মহাসড়কের ডিভাইডারে সবজি চাষ

মহাসড়কের ডিভাইডারে সবজি চাষ
সিটিজেন-ডেস্ক

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক ব্যস্ততম একটি মহাসড়ক। এই সড়কের ডিভাইডারে (বিভাজক) পরিত্যক্ত জায়গায় চাষাবাদ করা হয়েছে শীতকালীন সবজি। অভিনব এই উদ্যোগ নিয়েছেন কৃষক শামীম মিয়া ও আমিরুল ইসলাম। তারা উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা।
শামীম ও আমিরুল জানান, ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ডিভাইডারের বেশ কিছু জায়গা পরিত্যক্ত ছিল। এসব স্থানে আলু, লাউ শাক, পালং ও লাল শাকসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করেছি। সবজির ফলনও ভালো হয়েছে। নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে প্রতিবেশীদেরও দিচ্ছি।
তারা জানান, নিজেদের পারিবারিক চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় হচ্ছে। মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী চালক ও যাত্রীরা এই দৃশ্য উপভোগ করছেন। অনেকেই গাড়ি থামিয়ে টাটকা সবজিও কিনছেন। দামও কিছুটা কম।

প্রায় ৪ কিলোমিটার মহাসড়কে সবজির চাষ করা হয়েছে। চাষ করা সবজির মধ্যে রয়েছে- পেঁয়াজ, পেঁপে, মরিচ, মুলা, পালংশাক, লালশাক, লাউ ও ধনেপাতা। মহাসড়কে যাত্রীদের চোখে ধরা দিচ্ছে ভিন্ন এক সৌন্দর্য। এই সবজি চাষ সড়কে এনে দিয়েছে সতেজতা ও প্রাণের ছোঁয়া।
পথচারী আশিক খান রাফি বলেন, 'এ পথে চলাচলের সময় খুবই ভালো লাগে। টাটকা সবজি কয়েকদিন আগে এখান থেকে কিনে নিয়ে গিয়েছিলাম, বেশ ভালো লেগেছে।’
অভিনব এই চাষাবাদে সহযোগিতা করেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস। এ বিষয়ে গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. আসাদুজ্জামান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, 'উত্তরের জনপদ গাইবান্ধা জেলা অনেকের কাছে সবজির ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত। মহাসড়কে ডিভাইডারের পরিত্যক্ত জায়গায় সবজি চাষে কৃষকদের আগ্রহ দেখে খুব ভালো লাগছে। কৃষি অফিস থেকে কৌশলগত সহায়তা করা হচ্ছে। বীজও দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।'

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক ব্যস্ততম একটি মহাসড়ক। এই সড়কের ডিভাইডারে (বিভাজক) পরিত্যক্ত জায়গায় চাষাবাদ করা হয়েছে শীতকালীন সবজি। অভিনব এই উদ্যোগ নিয়েছেন কৃষক শামীম মিয়া ও আমিরুল ইসলাম। তারা উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা।
শামীম ও আমিরুল জানান, ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ডিভাইডারের বেশ কিছু জায়গা পরিত্যক্ত ছিল। এসব স্থানে আলু, লাউ শাক, পালং ও লাল শাকসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করেছি। সবজির ফলনও ভালো হয়েছে। নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে প্রতিবেশীদেরও দিচ্ছি।
তারা জানান, নিজেদের পারিবারিক চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় হচ্ছে। মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী চালক ও যাত্রীরা এই দৃশ্য উপভোগ করছেন। অনেকেই গাড়ি থামিয়ে টাটকা সবজিও কিনছেন। দামও কিছুটা কম।

প্রায় ৪ কিলোমিটার মহাসড়কে সবজির চাষ করা হয়েছে। চাষ করা সবজির মধ্যে রয়েছে- পেঁয়াজ, পেঁপে, মরিচ, মুলা, পালংশাক, লালশাক, লাউ ও ধনেপাতা। মহাসড়কে যাত্রীদের চোখে ধরা দিচ্ছে ভিন্ন এক সৌন্দর্য। এই সবজি চাষ সড়কে এনে দিয়েছে সতেজতা ও প্রাণের ছোঁয়া।
পথচারী আশিক খান রাফি বলেন, 'এ পথে চলাচলের সময় খুবই ভালো লাগে। টাটকা সবজি কয়েকদিন আগে এখান থেকে কিনে নিয়ে গিয়েছিলাম, বেশ ভালো লেগেছে।’
অভিনব এই চাষাবাদে সহযোগিতা করেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস। এ বিষয়ে গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. আসাদুজ্জামান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, 'উত্তরের জনপদ গাইবান্ধা জেলা অনেকের কাছে সবজির ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত। মহাসড়কে ডিভাইডারের পরিত্যক্ত জায়গায় সবজি চাষে কৃষকদের আগ্রহ দেখে খুব ভালো লাগছে। কৃষি অফিস থেকে কৌশলগত সহায়তা করা হচ্ছে। বীজও দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।'

মহাসড়কের ডিভাইডারে সবজি চাষ
সিটিজেন-ডেস্ক

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের ঢাকা-রংপুর মহাসড়ক ব্যস্ততম একটি মহাসড়ক। এই সড়কের ডিভাইডারে (বিভাজক) পরিত্যক্ত জায়গায় চাষাবাদ করা হয়েছে শীতকালীন সবজি। অভিনব এই উদ্যোগ নিয়েছেন কৃষক শামীম মিয়া ও আমিরুল ইসলাম। তারা উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা।
শামীম ও আমিরুল জানান, ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ডিভাইডারের বেশ কিছু জায়গা পরিত্যক্ত ছিল। এসব স্থানে আলু, লাউ শাক, পালং ও লাল শাকসহ বিভিন্ন সবজি চাষ করেছি। সবজির ফলনও ভালো হয়েছে। নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে প্রতিবেশীদেরও দিচ্ছি।
তারা জানান, নিজেদের পারিবারিক চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারে বিক্রি করে বাড়তি আয় হচ্ছে। মহাসড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী চালক ও যাত্রীরা এই দৃশ্য উপভোগ করছেন। অনেকেই গাড়ি থামিয়ে টাটকা সবজিও কিনছেন। দামও কিছুটা কম।

প্রায় ৪ কিলোমিটার মহাসড়কে সবজির চাষ করা হয়েছে। চাষ করা সবজির মধ্যে রয়েছে- পেঁয়াজ, পেঁপে, মরিচ, মুলা, পালংশাক, লালশাক, লাউ ও ধনেপাতা। মহাসড়কে যাত্রীদের চোখে ধরা দিচ্ছে ভিন্ন এক সৌন্দর্য। এই সবজি চাষ সড়কে এনে দিয়েছে সতেজতা ও প্রাণের ছোঁয়া।
পথচারী আশিক খান রাফি বলেন, 'এ পথে চলাচলের সময় খুবই ভালো লাগে। টাটকা সবজি কয়েকদিন আগে এখান থেকে কিনে নিয়ে গিয়েছিলাম, বেশ ভালো লেগেছে।’
অভিনব এই চাষাবাদে সহযোগিতা করেন গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিস। এ বিষয়ে গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. আসাদুজ্জামান সিটিজেন জার্নালকে বলেন, 'উত্তরের জনপদ গাইবান্ধা জেলা অনেকের কাছে সবজির ভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত। মহাসড়কে ডিভাইডারের পরিত্যক্ত জায়গায় সবজি চাষে কৃষকদের আগ্রহ দেখে খুব ভালো লাগছে। কৃষি অফিস থেকে কৌশলগত সহায়তা করা হচ্ছে। বীজও দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।'




