জামায়াত চাঁদাবাজদের হালাল রোজগারের ব্যবস্থা করে দেবে: শফিকুর রহমান

জামায়াত চাঁদাবাজদের হালাল রোজগারের ব্যবস্থা করে দেবে: শফিকুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত চাঁদাবাজদের হালাল রোজগারের ব্যবস্থা করে দেবে। আর যদি এই পথ বাদ না দেওয়া হয় তাদের লাল কার্ড দেখানো হবে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা ব্রিজ এলাকায় আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় চাঁদাবাজদের ভালো পথে ফিরে আসার আহ্বান জানান তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা আর বস্তাপচা রাজনীতি চাই না। যুবসমাজ এরইমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে তারা বস্তাপচা রাজনীতি চায় না। তারা দুর্নীতিমুক্ত, ফ্যাসিবাদের ছায়া এবং আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ চায়। যারা জনগণের ভাষা বুঝতে পারে না, আগামী ১২ তারিখ জাতি তাদের সেই ভাষা বুঝিয়ে দেবে।’
চাঁদাবাজদের নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘এই দেশে নতুন একটা পেশা ভালো চলছে সেটি হলো চাঁদাবাজি। জামায়াত চাঁদাবাজদের হালাল রোজগারের ব্যবস্থা করে দেবে। চাঁদাবাজি ভিক্ষার চেয়েও নিকৃষ্ট। নিজেরা এই কাজ করবো না, আমরা কাউকে চাঁদাবাজি করতেও দিবো না।’
জামায়াতের আমির বলেন, ‘জামায়াত ক্ষমতায় এসে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যর্থ হলে মেয়র ও কাউন্সিলরদের বছরে ৪ বার পচা ডোবা পানিতে গোসল করানো হবে। এই নদীর পানিকে মুক্তার মতো পরিষ্কার রাখতে তারা বাধ্য থাকবে। যে জনপ্রতিনিধি এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হবে তাকে বরখাস্ত করা হবে।’
কওমি শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে প্রত্যেক সরকার অবহেলা করেছে। তারাও এদেশের নাগরিক। সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সরকার পৃষ্ঠপোষকতা করলে তাদের কেন করবে না? ক্ষমতায় গেলে কওমি মাদ্রাসার নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বসে তাদের ইচ্ছা এবং পরামর্শ অনুযায়ী কওমি মাদ্রাসাকে সম্মানের জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে।’
সমাবেশে ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এবং ঢাকা-৫ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেনের পক্ষে ভোট চান জামায়াত আমীর।

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত চাঁদাবাজদের হালাল রোজগারের ব্যবস্থা করে দেবে। আর যদি এই পথ বাদ না দেওয়া হয় তাদের লাল কার্ড দেখানো হবে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা ব্রিজ এলাকায় আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় চাঁদাবাজদের ভালো পথে ফিরে আসার আহ্বান জানান তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা আর বস্তাপচা রাজনীতি চাই না। যুবসমাজ এরইমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে তারা বস্তাপচা রাজনীতি চায় না। তারা দুর্নীতিমুক্ত, ফ্যাসিবাদের ছায়া এবং আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ চায়। যারা জনগণের ভাষা বুঝতে পারে না, আগামী ১২ তারিখ জাতি তাদের সেই ভাষা বুঝিয়ে দেবে।’
চাঁদাবাজদের নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘এই দেশে নতুন একটা পেশা ভালো চলছে সেটি হলো চাঁদাবাজি। জামায়াত চাঁদাবাজদের হালাল রোজগারের ব্যবস্থা করে দেবে। চাঁদাবাজি ভিক্ষার চেয়েও নিকৃষ্ট। নিজেরা এই কাজ করবো না, আমরা কাউকে চাঁদাবাজি করতেও দিবো না।’
জামায়াতের আমির বলেন, ‘জামায়াত ক্ষমতায় এসে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যর্থ হলে মেয়র ও কাউন্সিলরদের বছরে ৪ বার পচা ডোবা পানিতে গোসল করানো হবে। এই নদীর পানিকে মুক্তার মতো পরিষ্কার রাখতে তারা বাধ্য থাকবে। যে জনপ্রতিনিধি এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হবে তাকে বরখাস্ত করা হবে।’
কওমি শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে প্রত্যেক সরকার অবহেলা করেছে। তারাও এদেশের নাগরিক। সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সরকার পৃষ্ঠপোষকতা করলে তাদের কেন করবে না? ক্ষমতায় গেলে কওমি মাদ্রাসার নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বসে তাদের ইচ্ছা এবং পরামর্শ অনুযায়ী কওমি মাদ্রাসাকে সম্মানের জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে।’
সমাবেশে ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এবং ঢাকা-৫ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেনের পক্ষে ভোট চান জামায়াত আমীর।

জামায়াত চাঁদাবাজদের হালাল রোজগারের ব্যবস্থা করে দেবে: শফিকুর রহমান
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত চাঁদাবাজদের হালাল রোজগারের ব্যবস্থা করে দেবে। আর যদি এই পথ বাদ না দেওয়া হয় তাদের লাল কার্ড দেখানো হবে।
রবিবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর কাজলা ব্রিজ এলাকায় আয়োজিত নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় চাঁদাবাজদের ভালো পথে ফিরে আসার আহ্বান জানান তিনি।
জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা আর বস্তাপচা রাজনীতি চাই না। যুবসমাজ এরইমধ্যে জানিয়ে দিয়েছে তারা বস্তাপচা রাজনীতি চায় না। তারা দুর্নীতিমুক্ত, ফ্যাসিবাদের ছায়া এবং আধিপত্যবাদমুক্ত বাংলাদেশ চায়। যারা জনগণের ভাষা বুঝতে পারে না, আগামী ১২ তারিখ জাতি তাদের সেই ভাষা বুঝিয়ে দেবে।’
চাঁদাবাজদের নিয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘এই দেশে নতুন একটা পেশা ভালো চলছে সেটি হলো চাঁদাবাজি। জামায়াত চাঁদাবাজদের হালাল রোজগারের ব্যবস্থা করে দেবে। চাঁদাবাজি ভিক্ষার চেয়েও নিকৃষ্ট। নিজেরা এই কাজ করবো না, আমরা কাউকে চাঁদাবাজি করতেও দিবো না।’
জামায়াতের আমির বলেন, ‘জামায়াত ক্ষমতায় এসে জলাবদ্ধতা নিরসনে ব্যর্থ হলে মেয়র ও কাউন্সিলরদের বছরে ৪ বার পচা ডোবা পানিতে গোসল করানো হবে। এই নদীর পানিকে মুক্তার মতো পরিষ্কার রাখতে তারা বাধ্য থাকবে। যে জনপ্রতিনিধি এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হবে তাকে বরখাস্ত করা হবে।’
কওমি শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘কওমি মাদ্রাসার শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে প্রত্যেক সরকার অবহেলা করেছে। তারাও এদেশের নাগরিক। সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সরকার পৃষ্ঠপোষকতা করলে তাদের কেন করবে না? ক্ষমতায় গেলে কওমি মাদ্রাসার নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে বসে তাদের ইচ্ছা এবং পরামর্শ অনুযায়ী কওমি মাদ্রাসাকে সম্মানের জায়গায় নিয়ে যাওয়া হবে।’
সমাবেশে ঢাকা-৪ আসনের প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন এবং ঢাকা-৫ আসনের প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেনের পক্ষে ভোট চান জামায়াত আমীর।




