কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী-সন্তানকে দাফন

কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী-সন্তানকে দাফন
বাগেরহাট সংবাদদাতা

বাগেরহাটে পারিবারিক কবরস্থানে কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসানের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা ওরফে স্বর্ণালী এবং তাদের ছেলে সেজাদ হাসান নাজিফকে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাত ১২টার দিকে সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সুবর্ণার বাবার বাড়ির কবরস্থানে মা-ছেলেকে শেষ বিদায় জানানো হয়। এর আগে স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে রাত ১১টা ২০ মিনিটে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
গত শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে কানিজের স্বামীর বাড়ি থেকে কানিজ সুবর্ণার ঝুলন্ত মরদেহ ও ছেলে সেজাদ হাসান নাজিফের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল বর্তমানে যশোর জেলা কারাগারে বন্দি আছেন।
বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার দুপুরে মা ও ছেলের মরদেহ সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সুবর্ণার বাবার বাড়িতে আনা হয়। সেখানে গোসল শেষে বিকাল সোয়া ৪টার দিকে লাশবাহী গাড়িতে করে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয় তাদের মরদেহ। সেখানে স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ শেষবারের মতো দেখেন জুয়েল।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, মানবিক দিক বিবেচনা করে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে জুয়েলের পরিবারের ছয় সদস্যকে কারাফটকে ঢুকতে দেওয়া হয়।
কানিজ সুবর্ণার ভাই মো. শুভ বলেন, স্বামী কারাবন্দি থাকায় অনেকটাই হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন তার বোন। তবে অন্য কিছুও থাকতে পারে। তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনা তদন্তের দাবি জানান। তিনি বলেন, ছেলেটারে আমার দুলাভাই একবারও কোলে নিতে পারেনি। শেষবারের জন্য যেন একটু দেখতে পারে, তাই নিয়ে (কারাফটকে) গিয়েছিলাম।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন গণমাধ্যমকে বলেন, প্যারোলের একটি আবেদন ছিল। তাদের বুঝিয়ে বলা হয়েছে। যেহেতু সে আছে যশোরের কারাগারে, আবেদন করতে হবে সেখানকার (যশোরের) জেলা প্রশাসক বা জেল সুপারের কাছে। এখানকার (বাগেরহাটের) প্রশাসন তাদের বিষয়ে যশোর জেলা কারাগারেও বলে দিয়েছিল। কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে, যেন সুন্দরভাবে, সঠিকভাবে তাদের মৃত স্বজনের মরদেহ দেখতে পারে। আমরা তাদের সেখানে যাওয়া এবং দেখার বিষয়ে সহযোগিতা করেছি।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে আত্মগোপনে ছিলেন জুয়েল। গত বছরের ৫ এপ্রিল গোপালগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তখন থেকেই তিনি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে আছেন।

বাগেরহাটে পারিবারিক কবরস্থানে কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসানের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা ওরফে স্বর্ণালী এবং তাদের ছেলে সেজাদ হাসান নাজিফকে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাত ১২টার দিকে সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সুবর্ণার বাবার বাড়ির কবরস্থানে মা-ছেলেকে শেষ বিদায় জানানো হয়। এর আগে স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে রাত ১১টা ২০ মিনিটে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
গত শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে কানিজের স্বামীর বাড়ি থেকে কানিজ সুবর্ণার ঝুলন্ত মরদেহ ও ছেলে সেজাদ হাসান নাজিফের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল বর্তমানে যশোর জেলা কারাগারে বন্দি আছেন।
বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার দুপুরে মা ও ছেলের মরদেহ সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সুবর্ণার বাবার বাড়িতে আনা হয়। সেখানে গোসল শেষে বিকাল সোয়া ৪টার দিকে লাশবাহী গাড়িতে করে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয় তাদের মরদেহ। সেখানে স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ শেষবারের মতো দেখেন জুয়েল।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, মানবিক দিক বিবেচনা করে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে জুয়েলের পরিবারের ছয় সদস্যকে কারাফটকে ঢুকতে দেওয়া হয়।
কানিজ সুবর্ণার ভাই মো. শুভ বলেন, স্বামী কারাবন্দি থাকায় অনেকটাই হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন তার বোন। তবে অন্য কিছুও থাকতে পারে। তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনা তদন্তের দাবি জানান। তিনি বলেন, ছেলেটারে আমার দুলাভাই একবারও কোলে নিতে পারেনি। শেষবারের জন্য যেন একটু দেখতে পারে, তাই নিয়ে (কারাফটকে) গিয়েছিলাম।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন গণমাধ্যমকে বলেন, প্যারোলের একটি আবেদন ছিল। তাদের বুঝিয়ে বলা হয়েছে। যেহেতু সে আছে যশোরের কারাগারে, আবেদন করতে হবে সেখানকার (যশোরের) জেলা প্রশাসক বা জেল সুপারের কাছে। এখানকার (বাগেরহাটের) প্রশাসন তাদের বিষয়ে যশোর জেলা কারাগারেও বলে দিয়েছিল। কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে, যেন সুন্দরভাবে, সঠিকভাবে তাদের মৃত স্বজনের মরদেহ দেখতে পারে। আমরা তাদের সেখানে যাওয়া এবং দেখার বিষয়ে সহযোগিতা করেছি।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে আত্মগোপনে ছিলেন জুয়েল। গত বছরের ৫ এপ্রিল গোপালগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তখন থেকেই তিনি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে আছেন।

কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী-সন্তানকে দাফন
বাগেরহাট সংবাদদাতা

বাগেরহাটে পারিবারিক কবরস্থানে কারাবন্দি ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল হাসানের স্ত্রী কানিজ সুবর্ণা ওরফে স্বর্ণালী এবং তাদের ছেলে সেজাদ হাসান নাজিফকে পাশাপাশি দাফন করা হয়েছে।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাত ১২টার দিকে সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সুবর্ণার বাবার বাড়ির কবরস্থানে মা-ছেলেকে শেষ বিদায় জানানো হয়। এর আগে স্থানীয় ঈদগাহ মাঠে রাত ১১টা ২০ মিনিটে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
গত শুক্রবার দুপুরে সদর উপজেলার সাবেকডাঙ্গা গ্রামে কানিজের স্বামীর বাড়ি থেকে কানিজ সুবর্ণার ঝুলন্ত মরদেহ ও ছেলে সেজাদ হাসান নাজিফের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল বর্তমানে যশোর জেলা কারাগারে বন্দি আছেন।
বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে শনিবার দুপুরে মা ও ছেলের মরদেহ সাবেকডাঙ্গা গ্রামে সুবর্ণার বাবার বাড়িতে আনা হয়। সেখানে গোসল শেষে বিকাল সোয়া ৪টার দিকে লাশবাহী গাড়িতে করে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেওয়া হয় তাদের মরদেহ। সেখানে স্ত্রী-সন্তানের মরদেহ শেষবারের মতো দেখেন জুয়েল।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, মানবিক দিক বিবেচনা করে মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে জুয়েলের পরিবারের ছয় সদস্যকে কারাফটকে ঢুকতে দেওয়া হয়।
কানিজ সুবর্ণার ভাই মো. শুভ বলেন, স্বামী কারাবন্দি থাকায় অনেকটাই হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন তার বোন। তবে অন্য কিছুও থাকতে পারে। তিনি প্রশাসনের কাছে ঘটনা তদন্তের দাবি জানান। তিনি বলেন, ছেলেটারে আমার দুলাভাই একবারও কোলে নিতে পারেনি। শেষবারের জন্য যেন একটু দেখতে পারে, তাই নিয়ে (কারাফটকে) গিয়েছিলাম।
বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন গণমাধ্যমকে বলেন, প্যারোলের একটি আবেদন ছিল। তাদের বুঝিয়ে বলা হয়েছে। যেহেতু সে আছে যশোরের কারাগারে, আবেদন করতে হবে সেখানকার (যশোরের) জেলা প্রশাসক বা জেল সুপারের কাছে। এখানকার (বাগেরহাটের) প্রশাসন তাদের বিষয়ে যশোর জেলা কারাগারেও বলে দিয়েছিল। কারা কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে, যেন সুন্দরভাবে, সঠিকভাবে তাদের মৃত স্বজনের মরদেহ দেখতে পারে। আমরা তাদের সেখানে যাওয়া এবং দেখার বিষয়ে সহযোগিতা করেছি।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট থেকে আত্মগোপনে ছিলেন জুয়েল। গত বছরের ৫ এপ্রিল গোপালগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তখন থেকেই তিনি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে আছেন।




