জামায়াত ছেড়ে আসায় ইসলামী আন্দোলনকে হেফাজত আমিরের অভিনন্দন

জামায়াত ছেড়ে আসায় ইসলামী আন্দোলনকে হেফাজত আমিরের অভিনন্দন
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং দলটির আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ রেজাউল করীমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ অভিনন্দন জানান।
বিবৃতিতে বাবুনগরী বলেন, নির্বাচনের পূর্বমুহূর্তে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা বিধ্বংসী মওদুদীবাদী জামায়াতের জোট থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত একটি সাহসী পদক্ষেপ। এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং এর নেতৃত্বকে আন্তরিক মুবারকবাদ।
তিনি জানান, ৫ আগস্ট পরিবর্তিত বাংলাদেশে সহিহ আকিদা বিশ্বাসী ওলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে ইসলামপন্থিদের বৃহত্তর ঐক্য গড়ার লক্ষ্যে কাজ করেছেন তারা। এ লক্ষ্যে মওদুদীবাদী জামায়াতকে বাদ দিয়ে ঐক্যের আহ্বান জানানো হয়েছে এবং ঈমান ও আকিদা বিসর্জন দিয়ে কোনো রাজনৈতিক জোটে না যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
হেফাজতের আমির বলেন, আলহামদুলিল্লাহ! মওদুদীবাদী জামায়াতের খপ্পড় থেকে বের হয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে রাজনৈতিক পথচলা তৈরি করতে পারায় বিশেষ মুবারকবাদ জানাই। ইসলামী রাজনীতিতে হকপন্থিদের একক পথচলা খুবই প্রয়োজনীয় ছিলো। ইসলামপন্থি রাজনীতির জন্য এই পথচলা আগামীতে ভালো অবস্থা তৈরি করবে, ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় থাকলে দেশের ইসলামপন্থি রাজনীতির বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। পীর সাহেব চরমোনাইয়ের এককভাবে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সেই সম্ভাব্য ক্ষতির পথ অনেকটাই বন্ধ করবে বলে তিনি মনে করেন।

জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং দলটির আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ রেজাউল করীমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ অভিনন্দন জানান।
বিবৃতিতে বাবুনগরী বলেন, নির্বাচনের পূর্বমুহূর্তে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা বিধ্বংসী মওদুদীবাদী জামায়াতের জোট থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত একটি সাহসী পদক্ষেপ। এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং এর নেতৃত্বকে আন্তরিক মুবারকবাদ।
তিনি জানান, ৫ আগস্ট পরিবর্তিত বাংলাদেশে সহিহ আকিদা বিশ্বাসী ওলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে ইসলামপন্থিদের বৃহত্তর ঐক্য গড়ার লক্ষ্যে কাজ করেছেন তারা। এ লক্ষ্যে মওদুদীবাদী জামায়াতকে বাদ দিয়ে ঐক্যের আহ্বান জানানো হয়েছে এবং ঈমান ও আকিদা বিসর্জন দিয়ে কোনো রাজনৈতিক জোটে না যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
হেফাজতের আমির বলেন, আলহামদুলিল্লাহ! মওদুদীবাদী জামায়াতের খপ্পড় থেকে বের হয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে রাজনৈতিক পথচলা তৈরি করতে পারায় বিশেষ মুবারকবাদ জানাই। ইসলামী রাজনীতিতে হকপন্থিদের একক পথচলা খুবই প্রয়োজনীয় ছিলো। ইসলামপন্থি রাজনীতির জন্য এই পথচলা আগামীতে ভালো অবস্থা তৈরি করবে, ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় থাকলে দেশের ইসলামপন্থি রাজনীতির বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। পীর সাহেব চরমোনাইয়ের এককভাবে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সেই সম্ভাব্য ক্ষতির পথ অনেকটাই বন্ধ করবে বলে তিনি মনে করেন।

জামায়াত ছেড়ে আসায় ইসলামী আন্দোলনকে হেফাজত আমিরের অভিনন্দন
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামায়াতের সঙ্গ ত্যাগ করায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং দলটির আমির ও চরমোনাই পীর সৈয়দ রেজাউল করীমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ অভিনন্দন জানান।
বিবৃতিতে বাবুনগরী বলেন, নির্বাচনের পূর্বমুহূর্তে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের আকিদা বিধ্বংসী মওদুদীবাদী জামায়াতের জোট থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত একটি সাহসী পদক্ষেপ। এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং এর নেতৃত্বকে আন্তরিক মুবারকবাদ।
তিনি জানান, ৫ আগস্ট পরিবর্তিত বাংলাদেশে সহিহ আকিদা বিশ্বাসী ওলামায়ে কেরামের তত্ত্বাবধানে ইসলামপন্থিদের বৃহত্তর ঐক্য গড়ার লক্ষ্যে কাজ করেছেন তারা। এ লক্ষ্যে মওদুদীবাদী জামায়াতকে বাদ দিয়ে ঐক্যের আহ্বান জানানো হয়েছে এবং ঈমান ও আকিদা বিসর্জন দিয়ে কোনো রাজনৈতিক জোটে না যাওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে।
হেফাজতের আমির বলেন, আলহামদুলিল্লাহ! মওদুদীবাদী জামায়াতের খপ্পড় থেকে বের হয়ে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এককভাবে রাজনৈতিক পথচলা তৈরি করতে পারায় বিশেষ মুবারকবাদ জানাই। ইসলামী রাজনীতিতে হকপন্থিদের একক পথচলা খুবই প্রয়োজনীয় ছিলো। ইসলামপন্থি রাজনীতির জন্য এই পথচলা আগামীতে ভালো অবস্থা তৈরি করবে, ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, জামায়াতের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক বজায় থাকলে দেশের ইসলামপন্থি রাজনীতির বড় ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। পীর সাহেব চরমোনাইয়ের এককভাবে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সেই সম্ভাব্য ক্ষতির পথ অনেকটাই বন্ধ করবে বলে তিনি মনে করেন।




