দেশে কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির

দেশে কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন শফিকুর রহমান।
ঢাকা-১৫ আসনের (মিরপুর-কাফরুল) জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এই জনসভার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেন জামায়াত আমির।
শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে বিএনপির প্রস্তাবিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, আমরা এ ধরনের কোনো কার্ডের ওয়াদা দিচ্ছি না। ২০০০ টাকা দিয়ে একটা পরিবারের কী সমাধান হবে? তিনি অভিযোগ করেন, এই ধরনের সহায়তায় ভাগ বসানোর ঝুঁকি থাকে এবং শেষ পর্যন্ত প্রকৃত বেকার বা দরিদ্র মানুষ উপকৃত হয় না।
জামায়াতের আমির বলেন, দেশের অর্থের উৎস জনগণ। জনগণের করের টাকায় রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। কিন্তু এর বাইরে একটি ‘অদৃশ্য কর’ বা চাঁদা আদায় করা হয়। মুদির দোকান, হকার, এমনকী ভিক্ষুকের কাছ থেকেও ট্যাক্সের নামে টাকা নেওয়া হয়। আমরা সেই টাকা শুধু যে জনগণের হাতে তুলে দেবো– তা-ই নয়, এই চাঁদাবাজি পুরোপুরি বন্ধ করে দেব, ইনশাআল্লাহ।
চাঁদাবাজির চিত্র তুলে ধরে শফিকুর রহমান বলেন, গাড়ি থামিয়ে টাকা আদায় করা হয়, কখনো বলা হয় ‘রাজনৈতিক ইজারা’। আবার কখনো দলীয় পরিচয় না বলেই টাকা দিতে বলা হয়। তিনি বলেন, আমরা ঘোষণা করছি– চাঁদা আমরা নেবো না, কাউকেও নিতে দেব না।
দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, জামায়াত নিজেরা দুর্নীতি করবে না এবং কাউকে দুর্নীতি করতেও দেবে না। একই সঙ্গে ইনসাফ বা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন তিনি। তার ভাষায়, ইনসাফ আর টাকা দিয়ে কেনা যাবে না।
ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রভাবনা তুলে ধরে শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে শিশু, তরুণ, যুবক, শ্রমিক, কৃষক, পেশাজীবীসহ সব শ্রেণির মানুষ নিরাপদ ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

দেশে কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন শফিকুর রহমান।
ঢাকা-১৫ আসনের (মিরপুর-কাফরুল) জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এই জনসভার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেন জামায়াত আমির।
শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে বিএনপির প্রস্তাবিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, আমরা এ ধরনের কোনো কার্ডের ওয়াদা দিচ্ছি না। ২০০০ টাকা দিয়ে একটা পরিবারের কী সমাধান হবে? তিনি অভিযোগ করেন, এই ধরনের সহায়তায় ভাগ বসানোর ঝুঁকি থাকে এবং শেষ পর্যন্ত প্রকৃত বেকার বা দরিদ্র মানুষ উপকৃত হয় না।
জামায়াতের আমির বলেন, দেশের অর্থের উৎস জনগণ। জনগণের করের টাকায় রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। কিন্তু এর বাইরে একটি ‘অদৃশ্য কর’ বা চাঁদা আদায় করা হয়। মুদির দোকান, হকার, এমনকী ভিক্ষুকের কাছ থেকেও ট্যাক্সের নামে টাকা নেওয়া হয়। আমরা সেই টাকা শুধু যে জনগণের হাতে তুলে দেবো– তা-ই নয়, এই চাঁদাবাজি পুরোপুরি বন্ধ করে দেব, ইনশাআল্লাহ।
চাঁদাবাজির চিত্র তুলে ধরে শফিকুর রহমান বলেন, গাড়ি থামিয়ে টাকা আদায় করা হয়, কখনো বলা হয় ‘রাজনৈতিক ইজারা’। আবার কখনো দলীয় পরিচয় না বলেই টাকা দিতে বলা হয়। তিনি বলেন, আমরা ঘোষণা করছি– চাঁদা আমরা নেবো না, কাউকেও নিতে দেব না।
দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, জামায়াত নিজেরা দুর্নীতি করবে না এবং কাউকে দুর্নীতি করতেও দেবে না। একই সঙ্গে ইনসাফ বা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন তিনি। তার ভাষায়, ইনসাফ আর টাকা দিয়ে কেনা যাবে না।
ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রভাবনা তুলে ধরে শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে শিশু, তরুণ, যুবক, শ্রমিক, কৃষক, পেশাজীবীসহ সব শ্রেণির মানুষ নিরাপদ ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

দেশে কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর মিরপুর-১০ এলাকার আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন শফিকুর রহমান।
ঢাকা-১৫ আসনের (মিরপুর-কাফরুল) জামায়াত মনোনীত প্রার্থী হিসেবে এই জনসভার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেন জামায়াত আমির।
শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে বিএনপির প্রস্তাবিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, আমরা এ ধরনের কোনো কার্ডের ওয়াদা দিচ্ছি না। ২০০০ টাকা দিয়ে একটা পরিবারের কী সমাধান হবে? তিনি অভিযোগ করেন, এই ধরনের সহায়তায় ভাগ বসানোর ঝুঁকি থাকে এবং শেষ পর্যন্ত প্রকৃত বেকার বা দরিদ্র মানুষ উপকৃত হয় না।
জামায়াতের আমির বলেন, দেশের অর্থের উৎস জনগণ। জনগণের করের টাকায় রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। কিন্তু এর বাইরে একটি ‘অদৃশ্য কর’ বা চাঁদা আদায় করা হয়। মুদির দোকান, হকার, এমনকী ভিক্ষুকের কাছ থেকেও ট্যাক্সের নামে টাকা নেওয়া হয়। আমরা সেই টাকা শুধু যে জনগণের হাতে তুলে দেবো– তা-ই নয়, এই চাঁদাবাজি পুরোপুরি বন্ধ করে দেব, ইনশাআল্লাহ।
চাঁদাবাজির চিত্র তুলে ধরে শফিকুর রহমান বলেন, গাড়ি থামিয়ে টাকা আদায় করা হয়, কখনো বলা হয় ‘রাজনৈতিক ইজারা’। আবার কখনো দলীয় পরিচয় না বলেই টাকা দিতে বলা হয়। তিনি বলেন, আমরা ঘোষণা করছি– চাঁদা আমরা নেবো না, কাউকেও নিতে দেব না।
দুর্নীতির বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, জামায়াত নিজেরা দুর্নীতি করবে না এবং কাউকে দুর্নীতি করতেও দেবে না। একই সঙ্গে ইনসাফ বা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার অঙ্গীকার করেন তিনি। তার ভাষায়, ইনসাফ আর টাকা দিয়ে কেনা যাবে না।
ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রভাবনা তুলে ধরে শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চায়, যেখানে শিশু, তরুণ, যুবক, শ্রমিক, কৃষক, পেশাজীবীসহ সব শ্রেণির মানুষ নিরাপদ ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।




