্র। এ সঞ্চয়পত্রে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ। বর্তমানে এ দুটি হার বহাল থাকবে।
পেনশনার সঞ্চয়পত্রে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে পাঁচ বছর শেষে মুনাফা ছিল ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ। আর ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ বহাল থাকলো। পাঁচ বছর মেয়াদি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ।
এ ছাড়া তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ বহাল রয়েছে।
দেশে ভোগ্যপণ্যের অস্বাভাবিক দাম বাড়ায় গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। তবে বর্তমানে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও তা ৮-৯ শতাংশের ঘরেই রয়েছে।

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমছে না
বিশেষ-প্রতিনিধি

সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমানোর সিদ্ধান্ত বাতিল করেছে সরকার। এর ফলে আগের মুনাফাই বহাল থাকছে। ৪ জানুয়ারি রবিবার নতুন মুনাফার হার বাতিল এবং পুরনোটা বহালের প্রজ্ঞাপন জারির জন্য অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগকে (আইআরডি) অনুরোধ করেছে অর্থ বিভাগ। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, সঞ্চয়পত্রের গ্রাহকরা সদ্যবিদায়ী বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যে হারে মুনাফা পেতেন আগামী ছয় মাস সে হারেই দেওয়া হবে।
গত ২৮ ডিসেম্বর এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সব ধরনের সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার কমলো। মুনাফার হার কমায় সাধারণ মধ্যবিত্ত ও সীমিত আয়ের বিনিয়োগকারীরা এতে বিপাকে পড়েন।
জানা গেছে, স্বল্প বিনিয়োগে মুনাফার হার তুলনামূলকভাবে বেশি। আর বেশি পরিমাণ বিনিয়োগে মুনাফার হার কম। সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এ পরিমাণ বা এর কম হলে মুনাফার হার বেশি হবে। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে মুনাফার হার কমবে।
জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণাধীন যতো ধরনের সঞ্চয়পত্র রয়েছে, তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় পরিবার সঞ্চয়পত্র। এ সঞ্চয়পত্রে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে পাঁচ বছরের মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ। আর ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ। বর্তমানে এ দুটি হার বহাল থাকবে।
পেনশনার সঞ্চয়পত্রে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে পাঁচ বছর শেষে মুনাফা ছিল ১১ দশমিক ৯৮ শতাংশ। আর ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ বহাল থাকলো। পাঁচ বছর মেয়াদি ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্রের মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ছিল ১১ দশমিক ৮০ শতাংশ।
এ ছাড়া তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রে ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার কম বিনিয়োগে মেয়াদ পূর্তিতে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ এবং ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকার বেশি বিনিয়োগে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ বহাল রয়েছে।
দেশে ভোগ্যপণ্যের অস্বাভাবিক দাম বাড়ায় গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতি বিরাজ করছে। তবে বর্তমানে মূল্যস্ফীতি কিছুটা কমলেও তা ৮-৯ শতাংশের ঘরেই রয়েছে।




