সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
দুদিনে উত্তোলন ১০৭ কোটি, জমা ৪৪ কোটি টাকা

দুদিনে উত্তোলন ১০৭ কোটি, জমা ৪৪ কোটি টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

চালু হওয়ার পর প্রথম দুই দিনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের মধ্যে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ সময়ে ব্যাংকটি থেকে ১০৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা উত্তোলনের বিপরীতে ৪৪ কোটি টাকা নতুন আমানত এসেছে, যা গ্রাহকদের আস্থার প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
গভর্নর বলেন, ‘ব্যাংকটি পূর্ণমাত্রায় লেনদেনের জন্য খুলে দিলে কী ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছিল। আলহামদুলিল্লাহ, এখন পর্যন্ত কার্যক্রম খুবই সুন্দর ও স্থিতিশীলভাবে এগোচ্ছে। নতুন ব্যাংকের চেয়ারম্যান, পাঁচটি একীভূত ব্যাংকের প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গত কয়েক মাস ধরে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘সাধারণভাবে একটি নতুন ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ সময় লাগে। কিন্তু সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে মাত্র দুই মাসের মধ্যেই লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই), ক্যাপিটালাইজেশন, সাইনবোর্ড স্থাপন এবং লেনদেন শুরু করা সম্ভব হয়েছে। নতুন করে প্রণীত ব্যাংক রেজুলেশন অর্ডিনেন্সের আওতায় ধাপে ধাপে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর জানান, ব্যাংক রেজুলেশন অর্ডিনেন্স অনুযায়ী ইতোমধ্যে রেজুলেশন স্কিম জারি করা হয়েছে। সেই নির্দেশনা অনুসারে আমানতকারীদের সঙ্গে ব্যাংকের লেনদেন চলছে।
দুদিনের লেনদেনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে গভর্নর বলেন, ‘১ ও ৪ জানুয়ারি মোট ১৩ হাজার ৩১৪টি উত্তোলন লেনদেন হয়েছে। এতে মোট উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। সবচেয়ে বেশি উত্তোলন হয়েছে এক্সিম ব্যাংক থেকে— ৬ হাজার ২৬৫ জন গ্রাহক ৬৬ কোটি টাকা তুলেছেন। তবে একই সময়ে নতুন করে ৪৪ কোটি টাকা আমানত জমা পড়েছে। ফলে নেট হিসাবে পরিস্থিতি সন্তোষজনক।’
কোথাও কোথাও উত্তোলনের চেয়ে আমানতের পরিমাণ বেশি ছিল। এটি প্রমাণ করে যে গ্রাহকদের নতুন ব্যাংকের প্রতি আস্থা রয়েছে এবং সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে জনগণ বিশ্বাস রাখছে। বলছিলেন গভর্নর।
গভর্নর জানান, সামনে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে—একটি হলো সমন্বিত আইটি সিস্টেম চালু করা, যেটির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি টিম কাজ করছে। অন্যটি হলো পাঁচটি ব্যাংকের অতীত অনিয়ম খতিয়ে দেখতে ফরেনসিক অডিট। তবে একই সঙ্গে দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তারা যেন নিরাপদ ও স্বচ্ছ পরিবেশে কাজ করতে পারেন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘শরিয়াহভিত্তিক মুনাফার হার বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যমান ও নতুন পণ্য একীভূত করে গ্রাহকদের জন্য নতুন নতুন শরিয়াহসম্মত প্রোডাক্ট চালু করা হবে। বিনিয়োগ বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ১৯ জানুয়ারি সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।

চালু হওয়ার পর প্রথম দুই দিনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের মধ্যে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ সময়ে ব্যাংকটি থেকে ১০৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা উত্তোলনের বিপরীতে ৪৪ কোটি টাকা নতুন আমানত এসেছে, যা গ্রাহকদের আস্থার প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
গভর্নর বলেন, ‘ব্যাংকটি পূর্ণমাত্রায় লেনদেনের জন্য খুলে দিলে কী ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছিল। আলহামদুলিল্লাহ, এখন পর্যন্ত কার্যক্রম খুবই সুন্দর ও স্থিতিশীলভাবে এগোচ্ছে। নতুন ব্যাংকের চেয়ারম্যান, পাঁচটি একীভূত ব্যাংকের প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গত কয়েক মাস ধরে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘সাধারণভাবে একটি নতুন ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ সময় লাগে। কিন্তু সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে মাত্র দুই মাসের মধ্যেই লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই), ক্যাপিটালাইজেশন, সাইনবোর্ড স্থাপন এবং লেনদেন শুরু করা সম্ভব হয়েছে। নতুন করে প্রণীত ব্যাংক রেজুলেশন অর্ডিনেন্সের আওতায় ধাপে ধাপে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর জানান, ব্যাংক রেজুলেশন অর্ডিনেন্স অনুযায়ী ইতোমধ্যে রেজুলেশন স্কিম জারি করা হয়েছে। সেই নির্দেশনা অনুসারে আমানতকারীদের সঙ্গে ব্যাংকের লেনদেন চলছে।
দুদিনের লেনদেনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে গভর্নর বলেন, ‘১ ও ৪ জানুয়ারি মোট ১৩ হাজার ৩১৪টি উত্তোলন লেনদেন হয়েছে। এতে মোট উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। সবচেয়ে বেশি উত্তোলন হয়েছে এক্সিম ব্যাংক থেকে— ৬ হাজার ২৬৫ জন গ্রাহক ৬৬ কোটি টাকা তুলেছেন। তবে একই সময়ে নতুন করে ৪৪ কোটি টাকা আমানত জমা পড়েছে। ফলে নেট হিসাবে পরিস্থিতি সন্তোষজনক।’
কোথাও কোথাও উত্তোলনের চেয়ে আমানতের পরিমাণ বেশি ছিল। এটি প্রমাণ করে যে গ্রাহকদের নতুন ব্যাংকের প্রতি আস্থা রয়েছে এবং সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে জনগণ বিশ্বাস রাখছে। বলছিলেন গভর্নর।
গভর্নর জানান, সামনে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে—একটি হলো সমন্বিত আইটি সিস্টেম চালু করা, যেটির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি টিম কাজ করছে। অন্যটি হলো পাঁচটি ব্যাংকের অতীত অনিয়ম খতিয়ে দেখতে ফরেনসিক অডিট। তবে একই সঙ্গে দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তারা যেন নিরাপদ ও স্বচ্ছ পরিবেশে কাজ করতে পারেন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘শরিয়াহভিত্তিক মুনাফার হার বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যমান ও নতুন পণ্য একীভূত করে গ্রাহকদের জন্য নতুন নতুন শরিয়াহসম্মত প্রোডাক্ট চালু করা হবে। বিনিয়োগ বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ১৯ জানুয়ারি সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।

দুদিনে উত্তোলন ১০৭ কোটি, জমা ৪৪ কোটি টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

চালু হওয়ার পর প্রথম দুই দিনে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহকদের মধ্যে বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়নি বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ সময়ে ব্যাংকটি থেকে ১০৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা উত্তোলনের বিপরীতে ৪৪ কোটি টাকা নতুন আমানত এসেছে, যা গ্রাহকদের আস্থার প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর।
সোমবার (৫ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তিনি।
গভর্নর বলেন, ‘ব্যাংকটি পূর্ণমাত্রায় লেনদেনের জন্য খুলে দিলে কী ধরনের চাপ তৈরি হতে পারে, সে বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছিল। আলহামদুলিল্লাহ, এখন পর্যন্ত কার্যক্রম খুবই সুন্দর ও স্থিতিশীলভাবে এগোচ্ছে। নতুন ব্যাংকের চেয়ারম্যান, পাঁচটি একীভূত ব্যাংকের প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গত কয়েক মাস ধরে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘সাধারণভাবে একটি নতুন ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় দীর্ঘ সময় লাগে। কিন্তু সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের ক্ষেত্রে মাত্র দুই মাসের মধ্যেই লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই), ক্যাপিটালাইজেশন, সাইনবোর্ড স্থাপন এবং লেনদেন শুরু করা সম্ভব হয়েছে। নতুন করে প্রণীত ব্যাংক রেজুলেশন অর্ডিনেন্সের আওতায় ধাপে ধাপে এই কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হয়েছে।’
সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর জানান, ব্যাংক রেজুলেশন অর্ডিনেন্স অনুযায়ী ইতোমধ্যে রেজুলেশন স্কিম জারি করা হয়েছে। সেই নির্দেশনা অনুসারে আমানতকারীদের সঙ্গে ব্যাংকের লেনদেন চলছে।
দুদিনের লেনদেনের পরিসংখ্যান তুলে ধরে গভর্নর বলেন, ‘১ ও ৪ জানুয়ারি মোট ১৩ হাজার ৩১৪টি উত্তোলন লেনদেন হয়েছে। এতে মোট উত্তোলনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। সবচেয়ে বেশি উত্তোলন হয়েছে এক্সিম ব্যাংক থেকে— ৬ হাজার ২৬৫ জন গ্রাহক ৬৬ কোটি টাকা তুলেছেন। তবে একই সময়ে নতুন করে ৪৪ কোটি টাকা আমানত জমা পড়েছে। ফলে নেট হিসাবে পরিস্থিতি সন্তোষজনক।’
কোথাও কোথাও উত্তোলনের চেয়ে আমানতের পরিমাণ বেশি ছিল। এটি প্রমাণ করে যে গ্রাহকদের নতুন ব্যাংকের প্রতি আস্থা রয়েছে এবং সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে জনগণ বিশ্বাস রাখছে। বলছিলেন গভর্নর।
গভর্নর জানান, সামনে দুটি বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে—একটি হলো সমন্বিত আইটি সিস্টেম চালু করা, যেটির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের আইটি টিম কাজ করছে। অন্যটি হলো পাঁচটি ব্যাংকের অতীত অনিয়ম খতিয়ে দেখতে ফরেনসিক অডিট। তবে একই সঙ্গে দক্ষ ও সৎ কর্মকর্তারা যেন নিরাপদ ও স্বচ্ছ পরিবেশে কাজ করতে পারেন, সে বিষয়েও গুরুত্ব দেয়া হবে।
তিনি আরো বলেন, ‘শরিয়াহভিত্তিক মুনাফার হার বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যমান ও নতুন পণ্য একীভূত করে গ্রাহকদের জন্য নতুন নতুন শরিয়াহসম্মত প্রোডাক্ট চালু করা হবে। বিনিয়োগ বাড়াতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী ১৯ জানুয়ারি সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন অনুষ্ঠান আয়োজন করা হবে।



