জকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএসসহ ১৬ পদে শিবির সমর্থিত প্যানেলের জয়

জকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএসসহ ১৬ পদে শিবির সমর্থিত প্যানেলের জয়
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল প্রধান তিনটি পদসহ ১৬ পদে জয় লাভ করেন। ঘোষিত ফলাফলে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে আব্দুল আলিম আরিফ এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে মাসুদ রানা নির্বাচিত হয়েছেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এই প্রথম কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩৮টি বিভাগ ও একমাত্র ছাত্রী হল নিয়ে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাতজন কার্যনির্বাহী সদস্যসহ মোট ২১টি পদের বিপরীতে চারটি প্যানেল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ১৫৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। হল সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৩৩ জন প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতের প্রথম প্রহরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে জকসু নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ২১টি পদের মধ্যে ভিপি, জিএস ও এজিএসসহ ১৬টি পদে শিবির সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। অপরদিকে, ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেল ৫টি পদে জয় লাভ করেছে।
ভিপি পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের একেএম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট। ফলে ৮৭০ ভোটের ব্যবধানে রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ বিজয় অর্জন করেন।
জিএস পদে অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ১ হাজার ৯৭৩ ভোট। এতে ৩ হাজার ৪৯৭ ভোটের বড় ব্যবধানে আব্দুল আলিম আরিফ নির্বাচিত হন।
এজিএস পদে অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের মাসুদ রানা পেয়েছেন ৫ হাজার ১৮ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বি. এম. আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৫ ভোট। ৯৪৩ ভোটের ব্যবধানে মাসুদ রানা জয় লাভ করেন।
এছাড়া ১১টি সম্পাদকীয় পদের মধ্যে ৮টিতে অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের প্রার্থীরা বিজয় অর্জন করেছেন। বিজয়ীরা হলেন— ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ জরজিস আনোয়ার নাইম (৩,৯৬৩ ভোট), সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান (৩,৪৮৬), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নওসিন আরা জয়া (৪,১০৫), আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক হাবিব মোহাম্মদ ফারুক (৪,৬৫৪), স্বাস্থ্য সম্পাদক নূর মোহাম্মদ (৪,৪৭০), বিজ্ঞান ও পরিবেশ সম্পাদক সুখিমন খাতুন (৪,৪৮৬), শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইবরাহিম খলিল (৫,৫২৪) এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক মো. নরু নবী (৫,৪০০)।
অন্যদিকে বাকি তিনটি সম্পাদকীয় পদে ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। তারা হলেন— পরিবহন সম্পাদক মো. মাহিদ হোসেন (৪,০২৩), সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মো. তাকরিম আহমেদ (৫,৩৮৫) এবং পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক রিয়াসাল রাকিব (৪,৬৯৮) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
কার্যনির্বাহী সদস্যের সাতটি পদের মধ্যে শিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে পাঁচজন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন শিবির–সমর্থিত প্যানেলের ফাতেমা আক্তার (অওরিন), তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৫১ ভোট। একই প্যানেলের আকিব হাসান ৩ হাজার ৫৮৮ ভোট, শান্তা আক্তার ৩ হাজার ৫৫৪ ভোট, জাহিদ হাসান ৩ হাজার ১২৪ ভোট এবং মো. আবদুল্লাহ আল ফারুক ২ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
অন্যদিকে, ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল থেকে দুইজন কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন মোহাম্মদ সাদমান আমিন, যিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৩০৭ ভোট এবং ইমরান হাসান ইমন, যিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৬৩৬ ভোট।
হল সংসদ নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে জান্নাতুল উম্মে তারিন (৫৫০), সাধারণ সম্পাদক সুমাইয়া তাবাসসুম (৫৭১), সহ-সাধারণ সম্পাদক রেদোয়ানা খাওলা (৫৪৫), সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারজানা আক্তার (৪৮৩), সংস্কৃতি সম্পাদক ফাতেমাতুজ জোহরা (৪৩১), পাঠাগার সম্পাদক ফাতেমাতুজ জোহরা সামিয়া (৫৩৯), ক্রীড়া সম্পাদক ছাবিকুন নাহার (৬৩৫), সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক ফারজানা আক্তার (৪০৮) এবং স্বাস্থ্য সম্পাদক মোছা. খাদিজা খাতুন (৪৮৬) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
এছাড়া হল সংসদের কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে সাবরিনা আক্তার, নওশিন বিনতে আলম, মোছা. সাইমা খাতুন, লসকর রুবাইয়া জাহান, খাদিজা আক্তার দিয়া, রাফিয়া পারভীন কণা, শাকিলা ইয়াসমিন তৃপ্তী ও ছিদ্রাতুল মুনতাহা তাওহিদা নির্বাচিত হয়েছেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল প্রধান তিনটি পদসহ ১৬ পদে জয় লাভ করেন। ঘোষিত ফলাফলে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে আব্দুল আলিম আরিফ এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে মাসুদ রানা নির্বাচিত হয়েছেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এই প্রথম কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩৮টি বিভাগ ও একমাত্র ছাত্রী হল নিয়ে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাতজন কার্যনির্বাহী সদস্যসহ মোট ২১টি পদের বিপরীতে চারটি প্যানেল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ১৫৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। হল সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৩৩ জন প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতের প্রথম প্রহরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে জকসু নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ২১টি পদের মধ্যে ভিপি, জিএস ও এজিএসসহ ১৬টি পদে শিবির সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। অপরদিকে, ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেল ৫টি পদে জয় লাভ করেছে।
ভিপি পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের একেএম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট। ফলে ৮৭০ ভোটের ব্যবধানে রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ বিজয় অর্জন করেন।
জিএস পদে অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ১ হাজার ৯৭৩ ভোট। এতে ৩ হাজার ৪৯৭ ভোটের বড় ব্যবধানে আব্দুল আলিম আরিফ নির্বাচিত হন।
এজিএস পদে অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের মাসুদ রানা পেয়েছেন ৫ হাজার ১৮ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বি. এম. আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৫ ভোট। ৯৪৩ ভোটের ব্যবধানে মাসুদ রানা জয় লাভ করেন।
এছাড়া ১১টি সম্পাদকীয় পদের মধ্যে ৮টিতে অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের প্রার্থীরা বিজয় অর্জন করেছেন। বিজয়ীরা হলেন— ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ জরজিস আনোয়ার নাইম (৩,৯৬৩ ভোট), সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান (৩,৪৮৬), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নওসিন আরা জয়া (৪,১০৫), আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক হাবিব মোহাম্মদ ফারুক (৪,৬৫৪), স্বাস্থ্য সম্পাদক নূর মোহাম্মদ (৪,৪৭০), বিজ্ঞান ও পরিবেশ সম্পাদক সুখিমন খাতুন (৪,৪৮৬), শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইবরাহিম খলিল (৫,৫২৪) এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক মো. নরু নবী (৫,৪০০)।
অন্যদিকে বাকি তিনটি সম্পাদকীয় পদে ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। তারা হলেন— পরিবহন সম্পাদক মো. মাহিদ হোসেন (৪,০২৩), সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মো. তাকরিম আহমেদ (৫,৩৮৫) এবং পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক রিয়াসাল রাকিব (৪,৬৯৮) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
কার্যনির্বাহী সদস্যের সাতটি পদের মধ্যে শিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে পাঁচজন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন শিবির–সমর্থিত প্যানেলের ফাতেমা আক্তার (অওরিন), তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৫১ ভোট। একই প্যানেলের আকিব হাসান ৩ হাজার ৫৮৮ ভোট, শান্তা আক্তার ৩ হাজার ৫৫৪ ভোট, জাহিদ হাসান ৩ হাজার ১২৪ ভোট এবং মো. আবদুল্লাহ আল ফারুক ২ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
অন্যদিকে, ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল থেকে দুইজন কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন মোহাম্মদ সাদমান আমিন, যিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৩০৭ ভোট এবং ইমরান হাসান ইমন, যিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৬৩৬ ভোট।
হল সংসদ নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে জান্নাতুল উম্মে তারিন (৫৫০), সাধারণ সম্পাদক সুমাইয়া তাবাসসুম (৫৭১), সহ-সাধারণ সম্পাদক রেদোয়ানা খাওলা (৫৪৫), সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারজানা আক্তার (৪৮৩), সংস্কৃতি সম্পাদক ফাতেমাতুজ জোহরা (৪৩১), পাঠাগার সম্পাদক ফাতেমাতুজ জোহরা সামিয়া (৫৩৯), ক্রীড়া সম্পাদক ছাবিকুন নাহার (৬৩৫), সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক ফারজানা আক্তার (৪০৮) এবং স্বাস্থ্য সম্পাদক মোছা. খাদিজা খাতুন (৪৮৬) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
এছাড়া হল সংসদের কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে সাবরিনা আক্তার, নওশিন বিনতে আলম, মোছা. সাইমা খাতুন, লসকর রুবাইয়া জাহান, খাদিজা আক্তার দিয়া, রাফিয়া পারভীন কণা, শাকিলা ইয়াসমিন তৃপ্তী ও ছিদ্রাতুল মুনতাহা তাওহিদা নির্বাচিত হয়েছেন।

জকসু নির্বাচনে ভিপি, জিএসসহ ১৬ পদে শিবির সমর্থিত প্যানেলের জয়
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু) নির্বাচনের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। এতে শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল প্রধান তিনটি পদসহ ১৬ পদে জয় লাভ করেন। ঘোষিত ফলাফলে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে আব্দুল আলিম আরিফ এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে মাসুদ রানা নির্বাচিত হয়েছেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এই প্রথম কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৩৮টি বিভাগ ও একমাত্র ছাত্রী হল নিয়ে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সাতজন কার্যনির্বাহী সদস্যসহ মোট ২১টি পদের বিপরীতে চারটি প্যানেল ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ১৫৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। হল সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ৩৩ জন প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাতের প্রথম প্রহরে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা হাসান আনুষ্ঠানিকভাবে জকসু নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন। ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, ২১টি পদের মধ্যে ভিপি, জিএস ও এজিএসসহ ১৬টি পদে শিবির সমর্থিত প্যানেলের প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। অপরদিকে, ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেল ৫টি পদে জয় লাভ করেছে।
ভিপি পদে শিবির সমর্থিত অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের একেএম রাকিব পেয়েছেন ৪ হাজার ৬৮৮ ভোট। ফলে ৮৭০ ভোটের ব্যবধানে রিয়াজুল ইসলাম রিয়াজ বিজয় অর্জন করেন।
জিএস পদে অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের আব্দুল আলিম আরিফ পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত খাদিজাতুল কুবরা পেয়েছেন ১ হাজার ৯৭৩ ভোট। এতে ৩ হাজার ৪৯৭ ভোটের বড় ব্যবধানে আব্দুল আলিম আরিফ নির্বাচিত হন।
এজিএস পদে অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের মাসুদ রানা পেয়েছেন ৫ হাজার ১৮ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী বি. এম. আতিকুর রহমান তানজিল পেয়েছেন ৪ হাজার ৭৫ ভোট। ৯৪৩ ভোটের ব্যবধানে মাসুদ রানা জয় লাভ করেন।
এছাড়া ১১টি সম্পাদকীয় পদের মধ্যে ৮টিতে অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের প্রার্থীরা বিজয় অর্জন করেছেন। বিজয়ীরা হলেন— ক্রীড়া সম্পাদক মোহাম্মদ জরজিস আনোয়ার নাইম (৩,৯৬৩ ভোট), সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান (৩,৪৮৬), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নওসিন আরা জয়া (৪,১০৫), আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক হাবিব মোহাম্মদ ফারুক (৪,৬৫৪), স্বাস্থ্য সম্পাদক নূর মোহাম্মদ (৪,৪৭০), বিজ্ঞান ও পরিবেশ সম্পাদক সুখিমন খাতুন (৪,৪৮৬), শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইবরাহিম খলিল (৫,৫২৪) এবং মুক্তিযুদ্ধ ও গণতন্ত্র সম্পাদক মো. নরু নবী (৫,৪০০)।
অন্যদিকে বাকি তিনটি সম্পাদকীয় পদে ছাত্রদল সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেলের প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। তারা হলেন— পরিবহন সম্পাদক মো. মাহিদ হোসেন (৪,০২৩), সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক মো. তাকরিম আহমেদ (৫,৩৮৫) এবং পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক রিয়াসাল রাকিব (৪,৬৯৮) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
কার্যনির্বাহী সদস্যের সাতটি পদের মধ্যে শিবির সমর্থিত প্যানেল থেকে পাঁচজন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন শিবির–সমর্থিত প্যানেলের ফাতেমা আক্তার (অওরিন), তিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৮৫১ ভোট। একই প্যানেলের আকিব হাসান ৩ হাজার ৫৮৮ ভোট, শান্তা আক্তার ৩ হাজার ৫৫৪ ভোট, জাহিদ হাসান ৩ হাজার ১২৪ ভোট এবং মো. আবদুল্লাহ আল ফারুক ২ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।
অন্যদিকে, ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল থেকে দুইজন কার্যনির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তারা হলেন মোহাম্মদ সাদমান আমিন, যিনি পেয়েছেন ৩ হাজার ৩০৭ ভোট এবং ইমরান হাসান ইমন, যিনি পেয়েছেন ২ হাজার ৬৩৬ ভোট।
হল সংসদ নির্বাচনে সহ-সভাপতি পদে জান্নাতুল উম্মে তারিন (৫৫০), সাধারণ সম্পাদক সুমাইয়া তাবাসসুম (৫৭১), সহ-সাধারণ সম্পাদক রেদোয়ানা খাওলা (৫৪৫), সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারজানা আক্তার (৪৮৩), সংস্কৃতি সম্পাদক ফাতেমাতুজ জোহরা (৪৩১), পাঠাগার সম্পাদক ফাতেমাতুজ জোহরা সামিয়া (৫৩৯), ক্রীড়া সম্পাদক ছাবিকুন নাহার (৬৩৫), সমাজসেবা ও শিক্ষার্থী কল্যাণ সম্পাদক ফারজানা আক্তার (৪০৮) এবং স্বাস্থ্য সম্পাদক মোছা. খাদিজা খাতুন (৪৮৬) ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
এছাড়া হল সংসদের কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে সাবরিনা আক্তার, নওশিন বিনতে আলম, মোছা. সাইমা খাতুন, লসকর রুবাইয়া জাহান, খাদিজা আক্তার দিয়া, রাফিয়া পারভীন কণা, শাকিলা ইয়াসমিন তৃপ্তী ও ছিদ্রাতুল মুনতাহা তাওহিদা নির্বাচিত হয়েছেন।




