নবীনগরে ২৩০ বছরের পুরোনো দৃষ্টিনন্দন ভূঁইয়া বাড়ি মসজিদ

নবীনগরে ২৩০ বছরের পুরোনো দৃষ্টিনন্দন ভূঁইয়া বাড়ি মসজিদ
সিটিজেন-ডেস্ক

প্রায় ২৩০ বছর আগে নির্মিত এক গম্বুজ বিশিষ্ট বড়িকান্দি ভূঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদ এক প্রাচীন স্থাপত্যের নাম। দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি গ্রামে অবস্থিত। ১৭৯৫ সালে মসজিদটি নির্মাণ করেন বড়িকান্দি ভূঁইয়া বাড়ির প্রয়াত আশিক ভূঁইয়া।
আনুমানিক ১০ শতক জায়গা জুড়ে মসজিদ প্রাঙ্গণের পশ্চিম পাশে রয়েছে বিশাল এক পুকুর। দক্ষিণে ভূঁইয়া বাড়ি ঈদগাহ মাঠ। উত্তরে মানিকনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
মসজিদের একটিই গম্বুজ, সেটি আল্লাহর একত্ববাদের ঘোষণা দেয়। সুবিশাল মিনার থেকে ভেসে আসা আজানের ধ্বনি মসজিদ চত্বরে এক সুমধুর পরিবেশ তৈরি করে। মসজিদটির ভেতরের দেয়ালে কারুকাজে নানা রকম হালকা নকশা, যা সবার নজর কাড়ে।
মসজিদের ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, মূল স্থাপনাটির আকার খুবই ছোট। নির্মাণকালীন তিন কাতার মুসল্লি ধারণ ক্ষমতা রেখেই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। যেখানে ইমামসহ প্রায় শতাধিক মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন।
মসজিদ আঙিনায় দেখা মিলেছে, গভীর এক কুয়া। অতীতে মুসল্লিরা এ কুয়া থেকে পানি তুলে অজু করতেন। আশপাশের অনেক পরিবারও এ কুয়ার পানি ব্যবহার করতো। বর্তমানে কুয়াটি আর ব্যবহার করা হয় না, এটি সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, ইতিহাস-ঐতিহ্যের ধারাকে লালন করে দাঁড়িয়ে আছে দৃষ্টিনন্দন প্রাচীন বড়িকান্দি ভূঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদ। এর সৌন্দর্য দেখার জন্য এখনো দূর-দূরান্ত থেকে বহু দর্শনার্থী ভিড় জমায়।
তারা বলেন, আমাদের পূর্বপুরুষেরা এই মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন। বর্তমানে আমরাও নামাজ আদায় করছি। মসজিদটি সরকারি উদ্যোগে সংস্কার করে সংরক্ষণ করা গেলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এ মসজিদে নামাজ আদায় করতে পারবে।

প্রায় ২৩০ বছর আগে নির্মিত এক গম্বুজ বিশিষ্ট বড়িকান্দি ভূঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদ এক প্রাচীন স্থাপত্যের নাম। দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি গ্রামে অবস্থিত। ১৭৯৫ সালে মসজিদটি নির্মাণ করেন বড়িকান্দি ভূঁইয়া বাড়ির প্রয়াত আশিক ভূঁইয়া।
আনুমানিক ১০ শতক জায়গা জুড়ে মসজিদ প্রাঙ্গণের পশ্চিম পাশে রয়েছে বিশাল এক পুকুর। দক্ষিণে ভূঁইয়া বাড়ি ঈদগাহ মাঠ। উত্তরে মানিকনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
মসজিদের একটিই গম্বুজ, সেটি আল্লাহর একত্ববাদের ঘোষণা দেয়। সুবিশাল মিনার থেকে ভেসে আসা আজানের ধ্বনি মসজিদ চত্বরে এক সুমধুর পরিবেশ তৈরি করে। মসজিদটির ভেতরের দেয়ালে কারুকাজে নানা রকম হালকা নকশা, যা সবার নজর কাড়ে।
মসজিদের ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, মূল স্থাপনাটির আকার খুবই ছোট। নির্মাণকালীন তিন কাতার মুসল্লি ধারণ ক্ষমতা রেখেই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। যেখানে ইমামসহ প্রায় শতাধিক মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন।
মসজিদ আঙিনায় দেখা মিলেছে, গভীর এক কুয়া। অতীতে মুসল্লিরা এ কুয়া থেকে পানি তুলে অজু করতেন। আশপাশের অনেক পরিবারও এ কুয়ার পানি ব্যবহার করতো। বর্তমানে কুয়াটি আর ব্যবহার করা হয় না, এটি সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, ইতিহাস-ঐতিহ্যের ধারাকে লালন করে দাঁড়িয়ে আছে দৃষ্টিনন্দন প্রাচীন বড়িকান্দি ভূঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদ। এর সৌন্দর্য দেখার জন্য এখনো দূর-দূরান্ত থেকে বহু দর্শনার্থী ভিড় জমায়।
তারা বলেন, আমাদের পূর্বপুরুষেরা এই মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন। বর্তমানে আমরাও নামাজ আদায় করছি। মসজিদটি সরকারি উদ্যোগে সংস্কার করে সংরক্ষণ করা গেলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এ মসজিদে নামাজ আদায় করতে পারবে।

নবীনগরে ২৩০ বছরের পুরোনো দৃষ্টিনন্দন ভূঁইয়া বাড়ি মসজিদ
সিটিজেন-ডেস্ক

প্রায় ২৩০ বছর আগে নির্মিত এক গম্বুজ বিশিষ্ট বড়িকান্দি ভূঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদ এক প্রাচীন স্থাপত্যের নাম। দৃষ্টিনন্দন এ মসজিদটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বড়িকান্দি গ্রামে অবস্থিত। ১৭৯৫ সালে মসজিদটি নির্মাণ করেন বড়িকান্দি ভূঁইয়া বাড়ির প্রয়াত আশিক ভূঁইয়া।
আনুমানিক ১০ শতক জায়গা জুড়ে মসজিদ প্রাঙ্গণের পশ্চিম পাশে রয়েছে বিশাল এক পুকুর। দক্ষিণে ভূঁইয়া বাড়ি ঈদগাহ মাঠ। উত্তরে মানিকনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
মসজিদের একটিই গম্বুজ, সেটি আল্লাহর একত্ববাদের ঘোষণা দেয়। সুবিশাল মিনার থেকে ভেসে আসা আজানের ধ্বনি মসজিদ চত্বরে এক সুমধুর পরিবেশ তৈরি করে। মসজিদটির ভেতরের দেয়ালে কারুকাজে নানা রকম হালকা নকশা, যা সবার নজর কাড়ে।
মসজিদের ভেতরে গিয়ে দেখা যায়, মূল স্থাপনাটির আকার খুবই ছোট। নির্মাণকালীন তিন কাতার মুসল্লি ধারণ ক্ষমতা রেখেই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল। যেখানে ইমামসহ প্রায় শতাধিক মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন।
মসজিদ আঙিনায় দেখা মিলেছে, গভীর এক কুয়া। অতীতে মুসল্লিরা এ কুয়া থেকে পানি তুলে অজু করতেন। আশপাশের অনেক পরিবারও এ কুয়ার পানি ব্যবহার করতো। বর্তমানে কুয়াটি আর ব্যবহার করা হয় না, এটি সংরক্ষণ করে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় মুসল্লিরা জানান, ইতিহাস-ঐতিহ্যের ধারাকে লালন করে দাঁড়িয়ে আছে দৃষ্টিনন্দন প্রাচীন বড়িকান্দি ভূঁইয়া বাড়ি জামে মসজিদ। এর সৌন্দর্য দেখার জন্য এখনো দূর-দূরান্ত থেকে বহু দর্শনার্থী ভিড় জমায়।
তারা বলেন, আমাদের পূর্বপুরুষেরা এই মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন। বর্তমানে আমরাও নামাজ আদায় করছি। মসজিদটি সরকারি উদ্যোগে সংস্কার করে সংরক্ষণ করা গেলে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম এ মসজিদে নামাজ আদায় করতে পারবে।




