৫ ব্যাংকের আমানতকারীরা ২ বছরের মধ্যে টাকা পাবেন: গভর্নর

৫ ব্যাংকের আমানতকারীরা ২ বছরের মধ্যে টাকা পাবেন: গভর্নর
নিজস্ব প্রতিবেদক

অবলুপ্ত হওয়া ৫ ব্যাংকের আমানতকারীরা আগামী ২ বছরের মধ্যে টাকা ফিরে পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ৫ ব্যাংকের বিষয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, 'লোকসান হওয়ায় অবলুপ্ত ৫ ব্যাংকের আমানতকারীরা ২০২৪-২৫ সালের মুনাফা পাবেন না। তবে আগামী দুই বছরের মধ্যে আমানতকারীরা তাদের টাকা ফেরত পাবেন বলে আশা করছি।' এ সময় ব্যাংকগুলোর অডিট নিয়ে তিনি বলেন, যারা ৫ ব্যাংকের ভুয়া অডিট করেছেন তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। শাস্তি চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে।
দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার কথা উল্লেখ করে গভর্নর আরও বলেন, '৫ ব্যাংকের ফরেনসিক অডিট শেষ হতে আরও তিন মাস প্রয়োজন। যারা লুটপাট করেছে সেগুলো আরও পরিষ্কার হবে ও আইনের আওতায় আনা হবে।'
ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, ব্যাংকের বোর্ডের বিষয়ে ব্যাপক পরিবর্তন আসছে, কেউ খুশি না হতে পারে। তবে গুণগত সংখ্যাগত পরিবর্তন চেয়ে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
গণভোট নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য বানিজ্যিক ব্যাংকগুলো সিএসআর খাতের অর্থ নিয়ে যে প্রচারণা চালাচ্ছে- এটা কি নিয়ম অনুযায়ী পারে কিনা। অথবা সরকার এ বিষয়ে কোন নির্দেশনা দিতে পারে কি না জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, 'এটা সরকারের একটা প্রচেষ্টা। কারণ সরকার এই নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত নয়। সুতরাং অন্তর্বর্তী সরকারের লক্ষ হচ্ছে- কিছু করে যাওয়া। বৃহৎ আকারে কিছু করা সম্ভব না। তাই গণভোটের এ কাজ করে যাচ্ছেন। এবং সব রাজনৈতিক দল এতে সম্মতি দিয়েছেন। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে জনগনকে অবহিত করা। জনগণকে না জানালে তারা কিসের ভিত্তিতে ভোট দিবে। এটা কে জানাবে? সরকার। সরকার আমাদের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি মনে করি, সকল জনগণের দায়িত্ব এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রচারণা চালানো।'
বিগত সরকারের আমলে দেখা গেছে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ড থেকে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হতো। এ বিষয়টিও অনেকটা সেরকম কি না জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, বছরখানেক ধরে ঐকমত্য কমিশন প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে একটি বিয়ষ দাড় করিয়েছে। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের সই নেয়া হয়েছে।
গভর্নর বলেন, আমি নিজের গা বাাঁচানোর জন্য কাজ করছি না। পরবর্তী সরকার আমাকে রাখবে কি রাখবে না- তা আমি জানি না। আমার কাজ হচ্ছে দেশের জন্য কিছু করে যাওয়া।
সব ব্যাংকারদের বলেছি সাধারণ মানুষদের বোঝাতে। গণতন্ত্র সাকসেসফুল হবে কিভাবে? অশিক্ষিত সমাজে গণতন্ত্র সকেশেসফুল হয় না। তাদেরকে যতখানি শিক্ষিত করা যায়, তত গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী হয়। গণতন্ত্র শক্শিালী করার জন্য গণভোট একটি শক্তিশালী উপায়।

অবলুপ্ত হওয়া ৫ ব্যাংকের আমানতকারীরা আগামী ২ বছরের মধ্যে টাকা ফিরে পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ৫ ব্যাংকের বিষয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, 'লোকসান হওয়ায় অবলুপ্ত ৫ ব্যাংকের আমানতকারীরা ২০২৪-২৫ সালের মুনাফা পাবেন না। তবে আগামী দুই বছরের মধ্যে আমানতকারীরা তাদের টাকা ফেরত পাবেন বলে আশা করছি।' এ সময় ব্যাংকগুলোর অডিট নিয়ে তিনি বলেন, যারা ৫ ব্যাংকের ভুয়া অডিট করেছেন তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। শাস্তি চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে।
দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার কথা উল্লেখ করে গভর্নর আরও বলেন, '৫ ব্যাংকের ফরেনসিক অডিট শেষ হতে আরও তিন মাস প্রয়োজন। যারা লুটপাট করেছে সেগুলো আরও পরিষ্কার হবে ও আইনের আওতায় আনা হবে।'
ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, ব্যাংকের বোর্ডের বিষয়ে ব্যাপক পরিবর্তন আসছে, কেউ খুশি না হতে পারে। তবে গুণগত সংখ্যাগত পরিবর্তন চেয়ে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
গণভোট নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য বানিজ্যিক ব্যাংকগুলো সিএসআর খাতের অর্থ নিয়ে যে প্রচারণা চালাচ্ছে- এটা কি নিয়ম অনুযায়ী পারে কিনা। অথবা সরকার এ বিষয়ে কোন নির্দেশনা দিতে পারে কি না জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, 'এটা সরকারের একটা প্রচেষ্টা। কারণ সরকার এই নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত নয়। সুতরাং অন্তর্বর্তী সরকারের লক্ষ হচ্ছে- কিছু করে যাওয়া। বৃহৎ আকারে কিছু করা সম্ভব না। তাই গণভোটের এ কাজ করে যাচ্ছেন। এবং সব রাজনৈতিক দল এতে সম্মতি দিয়েছেন। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে জনগনকে অবহিত করা। জনগণকে না জানালে তারা কিসের ভিত্তিতে ভোট দিবে। এটা কে জানাবে? সরকার। সরকার আমাদের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি মনে করি, সকল জনগণের দায়িত্ব এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রচারণা চালানো।'
বিগত সরকারের আমলে দেখা গেছে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ড থেকে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হতো। এ বিষয়টিও অনেকটা সেরকম কি না জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, বছরখানেক ধরে ঐকমত্য কমিশন প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে একটি বিয়ষ দাড় করিয়েছে। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের সই নেয়া হয়েছে।
গভর্নর বলেন, আমি নিজের গা বাাঁচানোর জন্য কাজ করছি না। পরবর্তী সরকার আমাকে রাখবে কি রাখবে না- তা আমি জানি না। আমার কাজ হচ্ছে দেশের জন্য কিছু করে যাওয়া।
সব ব্যাংকারদের বলেছি সাধারণ মানুষদের বোঝাতে। গণতন্ত্র সাকসেসফুল হবে কিভাবে? অশিক্ষিত সমাজে গণতন্ত্র সকেশেসফুল হয় না। তাদেরকে যতখানি শিক্ষিত করা যায়, তত গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী হয়। গণতন্ত্র শক্শিালী করার জন্য গণভোট একটি শক্তিশালী উপায়।

৫ ব্যাংকের আমানতকারীরা ২ বছরের মধ্যে টাকা পাবেন: গভর্নর
নিজস্ব প্রতিবেদক

অবলুপ্ত হওয়া ৫ ব্যাংকের আমানতকারীরা আগামী ২ বছরের মধ্যে টাকা ফিরে পেতে পারেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ৫ ব্যাংকের বিষয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
গভর্নর বলেন, 'লোকসান হওয়ায় অবলুপ্ত ৫ ব্যাংকের আমানতকারীরা ২০২৪-২৫ সালের মুনাফা পাবেন না। তবে আগামী দুই বছরের মধ্যে আমানতকারীরা তাদের টাকা ফেরত পাবেন বলে আশা করছি।' এ সময় ব্যাংকগুলোর অডিট নিয়ে তিনি বলেন, যারা ৫ ব্যাংকের ভুয়া অডিট করেছেন তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। শাস্তি চেয়ে মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে।
দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার কথা উল্লেখ করে গভর্নর আরও বলেন, '৫ ব্যাংকের ফরেনসিক অডিট শেষ হতে আরও তিন মাস প্রয়োজন। যারা লুটপাট করেছে সেগুলো আরও পরিষ্কার হবে ও আইনের আওতায় আনা হবে।'
ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, ব্যাংকের বোর্ডের বিষয়ে ব্যাপক পরিবর্তন আসছে, কেউ খুশি না হতে পারে। তবে গুণগত সংখ্যাগত পরিবর্তন চেয়ে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।
গণভোট নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য বানিজ্যিক ব্যাংকগুলো সিএসআর খাতের অর্থ নিয়ে যে প্রচারণা চালাচ্ছে- এটা কি নিয়ম অনুযায়ী পারে কিনা। অথবা সরকার এ বিষয়ে কোন নির্দেশনা দিতে পারে কি না জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, 'এটা সরকারের একটা প্রচেষ্টা। কারণ সরকার এই নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত নয়। সুতরাং অন্তর্বর্তী সরকারের লক্ষ হচ্ছে- কিছু করে যাওয়া। বৃহৎ আকারে কিছু করা সম্ভব না। তাই গণভোটের এ কাজ করে যাচ্ছেন। এবং সব রাজনৈতিক দল এতে সম্মতি দিয়েছেন। সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে জনগনকে অবহিত করা। জনগণকে না জানালে তারা কিসের ভিত্তিতে ভোট দিবে। এটা কে জানাবে? সরকার। সরকার আমাদের দায়িত্ব দিয়েছেন। আমি মনে করি, সকল জনগণের দায়িত্ব এ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রচারণা চালানো।'
বিগত সরকারের আমলে দেখা গেছে ১৫ আগস্ট উপলক্ষে ব্যাংকগুলোর সিএসআর ফান্ড থেকে অর্থ বরাদ্দ দেয়া হতো। এ বিষয়টিও অনেকটা সেরকম কি না জানতে চাইলে গভর্নর বলেন, বছরখানেক ধরে ঐকমত্য কমিশন প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে একটি বিয়ষ দাড় করিয়েছে। প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের সই নেয়া হয়েছে।
গভর্নর বলেন, আমি নিজের গা বাাঁচানোর জন্য কাজ করছি না। পরবর্তী সরকার আমাকে রাখবে কি রাখবে না- তা আমি জানি না। আমার কাজ হচ্ছে দেশের জন্য কিছু করে যাওয়া।
সব ব্যাংকারদের বলেছি সাধারণ মানুষদের বোঝাতে। গণতন্ত্র সাকসেসফুল হবে কিভাবে? অশিক্ষিত সমাজে গণতন্ত্র সকেশেসফুল হয় না। তাদেরকে যতখানি শিক্ষিত করা যায়, তত গনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া শক্তিশালী হয়। গণতন্ত্র শক্শিালী করার জন্য গণভোট একটি শক্তিশালী উপায়।



