আটক বিএনপি নেতার মৃত্যু, সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ চায় বিএনপি

আটক বিএনপি নেতার মৃত্যু, সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ চায় বিএনপি
নিজস্ব প্রতিবেদক

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনা অভিযানে আটকের পর বিএনপি নেতার মৃত্যুর ঘটনার বিষয়ে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব এ ঘটনার নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনাবাহিনীর অভিযানে জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু আটক হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় শোক জানিয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি সেখানে অভিযোগ করেন, শামসুজ্জামান ডাবলুকে নিরাপত্তা বাহিনীর কতিপয় সদস্য অস্ত্র উদ্ধারের নামে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন চালিয়েছে। এতে তার মৃত্যু হয়। আমরা মনে করি, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত এ ধরনের ঘটনা দেশের জন্য শুভ নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিচারবহির্ভূতভাবে’ শামসুজ্জামানকে ‘নির্যাতন’ করে হত্যা দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি চরম অবমাননা। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যেকোনো অপরাধের জন্য বিচারিক আদালতের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তির শাস্তি নিশ্চিত হবে, এটিই জনগণের প্রত্যাশা। এ ধরনের হত্যা কখনোই দেশের মানুষের কাছে সমর্থনযোগ্য নয়।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমি এ ধরনের রোমহর্ষক ও মর্মান্তিক ঘটনার বিষয়ে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
প্রসঙ্গত, শামসুজ্জামান জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তাকে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘হাফিজা ফার্মেসি’ থেকে আটক করা হয়। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গভীর রাতেই রাস্তায় নেমে আসেন। তারা হাসপাতালের সামনের সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান। শামসুজ্জামানের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনা অভিযানে আটকের পর বিএনপি নেতার মৃত্যুর ঘটনার বিষয়ে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব এ ঘটনার নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনাবাহিনীর অভিযানে জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু আটক হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় শোক জানিয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি সেখানে অভিযোগ করেন, শামসুজ্জামান ডাবলুকে নিরাপত্তা বাহিনীর কতিপয় সদস্য অস্ত্র উদ্ধারের নামে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন চালিয়েছে। এতে তার মৃত্যু হয়। আমরা মনে করি, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত এ ধরনের ঘটনা দেশের জন্য শুভ নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিচারবহির্ভূতভাবে’ শামসুজ্জামানকে ‘নির্যাতন’ করে হত্যা দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি চরম অবমাননা। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যেকোনো অপরাধের জন্য বিচারিক আদালতের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তির শাস্তি নিশ্চিত হবে, এটিই জনগণের প্রত্যাশা। এ ধরনের হত্যা কখনোই দেশের মানুষের কাছে সমর্থনযোগ্য নয়।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমি এ ধরনের রোমহর্ষক ও মর্মান্তিক ঘটনার বিষয়ে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
প্রসঙ্গত, শামসুজ্জামান জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তাকে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘হাফিজা ফার্মেসি’ থেকে আটক করা হয়। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গভীর রাতেই রাস্তায় নেমে আসেন। তারা হাসপাতালের সামনের সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান। শামসুজ্জামানের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।

আটক বিএনপি নেতার মৃত্যু, সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ চায় বিএনপি
নিজস্ব প্রতিবেদক

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনা অভিযানে আটকের পর বিএনপি নেতার মৃত্যুর ঘটনার বিষয়ে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিব এ ঘটনার নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করেন।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) রাতে চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে সেনাবাহিনীর অভিযানে জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলু আটক হন। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় শোক জানিয়ে গণমাধ্যমে বিবৃতি পাঠান বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি সেখানে অভিযোগ করেন, শামসুজ্জামান ডাবলুকে নিরাপত্তা বাহিনীর কতিপয় সদস্য অস্ত্র উদ্ধারের নামে ধরে নিয়ে গিয়ে নির্যাতন চালিয়েছে। এতে তার মৃত্যু হয়। আমরা মনে করি, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা সংঘটিত এ ধরনের ঘটনা দেশের জন্য শুভ নয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিচারবহির্ভূতভাবে’ শামসুজ্জামানকে ‘নির্যাতন’ করে হত্যা দেশের প্রচলিত আইনের প্রতি চরম অবমাননা। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে যেকোনো অপরাধের জন্য বিচারিক আদালতের মাধ্যমে দোষী ব্যক্তির শাস্তি নিশ্চিত হবে, এটিই জনগণের প্রত্যাশা। এ ধরনের হত্যা কখনোই দেশের মানুষের কাছে সমর্থনযোগ্য নয়।
বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমি এ ধরনের রোমহর্ষক ও মর্মান্তিক ঘটনার বিষয়ে সেনাপ্রধানের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
প্রসঙ্গত, শামসুজ্জামান জীবননগর পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তাকে তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘হাফিজা ফার্মেসি’ থেকে আটক করা হয়। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা গভীর রাতেই রাস্তায় নেমে আসেন। তারা হাসপাতালের সামনের সড়কে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান। শামসুজ্জামানের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড দাবি করে জড়িতদের শাস্তির দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন।




