ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ

ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ
শরীয়তপুর সংবাদদাতা

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষের ১২ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৬ জনকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে শরীয়তপুর-নড়িয়া সড়কে ভোজেশ্বর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নির্বাচনের প্রচারণা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সংঘর্ষে আহতরা হলেন– জামায়াতে ইসলামীর কর্মী মিজানুর রহমান ও শাহ আলম, ভোজেশ্বর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজান সিকদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন, জপসা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সবুজ মাদবর, ভোজেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন।
ভোজেশ্বর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজান সিকদার বলেন, আমার বোন টিসিবি সংক্রান্ত কাজে গ্রামে গিয়েছিলেন। তার সম্পর্কে জামায়াত ইসলামীর এক কর্মী ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছিল। আমরা বিষয়টি জানতে জামায়াতের আমির কাছে যাই। এরপর জামায়াত ইসলামী ও ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমাদের ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
জামায়াত ইসলামীর নড়িয়া উপজেলা নায়েবে আমির মোর্শেদ খান বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা ভোজেশ্বর এলাকায় প্রচারণার কাজ চালাচ্ছিলেন। তখন বিএনপি নেতাকর্মীরা বাধা দেন। ওই ঘটনা নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে তারা আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের দুই কর্মী আহত হন।
নড়িয়া থানার ওসি মো. বাহার মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, জামায়াত ইসলামীর এক কর্মী বিএনপির এক নেত্রী ও ইউপি সদস্য সম্পর্কে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষের ১২ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৬ জনকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে শরীয়তপুর-নড়িয়া সড়কে ভোজেশ্বর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নির্বাচনের প্রচারণা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সংঘর্ষে আহতরা হলেন– জামায়াতে ইসলামীর কর্মী মিজানুর রহমান ও শাহ আলম, ভোজেশ্বর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজান সিকদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন, জপসা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সবুজ মাদবর, ভোজেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন।
ভোজেশ্বর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজান সিকদার বলেন, আমার বোন টিসিবি সংক্রান্ত কাজে গ্রামে গিয়েছিলেন। তার সম্পর্কে জামায়াত ইসলামীর এক কর্মী ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছিল। আমরা বিষয়টি জানতে জামায়াতের আমির কাছে যাই। এরপর জামায়াত ইসলামী ও ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমাদের ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
জামায়াত ইসলামীর নড়িয়া উপজেলা নায়েবে আমির মোর্শেদ খান বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা ভোজেশ্বর এলাকায় প্রচারণার কাজ চালাচ্ছিলেন। তখন বিএনপি নেতাকর্মীরা বাধা দেন। ওই ঘটনা নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে তারা আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের দুই কর্মী আহত হন।
নড়িয়া থানার ওসি মো. বাহার মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, জামায়াত ইসলামীর এক কর্মী বিএনপির এক নেত্রী ও ইউপি সদস্য সম্পর্কে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।

ফেসবুক স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ
শরীয়তপুর সংবাদদাতা

শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় বিএনপি ও জামায়াত ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুই পক্ষের ১২ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে। তাদের মধ্যে ৬ জনকে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে শরীয়তপুর-নড়িয়া সড়কে ভোজেশ্বর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নির্বাচনের প্রচারণা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সংঘর্ষে আহতরা হলেন– জামায়াতে ইসলামীর কর্মী মিজানুর রহমান ও শাহ আলম, ভোজেশ্বর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজান সিকদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন, জপসা ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক সবুজ মাদবর, ভোজেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির ৩ নম্বর ওয়ার্ড সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন।
ভোজেশ্বর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মিজান সিকদার বলেন, আমার বোন টিসিবি সংক্রান্ত কাজে গ্রামে গিয়েছিলেন। তার সম্পর্কে জামায়াত ইসলামীর এক কর্মী ফেসবুকে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছিল। আমরা বিষয়টি জানতে জামায়াতের আমির কাছে যাই। এরপর জামায়াত ইসলামী ও ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে আমাদের ১০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন।
জামায়াত ইসলামীর নড়িয়া উপজেলা নায়েবে আমির মোর্শেদ খান বলেন, আমাদের নেতাকর্মীরা ভোজেশ্বর এলাকায় প্রচারণার কাজ চালাচ্ছিলেন। তখন বিএনপি নেতাকর্মীরা বাধা দেন। ওই ঘটনা নিয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে তারা আমাদের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের দুই কর্মী আহত হন।
নড়িয়া থানার ওসি মো. বাহার মিয়া গণমাধ্যমকে বলেন, জামায়াত ইসলামীর এক কর্মী বিএনপির এক নেত্রী ও ইউপি সদস্য সম্পর্কে ফেসবুকে পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।




