সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ও তার পরিবারের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ

সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ও তার পরিবারের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যসহ, শ্যালক হাফিজুর রহমান ও শ্যালিকা পারভীন সুলতানার নামে থাকা ২২ কোটি ৬৫ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩০ টাকার সম্পদ জব্দের আদেশও দেওয়া হয়েছে। দুদকের আলাদা দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন। দুদকের পক্ষে সংস্থার সহকারী পরিচালক আলিয়াজ হোসেন আবেদন দুটি করেন।
একইসঙ্গে আছাদুজ্জামান মিয়া, তার স্ত্রী আফরোজা জামান, দুই ছেলে আসিফ শাহাদাৎ ও আসিফ মাহদিন এবং মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
আসাদুজ্জামানের জব্দ হওয়া সম্পদের মধ্যে গুলশানের জোয়ার সাহারায় ১০ কাঠা জমির উপর ৬ তলা আবাসিক ভবন, ধানমন্ডি ও গুলশানে একটি করে ফ্ল্যাট, পূর্বাচলে জমি, আফতাব নগরে ৬ কাঠা জমি। এছাড়া গাজীপুর, ফরিদপুর ও নারায়ণগঞ্জেও জমি রয়েছে। এসব সম্পত্তির মূল্য দেখানো হয়েছে ২২ কোটি ৬৫ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩০ টাকা।
সম্পদ জব্দের আবেদনে বলা হয়, ‘আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবার এবং অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জন সংক্রান্ত অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট অনুসন্ধানকারী টিম নিয়োগ করা হয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অবৈধ পন্থায় অর্জিত সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার প্রচেষ্টায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।’
দুদক মনে করছে অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অবিলম্বে আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবার এবং তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এসব স্থাবর সম্পদ জব্দ করা প্রয়োজন।
২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর মহাখালী ফ্লাইওভার এলাকা থেকে আছাদুজ্জামান মিয়াকে আটক করে র্যাব। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। আছাদুজ্জামানের সম্পদের তথ্য নিয়ে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে দেশের একটি শীর্ষ স্থানীয় গণমাধ্যম।
আছাদুজ্জামান মিয়া ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ডিএমপি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তাকে জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগ দেয় সরকার। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়।

দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যসহ, শ্যালক হাফিজুর রহমান ও শ্যালিকা পারভীন সুলতানার নামে থাকা ২২ কোটি ৬৫ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩০ টাকার সম্পদ জব্দের আদেশও দেওয়া হয়েছে। দুদকের আলাদা দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন। দুদকের পক্ষে সংস্থার সহকারী পরিচালক আলিয়াজ হোসেন আবেদন দুটি করেন।
একইসঙ্গে আছাদুজ্জামান মিয়া, তার স্ত্রী আফরোজা জামান, দুই ছেলে আসিফ শাহাদাৎ ও আসিফ মাহদিন এবং মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
আসাদুজ্জামানের জব্দ হওয়া সম্পদের মধ্যে গুলশানের জোয়ার সাহারায় ১০ কাঠা জমির উপর ৬ তলা আবাসিক ভবন, ধানমন্ডি ও গুলশানে একটি করে ফ্ল্যাট, পূর্বাচলে জমি, আফতাব নগরে ৬ কাঠা জমি। এছাড়া গাজীপুর, ফরিদপুর ও নারায়ণগঞ্জেও জমি রয়েছে। এসব সম্পত্তির মূল্য দেখানো হয়েছে ২২ কোটি ৬৫ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩০ টাকা।
সম্পদ জব্দের আবেদনে বলা হয়, ‘আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবার এবং অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জন সংক্রান্ত অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট অনুসন্ধানকারী টিম নিয়োগ করা হয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অবৈধ পন্থায় অর্জিত সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার প্রচেষ্টায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।’
দুদক মনে করছে অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অবিলম্বে আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবার এবং তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এসব স্থাবর সম্পদ জব্দ করা প্রয়োজন।
২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর মহাখালী ফ্লাইওভার এলাকা থেকে আছাদুজ্জামান মিয়াকে আটক করে র্যাব। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। আছাদুজ্জামানের সম্পদের তথ্য নিয়ে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে দেশের একটি শীর্ষ স্থানীয় গণমাধ্যম।
আছাদুজ্জামান মিয়া ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ডিএমপি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তাকে জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগ দেয় সরকার। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়।

সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান ও তার পরিবারের সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্নীতির অভিযোগে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবারের সদস্যসহ, শ্যালক হাফিজুর রহমান ও শ্যালিকা পারভীন সুলতানার নামে থাকা ২২ কোটি ৬৫ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩০ টাকার সম্পদ জব্দের আদেশও দেওয়া হয়েছে। দুদকের আলাদা দুটি আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রবিবার (২৫ জানুয়ারি) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. সাব্বির ফয়েজের আদালত এই আদেশ দেন। দুদকের পক্ষে সংস্থার সহকারী পরিচালক আলিয়াজ হোসেন আবেদন দুটি করেন।
একইসঙ্গে আছাদুজ্জামান মিয়া, তার স্ত্রী আফরোজা জামান, দুই ছেলে আসিফ শাহাদাৎ ও আসিফ মাহদিন এবং মেয়ে আয়েশা সিদ্দিকার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
আসাদুজ্জামানের জব্দ হওয়া সম্পদের মধ্যে গুলশানের জোয়ার সাহারায় ১০ কাঠা জমির উপর ৬ তলা আবাসিক ভবন, ধানমন্ডি ও গুলশানে একটি করে ফ্ল্যাট, পূর্বাচলে জমি, আফতাব নগরে ৬ কাঠা জমি। এছাড়া গাজীপুর, ফরিদপুর ও নারায়ণগঞ্জেও জমি রয়েছে। এসব সম্পত্তির মূল্য দেখানো হয়েছে ২২ কোটি ৬৫ লাখ ৫৩ হাজার ৩৩০ টাকা।
সম্পদ জব্দের আবেদনে বলা হয়, ‘আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবার এবং অন্যান্য আত্মীয়-স্বজনদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত সম্পদ অর্জন সংক্রান্ত অভিযোগ অনুসন্ধানের জন্য তিন সদস্য বিশিষ্ট অনুসন্ধানকারী টিম নিয়োগ করা হয়েছে। অভিযোগ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অবৈধ পন্থায় অর্জিত সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাত করার প্রচেষ্টায় রয়েছেন বলে জানা গেছে।’
দুদক মনে করছে অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে অবিলম্বে আছাদুজ্জামান মিয়া ও তার পরিবার এবং তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এসব স্থাবর সম্পদ জব্দ করা প্রয়োজন।
২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর মহাখালী ফ্লাইওভার এলাকা থেকে আছাদুজ্জামান মিয়াকে আটক করে র্যাব। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন। আছাদুজ্জামানের সম্পদের তথ্য নিয়ে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশ করে দেশের একটি শীর্ষ স্থানীয় গণমাধ্যম।
আছাদুজ্জামান মিয়া ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ডিএমপি কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তাকে জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত সেলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে নিয়োগ দেয় সরকার। ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে তার চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়।




