নাগরকি সংলাপ
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সুস্পষ্ট পরিকল্পনার আহ্বান

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সুস্পষ্ট পরিকল্পনার আহ্বান
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘদিন ধরে চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে বাস্তবসম্মত ও সমন্বিত পরিকল্পনার দাবি জোরালো হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে সোমবার (৫ জানুয়ারি) ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ও দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (টিবিএস) যৌথভাবে টিবিএস কার্যালয়ে একটি নাগরিক সংলাপ আয়োজন করে। এফসিডিওর অর্থায়নে বি-স্পেস প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এই সংলাপে অর্থনীতিবিদ, বাজার বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ডেপুটি চিফ অব পার্টি আমিনুল এহসান বলেন, ‘জরিপ অনুযায়ী ৩৩ শতাংশ ভোটার এখনো অনিশ্চিত। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সুস্পষ্ট অবস্থানই এই ভোটারদের আস্থা অর্জনের মূল চাবিকাঠি।’ তিনি জানান, ৫৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন দেশ ভুল পথে যাচ্ছে এবং এর অন্যতম কারণ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের অতিরিক্ত পরিচালক (রিসার্চ) তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে বাস্তব আয় কমছে, যার প্রভাব দারিদ্র্য, স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় পড়ছে।’ তিনি বলেন, ‘কর্মসংস্থান না বাড়লে কেবল সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি দিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।’
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবীবা বলেন, “বিএনপি স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করবে এবং সিন্ডিকেট ভাঙতে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেবে।”
জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি মারদিয়া মমতাজ বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য সংকটের মূল কারণ সিন্ডিকেট। ক্ষমতায় গেলে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরও কার্যকর করা হবে।’ জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব হুমায়রা নূর বলেন, ‘মধ্যস্বত্বভোগী কমিয়ে কৃষকের সঙ্গে সরাসরি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।’

দীর্ঘদিন ধরে চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে বাস্তবসম্মত ও সমন্বিত পরিকল্পনার দাবি জোরালো হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে সোমবার (৫ জানুয়ারি) ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ও দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (টিবিএস) যৌথভাবে টিবিএস কার্যালয়ে একটি নাগরিক সংলাপ আয়োজন করে। এফসিডিওর অর্থায়নে বি-স্পেস প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এই সংলাপে অর্থনীতিবিদ, বাজার বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ডেপুটি চিফ অব পার্টি আমিনুল এহসান বলেন, ‘জরিপ অনুযায়ী ৩৩ শতাংশ ভোটার এখনো অনিশ্চিত। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সুস্পষ্ট অবস্থানই এই ভোটারদের আস্থা অর্জনের মূল চাবিকাঠি।’ তিনি জানান, ৫৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন দেশ ভুল পথে যাচ্ছে এবং এর অন্যতম কারণ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের অতিরিক্ত পরিচালক (রিসার্চ) তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে বাস্তব আয় কমছে, যার প্রভাব দারিদ্র্য, স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় পড়ছে।’ তিনি বলেন, ‘কর্মসংস্থান না বাড়লে কেবল সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি দিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।’
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবীবা বলেন, “বিএনপি স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করবে এবং সিন্ডিকেট ভাঙতে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেবে।”
জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি মারদিয়া মমতাজ বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য সংকটের মূল কারণ সিন্ডিকেট। ক্ষমতায় গেলে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরও কার্যকর করা হবে।’ জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব হুমায়রা নূর বলেন, ‘মধ্যস্বত্বভোগী কমিয়ে কৃষকের সঙ্গে সরাসরি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।’

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সুস্পষ্ট পরিকল্পনার আহ্বান
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘদিন ধরে চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় মারাত্মক চাপ সৃষ্টি করছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছ থেকে বাস্তবসম্মত ও সমন্বিত পরিকল্পনার দাবি জোরালো হচ্ছে।
এই প্রেক্ষাপটে সোমবার (৫ জানুয়ারি) ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল ও দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড (টিবিএস) যৌথভাবে টিবিএস কার্যালয়ে একটি নাগরিক সংলাপ আয়োজন করে। এফসিডিওর অর্থায়নে বি-স্পেস প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এই সংলাপে অর্থনীতিবিদ, বাজার বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালের ডেপুটি চিফ অব পার্টি আমিনুল এহসান বলেন, ‘জরিপ অনুযায়ী ৩৩ শতাংশ ভোটার এখনো অনিশ্চিত। দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সুস্পষ্ট অবস্থানই এই ভোটারদের আস্থা অর্জনের মূল চাবিকাঠি।’ তিনি জানান, ৫৫ শতাংশ মানুষ মনে করেন দেশ ভুল পথে যাচ্ছে এবং এর অন্যতম কারণ দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের অতিরিক্ত পরিচালক (রিসার্চ) তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে বাস্তব আয় কমছে, যার প্রভাব দারিদ্র্য, স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় পড়ছে।’ তিনি বলেন, ‘কর্মসংস্থান না বাড়লে কেবল সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি দিয়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়।’
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য মাহমুদা হাবীবা বলেন, “বিএনপি স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করবে এবং সিন্ডিকেট ভাঙতে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেবে।”
জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধি মারদিয়া মমতাজ বলেন, ‘দ্রব্যমূল্য সংকটের মূল কারণ সিন্ডিকেট। ক্ষমতায় গেলে সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি আরও কার্যকর করা হবে।’ জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব হুমায়রা নূর বলেন, ‘মধ্যস্বত্বভোগী কমিয়ে কৃষকের সঙ্গে সরাসরি সরবরাহ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে।’




