‘ভাইয়া ডাকলে ভালো লাগবে’, তরুণদের তারেক রহমান

‘ভাইয়া ডাকলে ভালো লাগবে’, তরুণদের তারেক রহমান
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে ‘স্যার’ না ডেকে ‘ভাইয়া’ ডাকার পরামর্শ দিয়েছেন। নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এ আহ্বান জানান।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের র্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলের মেজবান হলে ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শুরু হয়। চট্টগ্রাম ও আশেপাশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, আমাদের বড় সুবিধা– দেশে তরুণদের সংখ্যা এখন অনেক বেশি। তা আগামী ১৫-২০ বছর থাকবে। এই ওয়ার্ক ফোর্সের সুবিধা আমরা পাব। তিনি বলেন, বললে অনেক কথা বলতে পারি– এ খারাপ, ও খারাপ। কিন্তু তাতে সমাধান আসবে না। অনেক সমস্যা আছে সেগুলো নিরসনে কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। ভবিষ্যতে আপনারা যারা দেশকে পরিচালনা করবেন তাদের কথা শুনতে চাই।
প্রথমেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তাসনুভা তাসরিনকে প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি ‘আসসালামুআলাইকুম স্যার’ বলে বক্তব্য শুরু করলে তারেক রহমান তাকে একটু থামান। বলেন, ‘আপনি, আপনারা যারা প্রশ্ন করবেন, হয় আমাকে ভাইয়া বলতে পারেন, অথবা আমাকে…।’
তাসনুভা এ সময় বলে ওঠেন, ‘থ্যাংক ইউ স্যার।’
এরপর তারেক রহমান তার অসম্পূর্ণ বাক্য শেষ করেন। তিনি বলেন, ‘বয়সের হিসেবে আঙ্কেল ডাকতে পারেন। তবে আঙ্কেল ডাকটা শুনতে খুব একটা পছন্দ করব না। ভাইয়া বললে ভালো লাগবে।’
তাসনুভা এসময় ‘আচ্ছা ধন্যবাদ, আচ্ছা ভাইয়া’ বলে প্রশ্ন শুরু করেন। তিনি বলেন, জামানত দেওয়ার নিয়মের কারণে তরুণ উদ্যোক্তারা ঋণ নিতে গিয়ে জটিলতায় পড়েন। বিএনপি নির্বাচিত হলে ভবিষ্যতে উদ্যোক্তাদের সহায়তায় কী পদক্ষেপ নেবে।
জবাবে তারেক রহমান বলেন, দেশে ব্যাংকঋণের ক্ষেত্রে অনেক জটিলতা আছে। নির্বাচিত হলে আইন সংশোধন করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি যারা পড়ালেখা করতে বিদেশে যেতে চায়, তাদের জন্য ‘স্টুডেন্ট লোন’ দেওয়া যায় কিনা সে ভাবনাও আছে।
তারেক রহমান বলেন, চট্টগ্রাম-ঢাকাসহ সব বড় শহরে জলাবদ্ধতা আছে। এটা কাটাতে একটা কাজ করতে হবে। তা হলো– খাল খনন। বৃষ্টি হলে পানি জমে যায়। পানিগুলো তো কোথাও যেতে হবে। তাই দরকার খাল খনন। সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমমিটার খাল আমরা খনন করব।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে ‘স্যার’ না ডেকে ‘ভাইয়া’ ডাকার পরামর্শ দিয়েছেন। নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এ আহ্বান জানান।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের র্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলের মেজবান হলে ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শুরু হয়। চট্টগ্রাম ও আশেপাশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, আমাদের বড় সুবিধা– দেশে তরুণদের সংখ্যা এখন অনেক বেশি। তা আগামী ১৫-২০ বছর থাকবে। এই ওয়ার্ক ফোর্সের সুবিধা আমরা পাব। তিনি বলেন, বললে অনেক কথা বলতে পারি– এ খারাপ, ও খারাপ। কিন্তু তাতে সমাধান আসবে না। অনেক সমস্যা আছে সেগুলো নিরসনে কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। ভবিষ্যতে আপনারা যারা দেশকে পরিচালনা করবেন তাদের কথা শুনতে চাই।
প্রথমেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তাসনুভা তাসরিনকে প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি ‘আসসালামুআলাইকুম স্যার’ বলে বক্তব্য শুরু করলে তারেক রহমান তাকে একটু থামান। বলেন, ‘আপনি, আপনারা যারা প্রশ্ন করবেন, হয় আমাকে ভাইয়া বলতে পারেন, অথবা আমাকে…।’
তাসনুভা এ সময় বলে ওঠেন, ‘থ্যাংক ইউ স্যার।’
এরপর তারেক রহমান তার অসম্পূর্ণ বাক্য শেষ করেন। তিনি বলেন, ‘বয়সের হিসেবে আঙ্কেল ডাকতে পারেন। তবে আঙ্কেল ডাকটা শুনতে খুব একটা পছন্দ করব না। ভাইয়া বললে ভালো লাগবে।’
তাসনুভা এসময় ‘আচ্ছা ধন্যবাদ, আচ্ছা ভাইয়া’ বলে প্রশ্ন শুরু করেন। তিনি বলেন, জামানত দেওয়ার নিয়মের কারণে তরুণ উদ্যোক্তারা ঋণ নিতে গিয়ে জটিলতায় পড়েন। বিএনপি নির্বাচিত হলে ভবিষ্যতে উদ্যোক্তাদের সহায়তায় কী পদক্ষেপ নেবে।
জবাবে তারেক রহমান বলেন, দেশে ব্যাংকঋণের ক্ষেত্রে অনেক জটিলতা আছে। নির্বাচিত হলে আইন সংশোধন করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি যারা পড়ালেখা করতে বিদেশে যেতে চায়, তাদের জন্য ‘স্টুডেন্ট লোন’ দেওয়া যায় কিনা সে ভাবনাও আছে।
তারেক রহমান বলেন, চট্টগ্রাম-ঢাকাসহ সব বড় শহরে জলাবদ্ধতা আছে। এটা কাটাতে একটা কাজ করতে হবে। তা হলো– খাল খনন। বৃষ্টি হলে পানি জমে যায়। পানিগুলো তো কোথাও যেতে হবে। তাই দরকার খাল খনন। সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমমিটার খাল আমরা খনন করব।

‘ভাইয়া ডাকলে ভালো লাগবে’, তরুণদের তারেক রহমান
চট্টগ্রাম সংবাদদাতা

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে ‘স্যার’ না ডেকে ‘ভাইয়া’ ডাকার পরামর্শ দিয়েছেন। নির্বাচনি প্রচারের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে তরুণদের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এ আহ্বান জানান।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামের র্যাডিসন ব্লু বে ভিউ হোটেলের মেজবান হলে ‘ইয়ুথ পলিসি টক উইথ তারেক রহমান’ শুরু হয়। চট্টগ্রাম ও আশেপাশের ৫০টি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের ৩৪০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন।
অনুষ্ঠানের সূচনা বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, আমাদের বড় সুবিধা– দেশে তরুণদের সংখ্যা এখন অনেক বেশি। তা আগামী ১৫-২০ বছর থাকবে। এই ওয়ার্ক ফোর্সের সুবিধা আমরা পাব। তিনি বলেন, বললে অনেক কথা বলতে পারি– এ খারাপ, ও খারাপ। কিন্তু তাতে সমাধান আসবে না। অনেক সমস্যা আছে সেগুলো নিরসনে কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। ভবিষ্যতে আপনারা যারা দেশকে পরিচালনা করবেন তাদের কথা শুনতে চাই।
প্রথমেই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী তাসনুভা তাসরিনকে প্রশ্ন করার সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি ‘আসসালামুআলাইকুম স্যার’ বলে বক্তব্য শুরু করলে তারেক রহমান তাকে একটু থামান। বলেন, ‘আপনি, আপনারা যারা প্রশ্ন করবেন, হয় আমাকে ভাইয়া বলতে পারেন, অথবা আমাকে…।’
তাসনুভা এ সময় বলে ওঠেন, ‘থ্যাংক ইউ স্যার।’
এরপর তারেক রহমান তার অসম্পূর্ণ বাক্য শেষ করেন। তিনি বলেন, ‘বয়সের হিসেবে আঙ্কেল ডাকতে পারেন। তবে আঙ্কেল ডাকটা শুনতে খুব একটা পছন্দ করব না। ভাইয়া বললে ভালো লাগবে।’
তাসনুভা এসময় ‘আচ্ছা ধন্যবাদ, আচ্ছা ভাইয়া’ বলে প্রশ্ন শুরু করেন। তিনি বলেন, জামানত দেওয়ার নিয়মের কারণে তরুণ উদ্যোক্তারা ঋণ নিতে গিয়ে জটিলতায় পড়েন। বিএনপি নির্বাচিত হলে ভবিষ্যতে উদ্যোক্তাদের সহায়তায় কী পদক্ষেপ নেবে।
জবাবে তারেক রহমান বলেন, দেশে ব্যাংকঋণের ক্ষেত্রে অনেক জটিলতা আছে। নির্বাচিত হলে আইন সংশোধন করে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি যারা পড়ালেখা করতে বিদেশে যেতে চায়, তাদের জন্য ‘স্টুডেন্ট লোন’ দেওয়া যায় কিনা সে ভাবনাও আছে।
তারেক রহমান বলেন, চট্টগ্রাম-ঢাকাসহ সব বড় শহরে জলাবদ্ধতা আছে। এটা কাটাতে একটা কাজ করতে হবে। তা হলো– খাল খনন। বৃষ্টি হলে পানি জমে যায়। পানিগুলো তো কোথাও যেতে হবে। তাই দরকার খাল খনন। সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমমিটার খাল আমরা খনন করব।




