ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপ চায় না ফ্রান্স

ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপ চায় না ফ্রান্স
সিটিজেন-ডেস্ক

ইরানের সাম্প্রতিক বিক্ষোভ দমন ও হাজারো মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপে ফ্রান্সের কোনো অগ্রাধিকার নেই। ফ্রান্সের সশস্ত্র বাহিনীবিষয়ক মন্ত্রী অ্যালিস রুফো এ মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
স্থানীয় সময় রবিবার (২৫ জানুয়ারি) ফরাসি রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ‘লে গ্রঁ জুরিতে’ অংশ নিয়ে অ্যালিস রুফো বলেছেন, আমার মনে হয়, ইরানের জনগণকে যেভাবে সম্ভব সমর্থন করা উচিত। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ ফ্রান্সের পছন্দনীয় বিকল্প নয়। এই শাসনব্যবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ইরানি জনগণকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
ইরানে ইন্টারনেট শাটডাউনের কারণে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর বিক্ষোভ দমনের সময় সংঘটিত ‘গণ-অপরাধ’ নথিভুক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন রুফো। ৮ জানুয়ারি থেকে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট কার্যত বন্ধ থাকায় ৯ কোটিরও বেশি মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলেছে, ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের আড়ালে নিরাপত্তা বাহিনী সহিংস দমন অভিযান চালিয়েছে, যার সময় কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস জানায়, দেশটির সাম্প্রতিক বিক্ষোভে প্রাণহানির সংখ্যা ২৫ হাজার ছাড়াতে পারে।
অন্যদিকে ইরান সরকার দাবি করেছে, বিক্ষোভ-সহিংসতায় ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ২ হাজার ৪২৭ জনকে ‘শহীদ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যারা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং নিরীহ পথচারী। বাকি নিহতদের ‘দাঙ্গাবাজ’ হিসেবে অভিহিত করেছে দেশটির সরকার। তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্ররোচনায় সহিংসতায় জড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
ফ্রান্সের সশস্ত্র বাহিনীবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ইরানি জনগণ তাদের শাসকগোষ্ঠীকে প্রত্যাখ্যান করছে। ইরানের জনগণের ভবিষ্যৎ ইরানিদের হাতেই। আমাদের পক্ষে তাদের নেতা বেছে দেওয়া ঠিক নয়।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভ দমনের প্রতিক্রিয়ায় একাধিকবার ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছে। যদিও পরে তিনি সুর নরম করেন। তেহরান পরিকল্পিত মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করেছে বলে জানানো হলে অবস্থান কিছুটা বদলান তিনি। তবে এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছেন ট্রাম্প।
গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানে অর্থনৈতিক দাবিদাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। তবে ধীরে ধীরে এটি গণআন্দোলনে রূপ নেয়। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ক্ষমতায় থাকা ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠীকে উৎখাতের দাবি নিয়ে এটিই সবচেয়ে বড় আন্দোলন।
সূত্র: এএফপি

ইরানের সাম্প্রতিক বিক্ষোভ দমন ও হাজারো মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপে ফ্রান্সের কোনো অগ্রাধিকার নেই। ফ্রান্সের সশস্ত্র বাহিনীবিষয়ক মন্ত্রী অ্যালিস রুফো এ মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
স্থানীয় সময় রবিবার (২৫ জানুয়ারি) ফরাসি রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ‘লে গ্রঁ জুরিতে’ অংশ নিয়ে অ্যালিস রুফো বলেছেন, আমার মনে হয়, ইরানের জনগণকে যেভাবে সম্ভব সমর্থন করা উচিত। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ ফ্রান্সের পছন্দনীয় বিকল্প নয়। এই শাসনব্যবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ইরানি জনগণকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
ইরানে ইন্টারনেট শাটডাউনের কারণে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর বিক্ষোভ দমনের সময় সংঘটিত ‘গণ-অপরাধ’ নথিভুক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন রুফো। ৮ জানুয়ারি থেকে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট কার্যত বন্ধ থাকায় ৯ কোটিরও বেশি মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলেছে, ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের আড়ালে নিরাপত্তা বাহিনী সহিংস দমন অভিযান চালিয়েছে, যার সময় কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস জানায়, দেশটির সাম্প্রতিক বিক্ষোভে প্রাণহানির সংখ্যা ২৫ হাজার ছাড়াতে পারে।
অন্যদিকে ইরান সরকার দাবি করেছে, বিক্ষোভ-সহিংসতায় ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ২ হাজার ৪২৭ জনকে ‘শহীদ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যারা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং নিরীহ পথচারী। বাকি নিহতদের ‘দাঙ্গাবাজ’ হিসেবে অভিহিত করেছে দেশটির সরকার। তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্ররোচনায় সহিংসতায় জড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
ফ্রান্সের সশস্ত্র বাহিনীবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ইরানি জনগণ তাদের শাসকগোষ্ঠীকে প্রত্যাখ্যান করছে। ইরানের জনগণের ভবিষ্যৎ ইরানিদের হাতেই। আমাদের পক্ষে তাদের নেতা বেছে দেওয়া ঠিক নয়।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভ দমনের প্রতিক্রিয়ায় একাধিকবার ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছে। যদিও পরে তিনি সুর নরম করেন। তেহরান পরিকল্পিত মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করেছে বলে জানানো হলে অবস্থান কিছুটা বদলান তিনি। তবে এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছেন ট্রাম্প।
গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানে অর্থনৈতিক দাবিদাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। তবে ধীরে ধীরে এটি গণআন্দোলনে রূপ নেয়। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ক্ষমতায় থাকা ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠীকে উৎখাতের দাবি নিয়ে এটিই সবচেয়ে বড় আন্দোলন।
সূত্র: এএফপি

ইরানে সামরিক হস্তক্ষেপ চায় না ফ্রান্স
সিটিজেন-ডেস্ক

ইরানের সাম্প্রতিক বিক্ষোভ দমন ও হাজারো মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপে ফ্রান্সের কোনো অগ্রাধিকার নেই। ফ্রান্সের সশস্ত্র বাহিনীবিষয়ক মন্ত্রী অ্যালিস রুফো এ মন্তব্য করেছেন বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
স্থানীয় সময় রবিবার (২৫ জানুয়ারি) ফরাসি রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ‘লে গ্রঁ জুরিতে’ অংশ নিয়ে অ্যালিস রুফো বলেছেন, আমার মনে হয়, ইরানের জনগণকে যেভাবে সম্ভব সমর্থন করা উচিত। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দেশটিতে সামরিক হস্তক্ষেপ ফ্রান্সের পছন্দনীয় বিকল্প নয়। এই শাসনব্যবস্থা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ইরানি জনগণকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
ইরানে ইন্টারনেট শাটডাউনের কারণে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর বিক্ষোভ দমনের সময় সংঘটিত ‘গণ-অপরাধ’ নথিভুক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছেন রুফো। ৮ জানুয়ারি থেকে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট কার্যত বন্ধ থাকায় ৯ কোটিরও বেশি মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলেছে, ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের আড়ালে নিরাপত্তা বাহিনী সহিংস দমন অভিযান চালিয়েছে, যার সময় কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। নরওয়েভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস জানায়, দেশটির সাম্প্রতিক বিক্ষোভে প্রাণহানির সংখ্যা ২৫ হাজার ছাড়াতে পারে।
অন্যদিকে ইরান সরকার দাবি করেছে, বিক্ষোভ-সহিংসতায় ৩ হাজার ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ২ হাজার ৪২৭ জনকে ‘শহীদ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যারা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং নিরীহ পথচারী। বাকি নিহতদের ‘দাঙ্গাবাজ’ হিসেবে অভিহিত করেছে দেশটির সরকার। তাদের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের প্ররোচনায় সহিংসতায় জড়ানোর অভিযোগ আনা হয়েছে।
ফ্রান্সের সশস্ত্র বাহিনীবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, ইরানি জনগণ তাদের শাসকগোষ্ঠীকে প্রত্যাখ্যান করছে। ইরানের জনগণের ভবিষ্যৎ ইরানিদের হাতেই। আমাদের পক্ষে তাদের নেতা বেছে দেওয়া ঠিক নয়।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভ দমনের প্রতিক্রিয়ায় একাধিকবার ইরানে সামরিক হামলার হুমকি দিয়েছে। যদিও পরে তিনি সুর নরম করেন। তেহরান পরিকল্পিত মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করেছে বলে জানানো হলে অবস্থান কিছুটা বদলান তিনি। তবে এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়েছেন ট্রাম্প।
গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানে অর্থনৈতিক দাবিদাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। তবে ধীরে ধীরে এটি গণআন্দোলনে রূপ নেয়। ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর ক্ষমতায় থাকা ধর্মীয় শাসকগোষ্ঠীকে উৎখাতের দাবি নিয়ে এটিই সবচেয়ে বড় আন্দোলন।
সূত্র: এএফপি




