আবারও পাতানো নির্বাচনের আশঙ্কা জামায়াত নেতা তাহেরের

আবারও পাতানো নির্বাচনের আশঙ্কা জামায়াত নেতা তাহেরের
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেছেন, এক-দুই সপ্তাহ ধরে সরকার এবং সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একটি বিশেষ দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে। প্রশাসন যেভাবে একটা দলের প্রতি আনুগত্য দেখাচ্ছে, এতেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে আগামী নির্বাচনটি আবার পাতানো নির্বাচন হবে কি না।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আবদুল্লাহ তাহের এ আশঙ্কার কথা বলেন। তিনি বলেন, পাতানো নির্বাচন বাংলাদেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশন, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের আবেদন– এখনই এ ব্যাপারে যেন নিরপেক্ষ হয় এবং দেশকে রক্ষা করার জন্য ভূমিকা পালন করে। জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ১০টি আসনে ছাড় দিতে রাজি হয়েছে জামায়াতে ইসলামী– এমন খবরকে ‘কাল্পনিক’ বলেও মন্তব্য করেন জামায়াতের নায়েবে আমির।
এর আগে সকাল ৯টায় ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের (ইইএএএস) এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনির নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন– ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার এবং ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের উপপ্রধান মনিকা বাইলাইতে।

জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এবং জামায়াতের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।
বৈঠকের বিষয়ে তাহের বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কী করবে সেটা তারা জানতে চেয়েছেন। আমরা বলেছি, ক্ষমতায় গেলে দেশি-বিদেশি সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেব। আমাদের লক্ষ্য হবে আন্তর্জাতিক সহায়তায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা, তাদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং সেখানে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখা।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যবেক্ষক পাঠাবে। আমরা বিষয়টিকে স্বাগত জানাই।

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেছেন, এক-দুই সপ্তাহ ধরে সরকার এবং সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একটি বিশেষ দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে। প্রশাসন যেভাবে একটা দলের প্রতি আনুগত্য দেখাচ্ছে, এতেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে আগামী নির্বাচনটি আবার পাতানো নির্বাচন হবে কি না।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আবদুল্লাহ তাহের এ আশঙ্কার কথা বলেন। তিনি বলেন, পাতানো নির্বাচন বাংলাদেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশন, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের আবেদন– এখনই এ ব্যাপারে যেন নিরপেক্ষ হয় এবং দেশকে রক্ষা করার জন্য ভূমিকা পালন করে। জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ১০টি আসনে ছাড় দিতে রাজি হয়েছে জামায়াতে ইসলামী– এমন খবরকে ‘কাল্পনিক’ বলেও মন্তব্য করেন জামায়াতের নায়েবে আমির।
এর আগে সকাল ৯টায় ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের (ইইএএএস) এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনির নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন– ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার এবং ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের উপপ্রধান মনিকা বাইলাইতে।

জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এবং জামায়াতের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।
বৈঠকের বিষয়ে তাহের বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কী করবে সেটা তারা জানতে চেয়েছেন। আমরা বলেছি, ক্ষমতায় গেলে দেশি-বিদেশি সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেব। আমাদের লক্ষ্য হবে আন্তর্জাতিক সহায়তায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা, তাদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং সেখানে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখা।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যবেক্ষক পাঠাবে। আমরা বিষয়টিকে স্বাগত জানাই।

আবারও পাতানো নির্বাচনের আশঙ্কা জামায়াত নেতা তাহেরের
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের অভিযোগ করেছেন, এক-দুই সপ্তাহ ধরে সরকার এবং সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী একটি বিশেষ দলের প্রতি ঝুঁকে পড়েছে। প্রশাসন যেভাবে একটা দলের প্রতি আনুগত্য দেখাচ্ছে, এতেই আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে আগামী নির্বাচনটি আবার পাতানো নির্বাচন হবে কি না।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় জামায়াত আমিরের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আবদুল্লাহ তাহের এ আশঙ্কার কথা বলেন। তিনি বলেন, পাতানো নির্বাচন বাংলাদেশকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশন, সরকার এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের আবেদন– এখনই এ ব্যাপারে যেন নিরপেক্ষ হয় এবং দেশকে রক্ষা করার জন্য ভূমিকা পালন করে। জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) ১০টি আসনে ছাড় দিতে রাজি হয়েছে জামায়াতে ইসলামী– এমন খবরকে ‘কাল্পনিক’ বলেও মন্তব্য করেন জামায়াতের নায়েবে আমির।
এর আগে সকাল ৯টায় ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের (ইইএএএস) এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনির নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন– ঢাকায় নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলার এবং ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের দক্ষিণ এশিয়া বিভাগের উপপ্রধান মনিকা বাইলাইতে।

জামায়াত আমিরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দলের নায়েবে আমির ও সাবেক সংসদ সদস্য ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এবং জামায়াতের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।
বৈঠকের বিষয়ে তাহের বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে রোহিঙ্গা ইস্যুতে কী করবে সেটা তারা জানতে চেয়েছেন। আমরা বলেছি, ক্ষমতায় গেলে দেশি-বিদেশি সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে সমন্বিত উদ্যোগ নেব। আমাদের লক্ষ্য হবে আন্তর্জাতিক সহায়তায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা, তাদের নিরাপত্তা দেওয়া এবং সেখানে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় কার্যকর ভূমিকা রাখা।
তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন সর্বোচ্চ সংখ্যক পর্যবেক্ষক পাঠাবে। আমরা বিষয়টিকে স্বাগত জানাই।




