ইবির জিওগ্রাফি বিভাগে ৭ বছরে হয়নি শিক্ষক নিয়োগ

ইবির জিওগ্রাফি বিভাগে ৭ বছরে হয়নি শিক্ষক নিয়োগ
ইসলামী-বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওগ্রাফি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স বিভাগে গত সাত বছর ধরে কোন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়নি। এতে চরম সংকটে পড়েছে শিক্ষা কার্যক্রম। শিক্ষকদেরকেও বাড়তি চাপ বহন করতে হচ্ছে। এমন কী বারবার সেশনজটের কবলে পড়ছে বিভাগটি।
জানা যায়, বিভাগটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালে। এরপর ২০১৮ সালে চার জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। গত সাত বছর ধরে কোন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি বিভাগটিতে। একাধিক শিক্ষক একাডেমিক ডিগ্রির জন্য বিদেশে আছেন। এমনও সময় গেছে মাত্র ২ জন শিক্ষক দিয়ে বিভাগের কার্যক্রম চলেছে। বিগত আওয়ামী আমলে সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. শেখ আব্দুস সালামের আমলে দুবার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। ওই সময় আবেদন জমা পড়লেও যাচাই-বাছাই সত্বেও তা বিভিন্ন জটিলতায় আলোর মুখ দেখেনি।
গত আট বছরে বিভাগে সাধারণ কর্মচারী ও ল্যাব সংক্রান্ত জনবলও নিয়োগ দেয়া হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, ছাত্রলীগ নেতাদের সুপারিশ গ্রহণ না করায় নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিভাগটিতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে শিক্ষার্থীরাও সেশনজটে পড়ছে। ক্ষতি হচ্ছে তাদের জীবনের মূল্যবান সময়।
এ বিষয়ে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইনজামুল হক বলেন, গত সাত বছরেও আমাদের বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত একটি বিভাগের প্রতি সেমিস্টারে থিওরি ল্যাব মিলিয়ে ৮/৯ টি কোর্স পরিচালনা করতে হয়। সেই হিসেবে ছয়টি শিক্ষাবর্ষের কোর্স সংখ্যা প্রায় ৫০ টি। এছাড়াও ফিল্ডওয়ার্ক-ট্রেনিং তো আছেই।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময় গেস্ট টিচার ও পার্ট টাইম টিচার দিয়ে কোনো রকম বিভাগ চলছে, সে ক্ষেত্রে নানা রকম জটিলতা তো আছেই। জুলাই আন্দোলনের পর নতুন অনেক বিভাগে এক বা একাধিক নিয়োগ হলেও আমাদের বিভাগে নিয়োগের কোন নিয়োগ নেই। এই বিভাগে ৮ বছরে কোনো নতুন নিয়োগ হয়নি।
এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. নকীব মুহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ইতোমধ্যে আমরা বিভাগটিতে শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি। খুব দ্রুততার সঙ্গে আমরা শিক্ষক নিয়োগ দিব। এছাড়া অন্য যেসব বিভাগে শিক্ষক সংকট রয়েছে, সেগুলো নিয়েও আমরা কাজ করছি।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওগ্রাফি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স বিভাগে গত সাত বছর ধরে কোন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়নি। এতে চরম সংকটে পড়েছে শিক্ষা কার্যক্রম। শিক্ষকদেরকেও বাড়তি চাপ বহন করতে হচ্ছে। এমন কী বারবার সেশনজটের কবলে পড়ছে বিভাগটি।
জানা যায়, বিভাগটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালে। এরপর ২০১৮ সালে চার জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। গত সাত বছর ধরে কোন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি বিভাগটিতে। একাধিক শিক্ষক একাডেমিক ডিগ্রির জন্য বিদেশে আছেন। এমনও সময় গেছে মাত্র ২ জন শিক্ষক দিয়ে বিভাগের কার্যক্রম চলেছে। বিগত আওয়ামী আমলে সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. শেখ আব্দুস সালামের আমলে দুবার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। ওই সময় আবেদন জমা পড়লেও যাচাই-বাছাই সত্বেও তা বিভিন্ন জটিলতায় আলোর মুখ দেখেনি।
গত আট বছরে বিভাগে সাধারণ কর্মচারী ও ল্যাব সংক্রান্ত জনবলও নিয়োগ দেয়া হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, ছাত্রলীগ নেতাদের সুপারিশ গ্রহণ না করায় নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিভাগটিতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে শিক্ষার্থীরাও সেশনজটে পড়ছে। ক্ষতি হচ্ছে তাদের জীবনের মূল্যবান সময়।
এ বিষয়ে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইনজামুল হক বলেন, গত সাত বছরেও আমাদের বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত একটি বিভাগের প্রতি সেমিস্টারে থিওরি ল্যাব মিলিয়ে ৮/৯ টি কোর্স পরিচালনা করতে হয়। সেই হিসেবে ছয়টি শিক্ষাবর্ষের কোর্স সংখ্যা প্রায় ৫০ টি। এছাড়াও ফিল্ডওয়ার্ক-ট্রেনিং তো আছেই।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময় গেস্ট টিচার ও পার্ট টাইম টিচার দিয়ে কোনো রকম বিভাগ চলছে, সে ক্ষেত্রে নানা রকম জটিলতা তো আছেই। জুলাই আন্দোলনের পর নতুন অনেক বিভাগে এক বা একাধিক নিয়োগ হলেও আমাদের বিভাগে নিয়োগের কোন নিয়োগ নেই। এই বিভাগে ৮ বছরে কোনো নতুন নিয়োগ হয়নি।
এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. নকীব মুহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ইতোমধ্যে আমরা বিভাগটিতে শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি। খুব দ্রুততার সঙ্গে আমরা শিক্ষক নিয়োগ দিব। এছাড়া অন্য যেসব বিভাগে শিক্ষক সংকট রয়েছে, সেগুলো নিয়েও আমরা কাজ করছি।

ইবির জিওগ্রাফি বিভাগে ৭ বছরে হয়নি শিক্ষক নিয়োগ
ইসলামী-বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জিওগ্রাফি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট সায়েন্স বিভাগে গত সাত বছর ধরে কোন শিক্ষক নিয়োগ দেয়া হয়নি। এতে চরম সংকটে পড়েছে শিক্ষা কার্যক্রম। শিক্ষকদেরকেও বাড়তি চাপ বহন করতে হচ্ছে। এমন কী বারবার সেশনজটের কবলে পড়ছে বিভাগটি।
জানা যায়, বিভাগটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০১৭ সালে। এরপর ২০১৮ সালে চার জন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়। গত সাত বছর ধরে কোন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি বিভাগটিতে। একাধিক শিক্ষক একাডেমিক ডিগ্রির জন্য বিদেশে আছেন। এমনও সময় গেছে মাত্র ২ জন শিক্ষক দিয়ে বিভাগের কার্যক্রম চলেছে। বিগত আওয়ামী আমলে সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. শেখ আব্দুস সালামের আমলে দুবার নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। ওই সময় আবেদন জমা পড়লেও যাচাই-বাছাই সত্বেও তা বিভিন্ন জটিলতায় আলোর মুখ দেখেনি।
গত আট বছরে বিভাগে সাধারণ কর্মচারী ও ল্যাব সংক্রান্ত জনবলও নিয়োগ দেয়া হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, ছাত্রলীগ নেতাদের সুপারিশ গ্রহণ না করায় নিয়োগ কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। ফলে বিভাগটিতে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। এতে শিক্ষার্থীরাও সেশনজটে পড়ছে। ক্ষতি হচ্ছে তাদের জীবনের মূল্যবান সময়।
এ বিষয়ে বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইনজামুল হক বলেন, গত সাত বছরেও আমাদের বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত একটি বিভাগের প্রতি সেমিস্টারে থিওরি ল্যাব মিলিয়ে ৮/৯ টি কোর্স পরিচালনা করতে হয়। সেই হিসেবে ছয়টি শিক্ষাবর্ষের কোর্স সংখ্যা প্রায় ৫০ টি। এছাড়াও ফিল্ডওয়ার্ক-ট্রেনিং তো আছেই।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময় গেস্ট টিচার ও পার্ট টাইম টিচার দিয়ে কোনো রকম বিভাগ চলছে, সে ক্ষেত্রে নানা রকম জটিলতা তো আছেই। জুলাই আন্দোলনের পর নতুন অনেক বিভাগে এক বা একাধিক নিয়োগ হলেও আমাদের বিভাগে নিয়োগের কোন নিয়োগ নেই। এই বিভাগে ৮ বছরে কোনো নতুন নিয়োগ হয়নি।
এ বিষয়ে অধ্যাপক ড. নকীব মুহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ইতোমধ্যে আমরা বিভাগটিতে শিক্ষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি। খুব দ্রুততার সঙ্গে আমরা শিক্ষক নিয়োগ দিব। এছাড়া অন্য যেসব বিভাগে শিক্ষক সংকট রয়েছে, সেগুলো নিয়েও আমরা কাজ করছি।




