নির্বাচনী হলফনামায় সম্পদের যে তথ্য দিলেন তারেক রহমান

নির্বাচনী হলফনামায় সম্পদের যে তথ্য দিলেন তারেক রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখানে তিনি যে হলফনামা দিয়েছেন, তাতে তিনি প্রায় ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকার সম্পদ থাকার তথ্য দিয়েছেন।
তারেক রহমান আরও জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে ৭৭টি মামলা ছিল, যার সবগুলো থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।
আয়কর বিবরণীতে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে পৌনে ৭ লাখ টাকা আয়ের তথ্য দিয়েছেন তারেক রহমান।
৫৭ বছর বয়সি এ রাজনীতিক বগুড়া ছাড়াও ঢাকা-১৭ আসনে (গুলশান-বনানী) মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় হলফনামায় প্রার্থীর ১০ ধরনের তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এসব তথ্য প্রচারের বিধান রয়েছে নির্বাচনি আইনে।
হলফনামা অনুযায়ী, তারেক রহমানের নামে বর্তমানে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই। ২০০৪ সাল থেকে দায়ের হওয়া ৭৭টি মামলা থেকে ধাপে ধাপে অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি।
শেয়ার/সঞ্চয়পত্র/বন্ড/ব্যাংক আমানত থেকে তারেক রহমানের আয় দেখানো হয়েছে ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা। নগদ অর্থ ও ব্যাংকে জমা রয়েছে ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা, স্ত্রীর নামের ৬৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪৭ টাকা রয়েছে।
বিএনপির নেতার এফডিআর রয়েছে ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকার; আর স্ত্রীর এফডিআর রয়েছে ৩৫ লাখ টাকার।
হলফনামা অনুযায়ী, তারেক রহমানের নিজের, স্ত্রীর বা নির্ভরশীল কারো কোনো দায়, কোনো সরকারি পাওনা ও ঋণ নেই।
আয়কর বিবরণী অনুযায়ী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সম্পদ আছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ১৮৫ টাকা। সবশেষ অর্থবছরে তার আয়ের পরিমাণ ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা, যার আয়কর দিয়েছেন এক লাখ ১ হাজার ৪৫৩ টাকা।
আর চিকিৎসক স্ত্রী জুবাইদা রহমানের সম্পদ রয়েছে ১ কোটি ৫ লাখ ৩০ হাজার ১৯১ টাকা। সবশেষ অর্থবছরে তার আয়ের পরিমাণ ৩৫ লাখ ৬০ হাজার ৯২৫ টাকা, যার আয়কর দিয়েছেন ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭১৩ টাকা।
একনজরে তারেক রহমানের হলফনামা
পারিবারিক তথ্য:
বাবা: জিয়াউর রহমান; মা: বেগম খালেদা জিয়া; স্ত্রী: জুবাইদা রহমান; এক সন্তান কন্যা জায়মা জারনাজ রহমান।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চ মাধ্যমিক।
পেশা: রাজনীতিক।
বর্তমান ঠিকানা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের গুলশান অ্যাভিনিউ, এন ই-ডি-৩/বি।
জন্মতারিখ: ২০ নভেম্বর ১৯৬৮ (তবে আয়কর বিবরণীতে ২০ নভেম্বর ১৯৬৭ উল্লেখ রয়েছে)।
আয়ের উৎস:
শেয়ার/সঞ্চয়পত্র/বন্ড/ব্যাংকের আমানত: ৬,৭৬,৩৫৩ টাকা।
অস্থাবর সম্পদ:
নগদ/ব্যাংকের জমা: ৩১,৫৮,৪২৮ টাকা; স্ত্রীর নামে: ৬৬,৫৪,৭৪৭ টাকা।
শেয়ার: ৫ লাখ টাকা; কোম্পানির শেয়ার: ৪৫ লাখ টাকা; কোম্পানির অতিরিক্ত শেয়ার: ১৮,৫০,০০০ টাকা।
নিজের সঞ্চয়পত্র/আমানত: ২০,০০০ টাকা; এফডিআর: ৯০,২৪,৩০৭ টাকা; স্ত্রীর সঞ্চয়পত্র/এফডিআর: ৩৫,২০,০০০ টাকা।
অর্জনকালীন স্বর্ণ: ২,৯৫০ টাকার; আসবাব: ১,৭৯,৫০০ টাকা।
স্থাবর সম্পদ:
অর্জনকালে ৩,৪৫,০০০ টাকার ২.০১ একর ও ১.৪ শতাংশ জমি; নিজের নামে ২.৯ শতাংশ জমি।
যৌথ মালিকানায় ১১১.২৫ শতাংশ জমি ও ৮০০ বর্গফুটের দোতলা ভবন।
উল্লেখ্য, ইসি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ সম্ভব নয়। নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি অসত্য তথ্য ধরা পড়ে, ইসি ভোটের পর ব্যবস্থা নিতে পারবে।

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখানে তিনি যে হলফনামা দিয়েছেন, তাতে তিনি প্রায় ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকার সম্পদ থাকার তথ্য দিয়েছেন।
তারেক রহমান আরও জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে ৭৭টি মামলা ছিল, যার সবগুলো থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।
আয়কর বিবরণীতে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে পৌনে ৭ লাখ টাকা আয়ের তথ্য দিয়েছেন তারেক রহমান।
৫৭ বছর বয়সি এ রাজনীতিক বগুড়া ছাড়াও ঢাকা-১৭ আসনে (গুলশান-বনানী) মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় হলফনামায় প্রার্থীর ১০ ধরনের তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এসব তথ্য প্রচারের বিধান রয়েছে নির্বাচনি আইনে।
হলফনামা অনুযায়ী, তারেক রহমানের নামে বর্তমানে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই। ২০০৪ সাল থেকে দায়ের হওয়া ৭৭টি মামলা থেকে ধাপে ধাপে অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি।
শেয়ার/সঞ্চয়পত্র/বন্ড/ব্যাংক আমানত থেকে তারেক রহমানের আয় দেখানো হয়েছে ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা। নগদ অর্থ ও ব্যাংকে জমা রয়েছে ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা, স্ত্রীর নামের ৬৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪৭ টাকা রয়েছে।
বিএনপির নেতার এফডিআর রয়েছে ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকার; আর স্ত্রীর এফডিআর রয়েছে ৩৫ লাখ টাকার।
হলফনামা অনুযায়ী, তারেক রহমানের নিজের, স্ত্রীর বা নির্ভরশীল কারো কোনো দায়, কোনো সরকারি পাওনা ও ঋণ নেই।
আয়কর বিবরণী অনুযায়ী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সম্পদ আছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ১৮৫ টাকা। সবশেষ অর্থবছরে তার আয়ের পরিমাণ ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা, যার আয়কর দিয়েছেন এক লাখ ১ হাজার ৪৫৩ টাকা।
আর চিকিৎসক স্ত্রী জুবাইদা রহমানের সম্পদ রয়েছে ১ কোটি ৫ লাখ ৩০ হাজার ১৯১ টাকা। সবশেষ অর্থবছরে তার আয়ের পরিমাণ ৩৫ লাখ ৬০ হাজার ৯২৫ টাকা, যার আয়কর দিয়েছেন ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭১৩ টাকা।
একনজরে তারেক রহমানের হলফনামা
পারিবারিক তথ্য:
বাবা: জিয়াউর রহমান; মা: বেগম খালেদা জিয়া; স্ত্রী: জুবাইদা রহমান; এক সন্তান কন্যা জায়মা জারনাজ রহমান।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চ মাধ্যমিক।
পেশা: রাজনীতিক।
বর্তমান ঠিকানা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের গুলশান অ্যাভিনিউ, এন ই-ডি-৩/বি।
জন্মতারিখ: ২০ নভেম্বর ১৯৬৮ (তবে আয়কর বিবরণীতে ২০ নভেম্বর ১৯৬৭ উল্লেখ রয়েছে)।
আয়ের উৎস:
শেয়ার/সঞ্চয়পত্র/বন্ড/ব্যাংকের আমানত: ৬,৭৬,৩৫৩ টাকা।
অস্থাবর সম্পদ:
নগদ/ব্যাংকের জমা: ৩১,৫৮,৪২৮ টাকা; স্ত্রীর নামে: ৬৬,৫৪,৭৪৭ টাকা।
শেয়ার: ৫ লাখ টাকা; কোম্পানির শেয়ার: ৪৫ লাখ টাকা; কোম্পানির অতিরিক্ত শেয়ার: ১৮,৫০,০০০ টাকা।
নিজের সঞ্চয়পত্র/আমানত: ২০,০০০ টাকা; এফডিআর: ৯০,২৪,৩০৭ টাকা; স্ত্রীর সঞ্চয়পত্র/এফডিআর: ৩৫,২০,০০০ টাকা।
অর্জনকালীন স্বর্ণ: ২,৯৫০ টাকার; আসবাব: ১,৭৯,৫০০ টাকা।
স্থাবর সম্পদ:
অর্জনকালে ৩,৪৫,০০০ টাকার ২.০১ একর ও ১.৪ শতাংশ জমি; নিজের নামে ২.৯ শতাংশ জমি।
যৌথ মালিকানায় ১১১.২৫ শতাংশ জমি ও ৮০০ বর্গফুটের দোতলা ভবন।
উল্লেখ্য, ইসি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ সম্ভব নয়। নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি অসত্য তথ্য ধরা পড়ে, ইসি ভোটের পর ব্যবস্থা নিতে পারবে।

নির্বাচনী হলফনামায় সম্পদের যে তথ্য দিলেন তারেক রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৬ (সদর) আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখানে তিনি যে হলফনামা দিয়েছেন, তাতে তিনি প্রায় ১ কোটি ৯৭ লাখ টাকার সম্পদ থাকার তথ্য দিয়েছেন।
তারেক রহমান আরও জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে ৭৭টি মামলা ছিল, যার সবগুলো থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন।
আয়কর বিবরণীতে ২০২৪-২০২৫ অর্থবছরে পৌনে ৭ লাখ টাকা আয়ের তথ্য দিয়েছেন তারেক রহমান।
৫৭ বছর বয়সি এ রাজনীতিক বগুড়া ছাড়াও ঢাকা-১৭ আসনে (গুলশান-বনানী) মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় হলফনামায় প্রার্থীর ১০ ধরনের তথ্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এসব তথ্য প্রচারের বিধান রয়েছে নির্বাচনি আইনে।
হলফনামা অনুযায়ী, তারেক রহমানের নামে বর্তমানে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই। ২০০৪ সাল থেকে দায়ের হওয়া ৭৭টি মামলা থেকে ধাপে ধাপে অব্যাহতি পেয়েছেন তিনি।
শেয়ার/সঞ্চয়পত্র/বন্ড/ব্যাংক আমানত থেকে তারেক রহমানের আয় দেখানো হয়েছে ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা। নগদ অর্থ ও ব্যাংকে জমা রয়েছে ৩১ লাখ ৫৮ হাজার ৪২৮ টাকা, স্ত্রীর নামের ৬৬ লাখ ৫৪ হাজার ৭৪৭ টাকা রয়েছে।
বিএনপির নেতার এফডিআর রয়েছে ৯০ লাখ ২৪ হাজার ৩০৭ টাকার; আর স্ত্রীর এফডিআর রয়েছে ৩৫ লাখ টাকার।
হলফনামা অনুযায়ী, তারেক রহমানের নিজের, স্ত্রীর বা নির্ভরশীল কারো কোনো দায়, কোনো সরকারি পাওনা ও ঋণ নেই।
আয়কর বিবরণী অনুযায়ী, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সম্পদ আছে ১ কোটি ৯৬ লাখ ৮০ হাজার ১৮৫ টাকা। সবশেষ অর্থবছরে তার আয়ের পরিমাণ ৬ লাখ ৭৬ হাজার ৩৫৩ টাকা, যার আয়কর দিয়েছেন এক লাখ ১ হাজার ৪৫৩ টাকা।
আর চিকিৎসক স্ত্রী জুবাইদা রহমানের সম্পদ রয়েছে ১ কোটি ৫ লাখ ৩০ হাজার ১৯১ টাকা। সবশেষ অর্থবছরে তার আয়ের পরিমাণ ৩৫ লাখ ৬০ হাজার ৯২৫ টাকা, যার আয়কর দিয়েছেন ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৭১৩ টাকা।
একনজরে তারেক রহমানের হলফনামা
পারিবারিক তথ্য:
বাবা: জিয়াউর রহমান; মা: বেগম খালেদা জিয়া; স্ত্রী: জুবাইদা রহমান; এক সন্তান কন্যা জায়মা জারনাজ রহমান।
শিক্ষাগত যোগ্যতা: উচ্চ মাধ্যমিক।
পেশা: রাজনীতিক।
বর্তমান ঠিকানা: ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের গুলশান অ্যাভিনিউ, এন ই-ডি-৩/বি।
জন্মতারিখ: ২০ নভেম্বর ১৯৬৮ (তবে আয়কর বিবরণীতে ২০ নভেম্বর ১৯৬৭ উল্লেখ রয়েছে)।
আয়ের উৎস:
শেয়ার/সঞ্চয়পত্র/বন্ড/ব্যাংকের আমানত: ৬,৭৬,৩৫৩ টাকা।
অস্থাবর সম্পদ:
নগদ/ব্যাংকের জমা: ৩১,৫৮,৪২৮ টাকা; স্ত্রীর নামে: ৬৬,৫৪,৭৪৭ টাকা।
শেয়ার: ৫ লাখ টাকা; কোম্পানির শেয়ার: ৪৫ লাখ টাকা; কোম্পানির অতিরিক্ত শেয়ার: ১৮,৫০,০০০ টাকা।
নিজের সঞ্চয়পত্র/আমানত: ২০,০০০ টাকা; এফডিআর: ৯০,২৪,৩০৭ টাকা; স্ত্রীর সঞ্চয়পত্র/এফডিআর: ৩৫,২০,০০০ টাকা।
অর্জনকালীন স্বর্ণ: ২,৯৫০ টাকার; আসবাব: ১,৭৯,৫০০ টাকা।
স্থাবর সম্পদ:
অর্জনকালে ৩,৪৫,০০০ টাকার ২.০১ একর ও ১.৪ শতাংশ জমি; নিজের নামে ২.৯ শতাংশ জমি।
যৌথ মালিকানায় ১১১.২৫ শতাংশ জমি ও ৮০০ বর্গফুটের দোতলা ভবন।
উল্লেখ্য, ইসি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে নির্বাচনে অংশগ্রহণ সম্ভব নয়। নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি অসত্য তথ্য ধরা পড়ে, ইসি ভোটের পর ব্যবস্থা নিতে পারবে।




