নির্বাচনী মাঠে সমতা নেই, ইসিকে সতর্ক করল জামায়াত

নির্বাচনী মাঠে সমতা নেই, ইসিকে সতর্ক করল জামায়াত
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনী মাঠে এখন থেকেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হয়নি– এমন অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সতর্ক করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, একটি নির্দিষ্ট দলকে ফেভার করা হচ্ছে, প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব দেখা যাচ্ছে এবং জামায়াতের নেতা-কর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে নিজেদের মতো করেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ঠিক করতে বাধ্য হবে তারা।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন হামিদুর রহমান আজাদ।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একটি গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে। অতীতের প্রহসনমূলক নির্বাচন থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার দায়িত্ব সরকার ও নির্বাচন কমিশনের। সে লক্ষ্যেই জামায়াত সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে পাঁচ দফার ভিত্তিতে আন্দোলন করেছে এবং নির্বাচনী সমঝোতার উদ্যোগও নিয়েছে। সেই দাবির অন্যতম ছিল লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।
কিন্তু বাস্তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষায়, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে প্রচারণা শুরুর কথা থাকলেও একটি দল কয়েক দিন আগেই মাঠে নেমে গেছে। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থীদের মাঠপর্যায়ে নানা ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। দলীয় সভা-সমাবেশ করতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি সেসব কর্মকাণ্ডকে নির্বাচনী প্রচার দেখিয়ে মামলা ও জরিমানার নোটিস দেওয়া হচ্ছে। অথচ যারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত না হলে নির্বাচনী সমতা নিশ্চিত হবে না। ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের একাংশ শতপ্রণোদিত হয়ে জামায়াতের প্রার্থীদের হয়রানি করছে। এ বিষয়ে তারা একাধিক অভিযোগ ইসির কাছে দিলেও সেগুলোর কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন হামিদুর রহমান। তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানানো হলেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এত বড় একটি নির্বাচন স্থানীয় পর্যায়ে ছেড়ে দিলে বাস্তবায়ন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, একটি দল ভোটের আগে ঘরে ঘরে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘কৃষি কার্ড’সহ নানা নামে কার্ড বিতরণ করে ভোটারদের প্রলুব্ধ করছে। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে নির্বাচন কমিশনকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
মনোনয়ন ও যোগ্যতা যাচাই প্রসঙ্গে হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব, ঋণখেলাপিসহ বিভিন্ন বিষয়ে একেক জায়গায় একেক ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যা নির্বাচনী সমতার পরিপন্থী। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে জামায়াতের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে তিনি বলেন, জামায়াতের কোনো বিদেশি শাখা নেই এবং দলটি বাংলাদেশের নির্বাচন আইন মেনেই রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
হামিদুর রহমান বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পক্ষে সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে একতরফা আচরণ অব্যাহত থাকলে সে সহযোগিতা কতটুকু সম্ভব হবে– তা নতুন করে ভাবতে বাধ্য হবে দলটি।

নির্বাচনী মাঠে এখন থেকেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হয়নি– এমন অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সতর্ক করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, একটি নির্দিষ্ট দলকে ফেভার করা হচ্ছে, প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব দেখা যাচ্ছে এবং জামায়াতের নেতা-কর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে নিজেদের মতো করেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ঠিক করতে বাধ্য হবে তারা।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন হামিদুর রহমান আজাদ।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একটি গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে। অতীতের প্রহসনমূলক নির্বাচন থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার দায়িত্ব সরকার ও নির্বাচন কমিশনের। সে লক্ষ্যেই জামায়াত সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে পাঁচ দফার ভিত্তিতে আন্দোলন করেছে এবং নির্বাচনী সমঝোতার উদ্যোগও নিয়েছে। সেই দাবির অন্যতম ছিল লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।
কিন্তু বাস্তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষায়, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে প্রচারণা শুরুর কথা থাকলেও একটি দল কয়েক দিন আগেই মাঠে নেমে গেছে। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থীদের মাঠপর্যায়ে নানা ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। দলীয় সভা-সমাবেশ করতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি সেসব কর্মকাণ্ডকে নির্বাচনী প্রচার দেখিয়ে মামলা ও জরিমানার নোটিস দেওয়া হচ্ছে। অথচ যারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত না হলে নির্বাচনী সমতা নিশ্চিত হবে না। ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের একাংশ শতপ্রণোদিত হয়ে জামায়াতের প্রার্থীদের হয়রানি করছে। এ বিষয়ে তারা একাধিক অভিযোগ ইসির কাছে দিলেও সেগুলোর কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন হামিদুর রহমান। তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানানো হলেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এত বড় একটি নির্বাচন স্থানীয় পর্যায়ে ছেড়ে দিলে বাস্তবায়ন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, একটি দল ভোটের আগে ঘরে ঘরে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘কৃষি কার্ড’সহ নানা নামে কার্ড বিতরণ করে ভোটারদের প্রলুব্ধ করছে। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে নির্বাচন কমিশনকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
মনোনয়ন ও যোগ্যতা যাচাই প্রসঙ্গে হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব, ঋণখেলাপিসহ বিভিন্ন বিষয়ে একেক জায়গায় একেক ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যা নির্বাচনী সমতার পরিপন্থী। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে জামায়াতের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে তিনি বলেন, জামায়াতের কোনো বিদেশি শাখা নেই এবং দলটি বাংলাদেশের নির্বাচন আইন মেনেই রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
হামিদুর রহমান বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পক্ষে সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে একতরফা আচরণ অব্যাহত থাকলে সে সহযোগিতা কতটুকু সম্ভব হবে– তা নতুন করে ভাবতে বাধ্য হবে দলটি।

নির্বাচনী মাঠে সমতা নেই, ইসিকে সতর্ক করল জামায়াত
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনী মাঠে এখন থেকেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা হয়নি– এমন অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি) সতর্ক করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, একটি নির্দিষ্ট দলকে ফেভার করা হচ্ছে, প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব দেখা যাচ্ছে এবং জামায়াতের নেতা-কর্মীদের হয়রানি করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে নিজেদের মতো করেই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড ঠিক করতে বাধ্য হবে তারা।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন হামিদুর রহমান আজাদ।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে একটি গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অপেক্ষায় আছে। অতীতের প্রহসনমূলক নির্বাচন থেকে বেরিয়ে এসে জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী একটি সুন্দর নির্বাচন উপহার দেওয়ার দায়িত্ব সরকার ও নির্বাচন কমিশনের। সে লক্ষ্যেই জামায়াত সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবিতে পাঁচ দফার ভিত্তিতে আন্দোলন করেছে এবং নির্বাচনী সমঝোতার উদ্যোগও নিয়েছে। সেই দাবির অন্যতম ছিল লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা।
কিন্তু বাস্তবে ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার ভাষায়, আগামী ২২ জানুয়ারি থেকে প্রচারণা শুরুর কথা থাকলেও একটি দল কয়েক দিন আগেই মাঠে নেমে গেছে। অন্যদিকে জামায়াতের প্রার্থীদের মাঠপর্যায়ে নানা ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। দলীয় সভা-সমাবেশ করতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি সেসব কর্মকাণ্ডকে নির্বাচনী প্রচার দেখিয়ে মামলা ও জরিমানার নোটিস দেওয়া হচ্ছে। অথচ যারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করছে, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।
হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত না হলে নির্বাচনী সমতা নিশ্চিত হবে না। ম্যাজিস্ট্রেট ও নির্বাচন কর্মকর্তাদের একাংশ শতপ্রণোদিত হয়ে জামায়াতের প্রার্থীদের হয়রানি করছে। এ বিষয়ে তারা একাধিক অভিযোগ ইসির কাছে দিলেও সেগুলোর কোনো কার্যকর পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না।
নির্বাচনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন হামিদুর রহমান। তিনি বলেন, ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানানো হলেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এত বড় একটি নির্বাচন স্থানীয় পর্যায়ে ছেড়ে দিলে বাস্তবায়ন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, একটি দল ভোটের আগে ঘরে ঘরে ‘ফ্যামিলি কার্ড’, ‘কৃষি কার্ড’সহ নানা নামে কার্ড বিতরণ করে ভোটারদের প্রলুব্ধ করছে। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে নির্বাচন কমিশনকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
মনোনয়ন ও যোগ্যতা যাচাই প্রসঙ্গে হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব, ঋণখেলাপিসহ বিভিন্ন বিষয়ে একেক জায়গায় একেক ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, যা নির্বাচনী সমতার পরিপন্থী। এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
পোস্টাল ব্যালট নিয়ে জামায়াতের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা দাবি করে তিনি বলেন, জামায়াতের কোনো বিদেশি শাখা নেই এবং দলটি বাংলাদেশের নির্বাচন আইন মেনেই রাজনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।
হামিদুর রহমান বলেন, সরকার ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে জামায়াত সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পক্ষে সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত। তবে একতরফা আচরণ অব্যাহত থাকলে সে সহযোগিতা কতটুকু সম্ভব হবে– তা নতুন করে ভাবতে বাধ্য হবে দলটি।




