মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে জেলে আহত, সীমান্তে সতর্কতা

মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে জেলে আহত, সীমান্তে সতর্কতা
সিটিজেন-ডেস্ক

মিয়ানমারে গোলাগুলির সময় কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফ নদীতে এক জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এরপর স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলে ও বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে নাফ নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ জেলের নাম মো. আলমগীর (৩০)। তিনি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বালুখালী গ্রামের মৃত ছৈয়দ বলির ছেলে। তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পরিবারের অভিযোগ, মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত হয়েছেন তিনি।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম বলেন, রাতে মিয়ানমারে গোলাগুলির সময় একটি গুলি এসে নাফ নদীতে এক জেলের গায়ে লেগেছে। এই অবস্থায় জেলে ও সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সিরাজুল মোস্তফা লালু বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন সীমান্ত এলাকায় মাঝেমধ্যে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। আজও কয়েকটি গুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।
আহত ব্যক্তির বড় ভাই সরওয়ার আলম বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর আলমগীর ও মো. আকবর নাফ নদীর হোয়াইক্যং এলাকার বিলাইচ্ছর দ্বীপ সংলগ্ন এলাকায় মাছ ধরতে যান। নৌকা থেকে নদীতে জাল ফেলছিলেন তারা। এ সময় গুলির বিকট শব্দ শোনা যায়। একপর্যায়ে আলমগীর নৌকার ভেতরে লুটিয়ে পড়েন। একটি গুলি তার বাম হাত ভেদ করে বের হয়ে যায়। সঙ্গে থাকা অন্য জেলেরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
বিজিবি উখিয়া ৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, নাফ নদীতে এক জেলে গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

মিয়ানমারে গোলাগুলির সময় কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফ নদীতে এক জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এরপর স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলে ও বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে নাফ নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ জেলের নাম মো. আলমগীর (৩০)। তিনি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বালুখালী গ্রামের মৃত ছৈয়দ বলির ছেলে। তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পরিবারের অভিযোগ, মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত হয়েছেন তিনি।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম বলেন, রাতে মিয়ানমারে গোলাগুলির সময় একটি গুলি এসে নাফ নদীতে এক জেলের গায়ে লেগেছে। এই অবস্থায় জেলে ও সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সিরাজুল মোস্তফা লালু বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন সীমান্ত এলাকায় মাঝেমধ্যে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। আজও কয়েকটি গুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।
আহত ব্যক্তির বড় ভাই সরওয়ার আলম বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর আলমগীর ও মো. আকবর নাফ নদীর হোয়াইক্যং এলাকার বিলাইচ্ছর দ্বীপ সংলগ্ন এলাকায় মাছ ধরতে যান। নৌকা থেকে নদীতে জাল ফেলছিলেন তারা। এ সময় গুলির বিকট শব্দ শোনা যায়। একপর্যায়ে আলমগীর নৌকার ভেতরে লুটিয়ে পড়েন। একটি গুলি তার বাম হাত ভেদ করে বের হয়ে যায়। সঙ্গে থাকা অন্য জেলেরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
বিজিবি উখিয়া ৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, নাফ নদীতে এক জেলে গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে জেলে আহত, সীমান্তে সতর্কতা
সিটিজেন-ডেস্ক

মিয়ানমারে গোলাগুলির সময় কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফ নদীতে এক জেলে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এরপর স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেলে ও বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতে নাফ নদীতে এ ঘটনা ঘটে।
গুলিবিদ্ধ জেলের নাম মো. আলমগীর (৩০)। তিনি টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বালুখালী গ্রামের মৃত ছৈয়দ বলির ছেলে। তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
পরিবারের অভিযোগ, মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত হয়েছেন তিনি।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. ইমামুল হাফিজ নাদিম বলেন, রাতে মিয়ানমারে গোলাগুলির সময় একটি গুলি এসে নাফ নদীতে এক জেলের গায়ে লেগেছে। এই অবস্থায় জেলে ও সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
হোয়াইক্যং ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য সিরাজুল মোস্তফা লালু বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন সীমান্ত এলাকায় মাঝেমধ্যে গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়। আজও কয়েকটি গুলি ও বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।
আহত ব্যক্তির বড় ভাই সরওয়ার আলম বলেন, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর আলমগীর ও মো. আকবর নাফ নদীর হোয়াইক্যং এলাকার বিলাইচ্ছর দ্বীপ সংলগ্ন এলাকায় মাছ ধরতে যান। নৌকা থেকে নদীতে জাল ফেলছিলেন তারা। এ সময় গুলির বিকট শব্দ শোনা যায়। একপর্যায়ে আলমগীর নৌকার ভেতরে লুটিয়ে পড়েন। একটি গুলি তার বাম হাত ভেদ করে বের হয়ে যায়। সঙ্গে থাকা অন্য জেলেরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
বিজিবি উখিয়া ৬৪ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, নাফ নদীতে এক জেলে গুলিবিদ্ধ হওয়ার বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। ঘটনার পর সীমান্ত এলাকায় টহল জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।




