শিরোনাম

খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল সবার জন্য উন্মুক্ত

সিটিজেন-ডেস্ক­
খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল সবার জন্য উন্মুক্ত
বৃহস্পতিবার দুপুরে সর্বসাধারণের প্রবেশের জন্য খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ছবি: বাসস

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে সাধারণ মানুষের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়।

এর আগে সকাল থেকেই বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দলীয় নেতা– কর্মী ও সাধারণ মানুষ ওই এলাকায় ভিড় করেন। তবে সংস্কারকাজ চলায় উদ্যান বন্ধ থাকায় অনেকে বিজয় স্মরণি মোড়ের প্রবেশমুখে ব্যারিকেডের সামনে অপেক্ষা করেন। সমাধিস্থলে যেতে না পেরে অনেকে সড়কে দাঁড়িয়ে দোয়া ও মোনাজাত করেন।

খালেদা জিয়াকে শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে সকালে যান সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর। তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কবরের পাশে দাঁড়িয়ে মোনাজাত করেন। এ সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন বাবর।

তিনি বলেন, জনগণের জানমালের নিরাপত্তার প্রশ্নে খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন। তিনি দাবি করেন, র‍্যাবসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কখনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়নি। অন্যায় করলে বিএনপির নেতা–কর্মীরাও ছাড় পেতেন না– এমনই নেত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।

তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সুযোগ হয়েছে তার। তার দেশপ্রেম ও স্বাধীনতা–সার্বভৌমত্ব প্রশ্নে আপসহীন অবস্থান তিনি নিজ চোখে দেখেছেন।

কর্তৃপক্ষ জানায়, সংস্কারকাজ চলমান থাকায় উদ্যানের ভেতরে প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়েছিল। কাজ শেষ হওয়ায় আজ তা সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়। সমাধিস্থলের নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য বাহিনীর সদস্যদেরও দায়িত্ব পালন করতে দেখা গেছে।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে খতিব আবদুল মালেকের ইমামতিতে বেগম খালেদা জিয়ার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বিকেল পৌনে ৫টার দিকে তাকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে তার স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে দাফন করা হয়।

গত মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেগম খালেদা জিয়া মারা যান। গত ২৩ নভেম্বর ফুসফুসের সংক্রমণজনিত শ্বাসকষ্ট নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে নিউমোনিয়া দেখা দেয় এবং কিডনি, লিভার, আর্থ্রাইটিস ও ডায়াবেটিসসহ পুরোনো জটিলতা বেড়ে যায়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়,