চাল আমদানিতে প্রভাব পড়বে না, প্রত্যাশা খাদ্য উপদেষ্টার

চাল আমদানিতে প্রভাব পড়বে না, প্রত্যাশা খাদ্য উপদেষ্টার
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারত থেকে চাল বা অন্যান্য খাদ্যপণ্য আমদানি করা সরকারের কাছে রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাজারের প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হয় বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। রবিবার (৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় এমনটি বলেন খাদ্য উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা বলেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ খাদ্য সংগ্রহ অভিযান চলমান আছে। আমাদের মিনিমাম টার্গেট ছিল—ধান সংগ্রহ করতে হবে ৫০ হাজার টন, সেদ্ধ চাল সংগ্রহ হবে ৬ লাখ টন এবং আতপ চাল সংগ্রহ করা হবে ৫৭ হাজার টন। এই টার্গেটের মধ্যে আমরা আমাদের লক্ষ্য অতিক্রম করেছি। আমরা ১ লাখ ৩১ হাজার টন ধান, ৭ লাখ ৩২ হাজার টন সিদ্ধ চাল এবং ৫৭ হাজার ৫৯৬ টন আতপ চাল সংগ্রহ করেছি। আল্লাহর রহমতে আমাদের খাদ্য পরিস্থিতি সন্তোষজনক।
তিনি আরও বলেন, কৃষি সবসময় প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। সামনে বড় ফসলগুলোর উৎপাদন ভালো হলে এই বছর আমরা খুব ভালোভাবে কাটাতে পারবো।
ভারতের সঙ্গে বর্তমান কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে চাল আমদানিতে প্রভাব পড়তে পারে কি না, এমন প্রশ্নে উপদেষ্টা বলেন, বাণিজ্যের সঙ্গে রাজনৈতিক ইস্যু একত্রিত করা যাবে না। ভারত থেকে আমরা টাকা দিয়ে চাল ক্রয় করি এবং তারা বাজারে বিক্রি করে। বাজার ক্রেতা ও বিক্রেতার ওপর নির্ভরশীল। প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতেই তারা বিক্রি করে এবং আমরা ক্রয় করি। তাই ভারত থেকে চাল বা অন্যান্য পণ্য আমদানি আমরা রাজনৈতিকভাবে দেখি না, বরং এটি বাজারের মেকানিজম হিসেবে দেখি।
চালের বাজার মূল্য নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, বাজারে বিভিন্ন ধরনের চাল আছে, তাই কোনটির দাম নির্ধারণ করবেন তা স্পষ্ট নয়। বরং আমাদের সাপ্লাই চেইন সচল এবং সমৃদ্ধ রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

ভারত থেকে চাল বা অন্যান্য খাদ্যপণ্য আমদানি করা সরকারের কাছে রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাজারের প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হয় বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। রবিবার (৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় এমনটি বলেন খাদ্য উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা বলেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ খাদ্য সংগ্রহ অভিযান চলমান আছে। আমাদের মিনিমাম টার্গেট ছিল—ধান সংগ্রহ করতে হবে ৫০ হাজার টন, সেদ্ধ চাল সংগ্রহ হবে ৬ লাখ টন এবং আতপ চাল সংগ্রহ করা হবে ৫৭ হাজার টন। এই টার্গেটের মধ্যে আমরা আমাদের লক্ষ্য অতিক্রম করেছি। আমরা ১ লাখ ৩১ হাজার টন ধান, ৭ লাখ ৩২ হাজার টন সিদ্ধ চাল এবং ৫৭ হাজার ৫৯৬ টন আতপ চাল সংগ্রহ করেছি। আল্লাহর রহমতে আমাদের খাদ্য পরিস্থিতি সন্তোষজনক।
তিনি আরও বলেন, কৃষি সবসময় প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। সামনে বড় ফসলগুলোর উৎপাদন ভালো হলে এই বছর আমরা খুব ভালোভাবে কাটাতে পারবো।
ভারতের সঙ্গে বর্তমান কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে চাল আমদানিতে প্রভাব পড়তে পারে কি না, এমন প্রশ্নে উপদেষ্টা বলেন, বাণিজ্যের সঙ্গে রাজনৈতিক ইস্যু একত্রিত করা যাবে না। ভারত থেকে আমরা টাকা দিয়ে চাল ক্রয় করি এবং তারা বাজারে বিক্রি করে। বাজার ক্রেতা ও বিক্রেতার ওপর নির্ভরশীল। প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতেই তারা বিক্রি করে এবং আমরা ক্রয় করি। তাই ভারত থেকে চাল বা অন্যান্য পণ্য আমদানি আমরা রাজনৈতিকভাবে দেখি না, বরং এটি বাজারের মেকানিজম হিসেবে দেখি।
চালের বাজার মূল্য নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, বাজারে বিভিন্ন ধরনের চাল আছে, তাই কোনটির দাম নির্ধারণ করবেন তা স্পষ্ট নয়। বরং আমাদের সাপ্লাই চেইন সচল এবং সমৃদ্ধ রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

চাল আমদানিতে প্রভাব পড়বে না, প্রত্যাশা খাদ্য উপদেষ্টার
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারত থেকে চাল বা অন্যান্য খাদ্যপণ্য আমদানি করা সরকারের কাছে রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাজারের প্রক্রিয়া হিসেবে দেখা হয় বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার। রবিবার (৪ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে দেশের খাদ্য পরিস্থিতি নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা সভায় এমনটি বলেন খাদ্য উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা বলেন, আমাদের অভ্যন্তরীণ খাদ্য সংগ্রহ অভিযান চলমান আছে। আমাদের মিনিমাম টার্গেট ছিল—ধান সংগ্রহ করতে হবে ৫০ হাজার টন, সেদ্ধ চাল সংগ্রহ হবে ৬ লাখ টন এবং আতপ চাল সংগ্রহ করা হবে ৫৭ হাজার টন। এই টার্গেটের মধ্যে আমরা আমাদের লক্ষ্য অতিক্রম করেছি। আমরা ১ লাখ ৩১ হাজার টন ধান, ৭ লাখ ৩২ হাজার টন সিদ্ধ চাল এবং ৫৭ হাজার ৫৯৬ টন আতপ চাল সংগ্রহ করেছি। আল্লাহর রহমতে আমাদের খাদ্য পরিস্থিতি সন্তোষজনক।
তিনি আরও বলেন, কৃষি সবসময় প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। সামনে বড় ফসলগুলোর উৎপাদন ভালো হলে এই বছর আমরা খুব ভালোভাবে কাটাতে পারবো।
ভারতের সঙ্গে বর্তমান কূটনৈতিক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে চাল আমদানিতে প্রভাব পড়তে পারে কি না, এমন প্রশ্নে উপদেষ্টা বলেন, বাণিজ্যের সঙ্গে রাজনৈতিক ইস্যু একত্রিত করা যাবে না। ভারত থেকে আমরা টাকা দিয়ে চাল ক্রয় করি এবং তারা বাজারে বিক্রি করে। বাজার ক্রেতা ও বিক্রেতার ওপর নির্ভরশীল। প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতেই তারা বিক্রি করে এবং আমরা ক্রয় করি। তাই ভারত থেকে চাল বা অন্যান্য পণ্য আমদানি আমরা রাজনৈতিকভাবে দেখি না, বরং এটি বাজারের মেকানিজম হিসেবে দেখি।
চালের বাজার মূল্য নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে খাদ্য উপদেষ্টা বলেন, বাজারে বিভিন্ন ধরনের চাল আছে, তাই কোনটির দাম নির্ধারণ করবেন তা স্পষ্ট নয়। বরং আমাদের সাপ্লাই চেইন সচল এবং সমৃদ্ধ রাখা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।




