ক্ষমতায় এলে প্রতি জেলায় সরকারি মেডিকেল কলেজ হবে: জামায়াত আমির

ক্ষমতায় এলে প্রতি জেলায় সরকারি মেডিকেল কলেজ হবে: জামায়াত আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী দিনে জামায়াত সরকার গঠনের সুযোগ পেলে দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে। কোনো ধরনের বৈষম্য করা হবে না। আল্লাহকে ভয় করে দেশ পরিচালনা করা হবে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকালে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমীর বেলাল উদ্দিন প্রধান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, উত্তরবঙ্গ বাংলাদেশের শস্যভাণ্ডার। দেশের মোট খাদ্য উৎপাদনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এই অঞ্চলেই উৎপাদিত হয়। অথচ দুর্নীতি ও দুঃশাসনের কারণে এ অঞ্চলের মানুষ যুগের পর যুগ বৈষম্যের শিকার হয়েছে। ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ইনসাফভিত্তিক শাসন ও সঠিক পরিকল্পনা থাকলে উত্তরবঙ্গ আজ কৃষির রাজধানীতে পরিণত হতে পারত।
তিনি বলেন, কৃষকদের সহজ শর্তে, বিনা সুদে ঋণ দেওয়া হলে উৎপাদন বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব। কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা হবে। কৃষিপণ্যের অপচয় রোধে দেশের বিভিন্ন স্থানে আধুনিক সংরক্ষণাগার গড়ে তোলার কথাও জানান তিনি।
জনসভায় তিনি জামায়াত আমির তিনটি শর্ত তুলে ধরে বলেন, দুর্নীতি করা যাবে না এবং দুর্নীতিবাজদের আশ্রয় দেওয়া যাবে না। গরিব-ধনী, নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচার বিভাগকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত ও সম্পূর্ণ স্বাধীন রাখতে হবে।
ঠাকুরগাঁওবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, শুধু একটি দল নয়, মুক্তিকামী মানুষের ১০ দলীয় ঐক্যকে ভোট দিতে হবে। ঐক্যবদ্ধ জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেই ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার গঠন করতে পারলে উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রতিটি ঘরকে একটি করে উৎপাদনমুখী ইউনিটে পরিণত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
চাকরির বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, বেকারভাতা নয়, কাজ সৃষ্টি করাই লক্ষ্য। চাকরিতে প্রবেশের আগে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে রাষ্ট্রীয়ভাবে মাসে ১০ হাজার টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী দিনে জামায়াত সরকার গঠনের সুযোগ পেলে দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে। কোনো ধরনের বৈষম্য করা হবে না। আল্লাহকে ভয় করে দেশ পরিচালনা করা হবে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকালে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমীর বেলাল উদ্দিন প্রধান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, উত্তরবঙ্গ বাংলাদেশের শস্যভাণ্ডার। দেশের মোট খাদ্য উৎপাদনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এই অঞ্চলেই উৎপাদিত হয়। অথচ দুর্নীতি ও দুঃশাসনের কারণে এ অঞ্চলের মানুষ যুগের পর যুগ বৈষম্যের শিকার হয়েছে। ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ইনসাফভিত্তিক শাসন ও সঠিক পরিকল্পনা থাকলে উত্তরবঙ্গ আজ কৃষির রাজধানীতে পরিণত হতে পারত।
তিনি বলেন, কৃষকদের সহজ শর্তে, বিনা সুদে ঋণ দেওয়া হলে উৎপাদন বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব। কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা হবে। কৃষিপণ্যের অপচয় রোধে দেশের বিভিন্ন স্থানে আধুনিক সংরক্ষণাগার গড়ে তোলার কথাও জানান তিনি।
জনসভায় তিনি জামায়াত আমির তিনটি শর্ত তুলে ধরে বলেন, দুর্নীতি করা যাবে না এবং দুর্নীতিবাজদের আশ্রয় দেওয়া যাবে না। গরিব-ধনী, নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচার বিভাগকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত ও সম্পূর্ণ স্বাধীন রাখতে হবে।
ঠাকুরগাঁওবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, শুধু একটি দল নয়, মুক্তিকামী মানুষের ১০ দলীয় ঐক্যকে ভোট দিতে হবে। ঐক্যবদ্ধ জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেই ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার গঠন করতে পারলে উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রতিটি ঘরকে একটি করে উৎপাদনমুখী ইউনিটে পরিণত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
চাকরির বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, বেকারভাতা নয়, কাজ সৃষ্টি করাই লক্ষ্য। চাকরিতে প্রবেশের আগে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে রাষ্ট্রীয়ভাবে মাসে ১০ হাজার টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।

ক্ষমতায় এলে প্রতি জেলায় সরকারি মেডিকেল কলেজ হবে: জামায়াত আমির
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী দিনে জামায়াত সরকার গঠনের সুযোগ পেলে দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে সরকারি মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হবে। কোনো ধরনের বৈষম্য করা হবে না। আল্লাহকে ভয় করে দেশ পরিচালনা করা হবে।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকালে ঠাকুরগাঁও সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বড় মাঠে আয়োজিত ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমীর বেলাল উদ্দিন প্রধান।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, উত্তরবঙ্গ বাংলাদেশের শস্যভাণ্ডার। দেশের মোট খাদ্য উৎপাদনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এই অঞ্চলেই উৎপাদিত হয়। অথচ দুর্নীতি ও দুঃশাসনের কারণে এ অঞ্চলের মানুষ যুগের পর যুগ বৈষম্যের শিকার হয়েছে। ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। ইনসাফভিত্তিক শাসন ও সঠিক পরিকল্পনা থাকলে উত্তরবঙ্গ আজ কৃষির রাজধানীতে পরিণত হতে পারত।
তিনি বলেন, কৃষকদের সহজ শর্তে, বিনা সুদে ঋণ দেওয়া হলে উৎপাদন বহুগুণ বাড়ানো সম্ভব। কৃষিপণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা হবে এবং মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য বন্ধ করা হবে। কৃষিপণ্যের অপচয় রোধে দেশের বিভিন্ন স্থানে আধুনিক সংরক্ষণাগার গড়ে তোলার কথাও জানান তিনি।
জনসভায় তিনি জামায়াত আমির তিনটি শর্ত তুলে ধরে বলেন, দুর্নীতি করা যাবে না এবং দুর্নীতিবাজদের আশ্রয় দেওয়া যাবে না। গরিব-ধনী, নারী-পুরুষ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। বিচার বিভাগকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপমুক্ত ও সম্পূর্ণ স্বাধীন রাখতে হবে।
ঠাকুরগাঁওবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত আমির বলেন, শুধু একটি দল নয়, মুক্তিকামী মানুষের ১০ দলীয় ঐক্যকে ভোট দিতে হবে। ঐক্যবদ্ধ জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেই ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকার গঠন করতে পারলে উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ও যুবকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রতিটি ঘরকে একটি করে উৎপাদনমুখী ইউনিটে পরিণত করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
চাকরির বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, বেকারভাতা নয়, কাজ সৃষ্টি করাই লক্ষ্য। চাকরিতে প্রবেশের আগে শিক্ষার্থীদের দক্ষ করে গড়ে তুলতে রাষ্ট্রীয়ভাবে মাসে ১০ হাজার টাকা ব্যয়ের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।




