সাংবাদিকদের উপরে রেখে ভবনে আগুন মধ্যযুগীয় বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ: নূরুল কবীর

সাংবাদিকদের উপরে রেখে ভবনে আগুন মধ্যযুগীয় বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ: নূরুল কবীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণমাধ্যমে ওপর হামলা মধ্যযুগীয় বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভাপতি এবং ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘গণমাধ্যম সম্মিলন-২০২৬’-এর সূচনা বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নূরুল কবীর বলেন, 'পৃথিবীর সভ্যতা বিকাশের এই পর্যায়ে, কতগুলো সাংবাদিককে উপরে রেখে, চারদিকে আগুন দিয়ে, দমকল বাহিনী আসলে বাধা দেওয়ার অর্থ হচ্ছে, তাদের জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলার মধ্যযুগীয় একটা বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ।'
তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম ব্যক্তিরা এই হামলার ঘটনাকে সমর্থনের সুযোগ নেই। কারও সমর্থন আছে কি নেই সেটার সঙ্গে এই ঘটনার সম্পর্ক নেই। বরং এমন পরিস্থিতিতে সব গণমাধ্যম সমানভাবে হুমকির মুখে আছে।’ তিনি আরও বলেন, 'আজকে এটার মধ্যে হয়েছে কালকে আপনারটার মধ্যে হবে। পরশুদিন আরেকটার মধ্যে হবে।'
নিউ এজ সম্পাদক বলেন, ‘এ ঘটনায় যারা ছিলেন, তারা জুলাইয়ের মূল চেতনা, জুলাইয়ের গণতান্ত্রিক চেতনাকে ধ্বংস করবার চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছিলেন।’
তিনি বলেন, 'সমাজে ভিন্ন মত থাকবে, ভিন্ন কণ্ঠ থাকবে, ভিন্ন ভিন্নভাবে মানুষ কথা বলবে। এই বৈচিত্র্য জারি রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।'
নূরুল কবীর বলেন, ‘সংবাদপত্র যদি সচল না থাকে, সক্রিয় না থাকে, গণমাধ্যম যদি উচ্চকণ্ঠ না হতে পারে, তবে গোটা সমাজের মধ্যে নানা ধরনের অধিকার ব্যাহত হতে বাধ্য। ফলে যে কোনো দেশে গণমাধ্যমের বিকাশ এবং সেই সমাজের সার্বিক গণতান্ত্রিক বিকাশ একে অন্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকে।’
এর আগে আজ সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে গণমাধ্যম সম্মিলন শুরু হয়। সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এবং সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ যৌথভাবে এ সম্মিলনের আয়োজন করেছে।
নোয়াব ও সম্পাদক পরিষদের সদস্যদের পাশাপাশি অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার, জাতীয় প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ডিপ্লোমেটিক করেসপনডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম, ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন, ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা এবং ঢাকার বাইরে কর্মরত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের সম্পাদক-প্রকাশকরাও সম্মিলনে অংশগ্রহণ করেছেন।

গণমাধ্যমে ওপর হামলা মধ্যযুগীয় বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভাপতি এবং ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘গণমাধ্যম সম্মিলন-২০২৬’-এর সূচনা বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নূরুল কবীর বলেন, 'পৃথিবীর সভ্যতা বিকাশের এই পর্যায়ে, কতগুলো সাংবাদিককে উপরে রেখে, চারদিকে আগুন দিয়ে, দমকল বাহিনী আসলে বাধা দেওয়ার অর্থ হচ্ছে, তাদের জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলার মধ্যযুগীয় একটা বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ।'
তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম ব্যক্তিরা এই হামলার ঘটনাকে সমর্থনের সুযোগ নেই। কারও সমর্থন আছে কি নেই সেটার সঙ্গে এই ঘটনার সম্পর্ক নেই। বরং এমন পরিস্থিতিতে সব গণমাধ্যম সমানভাবে হুমকির মুখে আছে।’ তিনি আরও বলেন, 'আজকে এটার মধ্যে হয়েছে কালকে আপনারটার মধ্যে হবে। পরশুদিন আরেকটার মধ্যে হবে।'
নিউ এজ সম্পাদক বলেন, ‘এ ঘটনায় যারা ছিলেন, তারা জুলাইয়ের মূল চেতনা, জুলাইয়ের গণতান্ত্রিক চেতনাকে ধ্বংস করবার চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছিলেন।’
তিনি বলেন, 'সমাজে ভিন্ন মত থাকবে, ভিন্ন কণ্ঠ থাকবে, ভিন্ন ভিন্নভাবে মানুষ কথা বলবে। এই বৈচিত্র্য জারি রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।'
নূরুল কবীর বলেন, ‘সংবাদপত্র যদি সচল না থাকে, সক্রিয় না থাকে, গণমাধ্যম যদি উচ্চকণ্ঠ না হতে পারে, তবে গোটা সমাজের মধ্যে নানা ধরনের অধিকার ব্যাহত হতে বাধ্য। ফলে যে কোনো দেশে গণমাধ্যমের বিকাশ এবং সেই সমাজের সার্বিক গণতান্ত্রিক বিকাশ একে অন্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকে।’
এর আগে আজ সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে গণমাধ্যম সম্মিলন শুরু হয়। সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এবং সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ যৌথভাবে এ সম্মিলনের আয়োজন করেছে।
নোয়াব ও সম্পাদক পরিষদের সদস্যদের পাশাপাশি অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার, জাতীয় প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ডিপ্লোমেটিক করেসপনডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম, ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন, ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা এবং ঢাকার বাইরে কর্মরত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের সম্পাদক-প্রকাশকরাও সম্মিলনে অংশগ্রহণ করেছেন।

সাংবাদিকদের উপরে রেখে ভবনে আগুন মধ্যযুগীয় বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ: নূরুল কবীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণমাধ্যমে ওপর হামলা মধ্যযুগীয় বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন সংবাদপত্রের সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভাপতি এবং ইংরেজি দৈনিক নিউ এজ সম্পাদক নূরুল কবীর।
শনিবার (১৭ জানুয়ারি) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনের (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘গণমাধ্যম সম্মিলন-২০২৬’-এর সূচনা বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নূরুল কবীর বলেন, 'পৃথিবীর সভ্যতা বিকাশের এই পর্যায়ে, কতগুলো সাংবাদিককে উপরে রেখে, চারদিকে আগুন দিয়ে, দমকল বাহিনী আসলে বাধা দেওয়ার অর্থ হচ্ছে, তাদের জীবন্ত পুড়িয়ে ফেলার মধ্যযুগীয় একটা বর্বরতার বহিঃপ্রকাশ।'
তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যম ব্যক্তিরা এই হামলার ঘটনাকে সমর্থনের সুযোগ নেই। কারও সমর্থন আছে কি নেই সেটার সঙ্গে এই ঘটনার সম্পর্ক নেই। বরং এমন পরিস্থিতিতে সব গণমাধ্যম সমানভাবে হুমকির মুখে আছে।’ তিনি আরও বলেন, 'আজকে এটার মধ্যে হয়েছে কালকে আপনারটার মধ্যে হবে। পরশুদিন আরেকটার মধ্যে হবে।'
নিউ এজ সম্পাদক বলেন, ‘এ ঘটনায় যারা ছিলেন, তারা জুলাইয়ের মূল চেতনা, জুলাইয়ের গণতান্ত্রিক চেতনাকে ধ্বংস করবার চেষ্টায় লিপ্ত হয়েছিলেন।’
তিনি বলেন, 'সমাজে ভিন্ন মত থাকবে, ভিন্ন কণ্ঠ থাকবে, ভিন্ন ভিন্নভাবে মানুষ কথা বলবে। এই বৈচিত্র্য জারি রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।'
নূরুল কবীর বলেন, ‘সংবাদপত্র যদি সচল না থাকে, সক্রিয় না থাকে, গণমাধ্যম যদি উচ্চকণ্ঠ না হতে পারে, তবে গোটা সমাজের মধ্যে নানা ধরনের অধিকার ব্যাহত হতে বাধ্য। ফলে যে কোনো দেশে গণমাধ্যমের বিকাশ এবং সেই সমাজের সার্বিক গণতান্ত্রিক বিকাশ একে অন্যের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকে।’
এর আগে আজ সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে গণমাধ্যম সম্মিলন শুরু হয়। সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এবং সম্পাদকদের সংগঠন সম্পাদক পরিষদ যৌথভাবে এ সম্মিলনের আয়োজন করেছে।
নোয়াব ও সম্পাদক পরিষদের সদস্যদের পাশাপাশি অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স, ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট সেন্টার, জাতীয় প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি, ডিপ্লোমেটিক করেসপনডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম, ফটো জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন, ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা এবং ঢাকার বাইরে কর্মরত সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের সম্পাদক-প্রকাশকরাও সম্মিলনে অংশগ্রহণ করেছেন।




