সিদ্ধান্ত মানছে না একীভূত ৫ ব্যাংকের আমানতকারীরা, রবিবার আন্দোলন

বন্ধ হলো সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
নিজস্ব প্রতিবেদক

একীভূত ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের মুনাফা বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্তও প্রত্যাহার করেছেন সাধারণ আমানতকারীরা। দাবি আদায়ে আগামীকাল রবিবার (২৫ জানুয়ারি) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে তারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবেন। সারা দেশের বঞ্চিত আমানতকারীরা এতে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। ৪ শতাংশ নয়, পুরো মুনাফাসহ মেয়াদোত্তীর্ণ সব ধরনের হিসাবে স্বাভাবিক লেনদেনের দাবি জানিয়েছেন আমানতকারীরা।
এদিকে রবিবারই ৫ ব্যাংক একীভূত করে নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হওয়ার কথা। তবে তা অনিবার্য কারণ দেখিয়ে বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরসহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিত থাকার কথা ছিল।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ফেসবুকের এক বার্তায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, ‘অনিবার্য কারণবশতঃ আগামীকাল ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ সকাল ১০.০০ টায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।’
এর আগে, গত বুধবার রাতে আমানতকারীদের আন্দোলনে চাপের মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুই বছরের জন্য ব্যাংকগুলোর আমানতকারীরা ৪ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন। আর চলতি বছর থেকে বাজারভিত্তিক মুনাফা দেওয়া হবে। সব ব্যাংকের প্রশাসক বরাবর চিঠি দিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
গত ১৪ জানুয়ারি পাঁচ ব্যাংকের প্রশাসককে চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সব আমানতের কোনো মুনাফা নেই বিবেচনা করা হবে। কেউ মুনাফা তুলে থাকলে ‘হেয়ারকাট’ তথা মূল থেকে সমন্বয় করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তে আমানতকারীদের মধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তারা শরিয়াহবিরোধী এমন অন্যায্য সিদ্ধান্ত মানতে রাজি হননি। ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন শাখায় গিয়ে আমানতকারীরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কোনো কোনো শাখার কার্যক্রমও বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন কর্মকর্তারা। তাদের মধ্যেও নিরাপত্তাহীনতা এবং হতাশা তৈরি হয়। কয়েকটি শাখার ব্যবস্থাপক বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক ও ৫ ব্যাংকের প্রশাসকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন।
দাবি আদায়ে গত বৃহস্পতিবারও (২২ জানুয়ারি) বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন আমানতকারীরা। তারা বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন সিদ্ধান্ত শরিয়াহ আইনের মধ্যে পড়ে না। তাই এ সিদ্ধান্তও মানতে রাজি নন। তারা পুরো মুনাফাসহ সব ধরনের লেনদেন স্বাভাবিক করার দাবি জানান।
ঋণের নামে অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অনিয়মের কারণে দুর্বল হয়ে পড়া এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করে সরকার। এসব ব্যাংকে প্রায় ৭৬ লাখ আমানতকারীর ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা জমা আছে। এদিকে বিতরণ করা ১ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকা ঋণের ৭৭ শতাংশ এখন খেলাপি।

একীভূত ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের মুনাফা বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্তও প্রত্যাহার করেছেন সাধারণ আমানতকারীরা। দাবি আদায়ে আগামীকাল রবিবার (২৫ জানুয়ারি) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে তারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবেন। সারা দেশের বঞ্চিত আমানতকারীরা এতে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। ৪ শতাংশ নয়, পুরো মুনাফাসহ মেয়াদোত্তীর্ণ সব ধরনের হিসাবে স্বাভাবিক লেনদেনের দাবি জানিয়েছেন আমানতকারীরা।
এদিকে রবিবারই ৫ ব্যাংক একীভূত করে নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হওয়ার কথা। তবে তা অনিবার্য কারণ দেখিয়ে বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরসহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিত থাকার কথা ছিল।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ফেসবুকের এক বার্তায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, ‘অনিবার্য কারণবশতঃ আগামীকাল ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ সকাল ১০.০০ টায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।’
এর আগে, গত বুধবার রাতে আমানতকারীদের আন্দোলনে চাপের মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুই বছরের জন্য ব্যাংকগুলোর আমানতকারীরা ৪ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন। আর চলতি বছর থেকে বাজারভিত্তিক মুনাফা দেওয়া হবে। সব ব্যাংকের প্রশাসক বরাবর চিঠি দিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
গত ১৪ জানুয়ারি পাঁচ ব্যাংকের প্রশাসককে চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সব আমানতের কোনো মুনাফা নেই বিবেচনা করা হবে। কেউ মুনাফা তুলে থাকলে ‘হেয়ারকাট’ তথা মূল থেকে সমন্বয় করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তে আমানতকারীদের মধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তারা শরিয়াহবিরোধী এমন অন্যায্য সিদ্ধান্ত মানতে রাজি হননি। ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন শাখায় গিয়ে আমানতকারীরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কোনো কোনো শাখার কার্যক্রমও বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন কর্মকর্তারা। তাদের মধ্যেও নিরাপত্তাহীনতা এবং হতাশা তৈরি হয়। কয়েকটি শাখার ব্যবস্থাপক বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক ও ৫ ব্যাংকের প্রশাসকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন।
দাবি আদায়ে গত বৃহস্পতিবারও (২২ জানুয়ারি) বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন আমানতকারীরা। তারা বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন সিদ্ধান্ত শরিয়াহ আইনের মধ্যে পড়ে না। তাই এ সিদ্ধান্তও মানতে রাজি নন। তারা পুরো মুনাফাসহ সব ধরনের লেনদেন স্বাভাবিক করার দাবি জানান।
ঋণের নামে অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অনিয়মের কারণে দুর্বল হয়ে পড়া এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করে সরকার। এসব ব্যাংকে প্রায় ৭৬ লাখ আমানতকারীর ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা জমা আছে। এদিকে বিতরণ করা ১ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকা ঋণের ৭৭ শতাংশ এখন খেলাপি।

বন্ধ হলো সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন
নিজস্ব প্রতিবেদক

একীভূত ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের মুনাফা বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্তও প্রত্যাহার করেছেন সাধারণ আমানতকারীরা। দাবি আদায়ে আগামীকাল রবিবার (২৫ জানুয়ারি) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে তারা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবেন। সারা দেশের বঞ্চিত আমানতকারীরা এতে অংশ নেবেন বলে জানা গেছে। ৪ শতাংশ নয়, পুরো মুনাফাসহ মেয়াদোত্তীর্ণ সব ধরনের হিসাবে স্বাভাবিক লেনদেনের দাবি জানিয়েছেন আমানতকারীরা।
এদিকে রবিবারই ৫ ব্যাংক একীভূত করে নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হওয়ার কথা। তবে তা অনিবার্য কারণ দেখিয়ে বন্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরসহ সংশ্লিষ্টদের উপস্থিত থাকার কথা ছিল।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ফেসবুকের এক বার্তায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, ‘অনিবার্য কারণবশতঃ আগামীকাল ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ সকাল ১০.০০ টায় হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় অনুষ্ঠিতব্য সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে না।’
এর আগে, গত বুধবার রাতে আমানতকারীদের আন্দোলনে চাপের মুখে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ব্যাংক। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দুই বছরের জন্য ব্যাংকগুলোর আমানতকারীরা ৪ শতাংশ হারে মুনাফা পাবেন। আর চলতি বছর থেকে বাজারভিত্তিক মুনাফা দেওয়া হবে। সব ব্যাংকের প্রশাসক বরাবর চিঠি দিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
গত ১৪ জানুয়ারি পাঁচ ব্যাংকের প্রশাসককে চিঠি দিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায়, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত সব আমানতের কোনো মুনাফা নেই বিবেচনা করা হবে। কেউ মুনাফা তুলে থাকলে ‘হেয়ারকাট’ তথা মূল থেকে সমন্বয় করা হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এমন সিদ্ধান্তে আমানতকারীদের মধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তারা শরিয়াহবিরোধী এমন অন্যায্য সিদ্ধান্ত মানতে রাজি হননি। ব্যাংকগুলোর বিভিন্ন শাখায় গিয়ে আমানতকারীরা তাদের ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কোনো কোনো শাখার কার্যক্রমও বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন কর্মকর্তারা। তাদের মধ্যেও নিরাপত্তাহীনতা এবং হতাশা তৈরি হয়। কয়েকটি শাখার ব্যবস্থাপক বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংক ও ৫ ব্যাংকের প্রশাসকদের আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়েছেন।
দাবি আদায়ে গত বৃহস্পতিবারও (২২ জানুয়ারি) বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন আমানতকারীরা। তারা বলেছেন, বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন সিদ্ধান্ত শরিয়াহ আইনের মধ্যে পড়ে না। তাই এ সিদ্ধান্তও মানতে রাজি নন। তারা পুরো মুনাফাসহ সব ধরনের লেনদেন স্বাভাবিক করার দাবি জানান।
ঋণের নামে অর্থ আত্মসাৎসহ নানা অনিয়মের কারণে দুর্বল হয়ে পড়া এক্সিম, সোশ্যাল ইসলামী, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, গ্লোবাল ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংক একীভূত করে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক গঠন করে সরকার। এসব ব্যাংকে প্রায় ৭৬ লাখ আমানতকারীর ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা জমা আছে। এদিকে বিতরণ করা ১ লাখ ৯২ হাজার কোটি টাকা ঋণের ৭৭ শতাংশ এখন খেলাপি।




