শিরোনাম

টাস্কফোর্সে আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি বিশেষজ্ঞদের বাদ দেওয়া কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
টাস্কফোর্সে আয়ুর্বেদিক ও ইউনানি বিশেষজ্ঞদের বাদ দেওয়া কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল
হাইকোর্ট ঞছব:সংগৃহীত)

‘অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা’ এবং ওষুধের যৌক্তিক মূল্য নির্ধারণের জন্য গঠিত টাস্কফোর্সে আয়ুর্বেদিক, ইউনানি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের বাদ দেওয়া কেন অবৈধ নয়-সে বিষয়ে জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিচারপতি আহমেদ সোহেল এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ইউনানি মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এ.কে. মাহবুবুর রহমান এবং অন্য একজনের দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেওয়া হয়। রিটে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এবং ঔষধ প্রশাসন-১ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিট আবেদন থেকে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৪ জুলাই ১৮ সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করা হয়। তবে এই টাস্কফোর্সে আয়ুর্বেদিক, ইউনানি, হোমিওপ্যাথি, বায়োকেমিক, হারবাল এবং ভেটেরিনারি বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। রিটকারীদের দাবি অনুযায়ী, এই বর্জন ওষুধ ও প্রসাধন সামগ্রী আইন–২০২৩-এর ধারা ১৩ এবং ২০২৪ সালের ১০ নভেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের দেওয়া নির্দেশনার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

আদালত বিবাদীদের প্রতি জানতে চেয়েছেন, সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের বাদ দিয়ে গঠিত এই টাস্কফোর্সের প্রজ্ঞাপন কেন অবৈধ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং আইনগত কর্তৃত্বহীন ঘোষণা করা হবে না। কেন সব স্টেকহোল্ডারদের (আয়ুর্বেদিক, ইউনানি, হোমিওপ্যাথি, বায়োকেমিক, হারবাল ও ভেটেরিনারি বিশেষজ্ঞ) এই টাস্কফোর্সে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হবে না। আদালত এই রুলের জবাব দেওয়ার জন্য বিবাদীদের আগামী তিন সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছেন। আবেদনকারীর পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিক।

জানা গেছে, এই টাস্কফোর্সের কাজ ছিল দেশের ওষুধের প্রয়োজনীয় তালিকা তৈরি এবং ওষুধের সঠিক মূল্য নির্ধারণে সরকারকে সুপারিশ করা, যা বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি না থাকায় প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।